,

Notice :
«» সোমবার শহীদ সিরাজ লেকে ‘ইত্যাদি’র দৃশ্যায়ন «» জামালগঞ্জের দৌলতা ব্রীজ মরণ ফাঁদ «» রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন অ্যাড. রুমেন «» আয়কর মেলা সমাপ্ত : ৪ দিনে কর আদায় সাড়ে ১২ লক্ষ টাকা «» ‘নীলাদ্রি’ নয় শহীদ সিরাজ লেক নামে ‘ইত্যাদি’ অনুষ্ঠানে প্রচারের জন্য স্মারকলিপি «» নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন : সহকারি রির্টানিং অফিসারের কাছে অভিযোগ «» মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসংরক্ষণ কর্মকে প্রবল ও বেগবান করুন «» কেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা «» নির্বাচনী মাঠ ফাঁকা : প্রার্থীরা ঢাকায়, উৎকণ্ঠা উত্তেজনায় কাটছে প্রতি মুহূর্ত «» প্রশাসনের উদ্যোগ : প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যানার পোস্টার অপসারণ

পান্ডারগাঁওয়ে ভিজিএফের চাল আত্মসাতের চেষ্টা : চেয়ারম্যান ফারুক ও তার তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন


স্টাফ রিপোর্টার ::

দোয়ারাবাজার উপজেলার পান্ডারগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফারুক আহমদসহ ও তাঁর তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে ১০ বছর পূর্বে ভিজিএফ’র চাল আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেছেন আদালত। বুধবার সিলেটের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক শেখ আশফাকুর রহমান আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ বিচারযোগ্য বিবেচনায় অভিযোগ (চার্জ) গঠনের এই আদেশ দেন।
২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ইউনিয়নের হিম্মতেরগাঁও গ্রামের মো. আবুল মনসুর লিটন বাদি হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ এবং তার ভাই ফয়েজ আহমদ, ছালেহ আহমদ ও রশিদ আহমদের বিরুদ্ধে ইউনিয়নের অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে বণ্টনের জন্য সরকারের দেওয়া ভিজিএফের ৭ বস্তা চাল আত্মসাতের অভিযোগে দোয়ারাবাজার থানায় একটি মামলাটি (নম্বর ০৩/২০০৮) দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পান্ডারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ সাড়ে ২২ মেট্রিক টন ভিজিএফের চাল অতিদরিদ্রদের মাঝে বিতরণের জন্য দোয়ারবাজার সরকারি খাদ্যগুদাম হতে উত্তোলন করে মঙ্গলপুর বাজারে অবস্থিত ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। পরদিন কার্ডধারীদের মাঝে চাল বিতরণ করতে শুরু করেন। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক উপকারভোগীকে ১৫ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও ইউপি চেয়ারম্যানসহ বিতরণের সাথে জড়িতরা ১০/১১ কেজি করে প্রদান করেন। বিষয়টি জানতে পেরে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা চাল কম দেওয়ার ব্যাপারে চেয়ারম্যানের কাছে জানতে চাইলে তিনি তাদের কোনরূপ সদুত্তর না দিয়ে অফিস বন্ধ করে চলে যান। রাত ৮টার দিকে মামলার বাদি লিটনসহ এলাকার লোকজন দেখতে পান চেয়ারম্যান ফারুকের উপস্থিতিতে ইউপি অফিস থেকে ৭ বস্তা চাল তার অনুসারীরা বের করে নিতে দেখে উপস্থিত লোকজন বাধা দেন। চেয়ারম্যানের সাথে এলাকার লোকজনের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের এক পর্যায়ে চেয়ারম্যানের ভাই ও ভাগ্নেরা মিলে সরকারি চালের বস্তাগুলো ঘটনাস্থল থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে বাধার মুখে ব্যর্থ হন। পরে জব্দ করা চালের বস্তাগুলো স্থানীয় ফয়েজ উদ্দিন মাস্টারের জিম্মায় রেখে পুলিশকে খবর দেন এলাকাবাসী। রাতে পুলিশ জব্দ করা চালের বস্তাগুলো থানায় নিয়ে যায়।
এদিকে, ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সরকারি চাল আত্মসাতের চেষ্টার এই ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক ও তার তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে দোয়ারাবাজার থানায় দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪০৬, ১০৯ এবং দুদক আইনের ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করেন মো. আবুল মনসুর লিটন। পুলিশ পরে চেয়ারম্যানের নিকট থেকে বিতরণ করা চালের মাস্টারোলের কপি, বরাদ্দপত্র জব্দ করে মামলাটি তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠায়। দীর্ঘ তদন্তের পর ২০১০ সালের ৮ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের তৎকালীন সহকারি পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ও মো. সামছুল আলম আদলতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
বুধবার সিলেট স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক শেখ আশফাকুর রহমান ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক ও তার তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ বিচারযোগ্য বিবেচনায় অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের পাবলিক প্রসিউিটর (পিপি) ইবনে আলী মো. লুৎফুল কিবরিয়া শামীম এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী