,

Notice :
«» সোমবার শহীদ সিরাজ লেকে ‘ইত্যাদি’র দৃশ্যায়ন «» জামালগঞ্জের দৌলতা ব্রীজ মরণ ফাঁদ «» রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন অ্যাড. রুমেন «» আয়কর মেলা সমাপ্ত : ৪ দিনে কর আদায় সাড়ে ১২ লক্ষ টাকা «» ‘নীলাদ্রি’ নয় শহীদ সিরাজ লেক নামে ‘ইত্যাদি’ অনুষ্ঠানে প্রচারের জন্য স্মারকলিপি «» নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন : সহকারি রির্টানিং অফিসারের কাছে অভিযোগ «» মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসংরক্ষণ কর্মকে প্রবল ও বেগবান করুন «» কেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা «» নির্বাচনী মাঠ ফাঁকা : প্রার্থীরা ঢাকায়, উৎকণ্ঠা উত্তেজনায় কাটছে প্রতি মুহূর্ত «» প্রশাসনের উদ্যোগ : প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যানার পোস্টার অপসারণ

‘প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটা বহাল রাখতে হবে’


সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::

দেশের প্রায় ১৬ লাখ প্রতিবন্ধীকে পেছনে ফেলে রেখে জাতি উন্নয়নের শিখরে পৌঁছাতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। তিনি বলেন, সরকারে কোটা সংস্কার প্রক্রিয়ায় ১ম ও ২য় শ্রেণিতে চাকরিতে প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটা রাখতে হবে।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ইস্কাটনে সুইড কমভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ‘প্রতিবন্ধী নারী অধিকার বিষয়ক সম্মেলনে’ তিনি এসব কথা বলেন।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, প্রতিবন্ধীরা আমাদের দেশেরই সন্তান। আমাদেরই কারও না কারও ভাই-বোন বা আত্মীয়। সুতরাং প্রতিবন্ধীদের জন্য আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। চলমান কোটা সংস্কার প্রক্রিয়ায় ১ম ও ২য় শ্রেণির চাকরিতে সব কোটা বিলুপ্তির ক্ষেত্রে অসহায় প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য স¤পূর্ণ কোটা তুলে নেওয়ার সময় এখনও হয়নি। কারণ, প্রতিবন্ধীরা পরীক্ষায় ভালো ফল করেও কেবল শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণেই ভাইভা থেকে বাদ পড়ে যান। সেক্ষেত্রে প্রতিবন্ধীদের জন্য কোটা রাখলে, তা এই পিছিয়েপড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিবন্ধীদের জন্য নানা উদ্যোগ প্রসঙ্গে মেনন বলেন, প্রতিবন্ধীদের জন্য সারাদেশে ১০৩টি প্রতিবন্ধী সহায়তা কেন্দ্র করা হয়েছে। হুইল চেয়ার, সাদা ছড়ি অনেকটা বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়া, দেশব্যাপী প্রতিবন্ধীদের জন্য থেরাপি সেন্টার, অটিজম রিসোর্স সেন্টার করা হয়েছে। সাভারে প্রতিবন্ধী ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকায় ৪টিসহ সারাদেশে মোট ১১টি স্কুল ফর অটিজম স্থাপন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ৩২টি মোবাইল থেরাপি ভ্যান বর্তমানে ৬৪টি জেলায় চলমান রয়েছে। ঢাকার টঙ্গীতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাধ্যমে ‘মুক্তাপানি’ নামে স্বচ্ছ পানি উৎপাদন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই ‘মুক্তাপানি’ লাভজনক অবস্থায় রয়েছে। ‘মুক্তাপানি’ বিক্রির লভ্যাংশের পুরো অর্থ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তায় ব্যয় করা হচ্ছে।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সুলতানা কামাল, প্রতিবন্ধী বিষয়ক চিন্তাবিদ জুলিয়ান ফ্রান্সিস, নিজেরা করি-এর নির্বাহী পরিচালক খুশি কবির, প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহমুদা-মিন-আরা, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন-এর নির্বাহী পরিচালক শাহিন আনাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী