বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৯:০১ অপরাহ্ন

Notice :

ইউপি নির্বাচন: বিদ্রোহী প্রার্থীরা ফ্যাক্টর

স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জ সদর, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ ও দোয়ারাবাজার উপজেলার ২৬ ইউপিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২৩ এপ্রিল। ইতিমধ্যে ভোটগ্রহণে প্রায় সব প্রস্তুতি স¤পন্ন করা হয়েছে। বৃহ¯পতিবার মধ্যরাত থেকে শেষ হয়েছে প্রার্থীদের সবধরণের প্রচার-প্রচারণা। এদিকে শক্তভাবে লড়াইয়ে আছেন ২৬ ইউনিয়নে আ.লীগ-বিএনপি’র ৬২ বিদ্রোহী প্রার্থী। এর মধ্যে আ.লীগের ৪১, বিএনপি’র ২১ জন প্রার্থী রয়েছেন। এ বিদ্রোহী প্রাথীরাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছেন।
আ.লীগের বিদ্রোহীরা হলেন সুরমা ইউনিয়নে আমির হোসেন রেজা, আনিসুর রহমান রনি, কোরবান নগর ইউনিয়নে শামছুদ্দিন, রঙ্গারচর ইউনিয়নে আব্দুল করিম, মহি উদ্দিন, জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নে আব্দুল কাদির, কাঠইর ইউনিয়নে আব্দুল মতিন, নুরুজ্জামান, লুৎফর রহমান, মোল্লাপাড়া ইউনিয়নে মনির উদ্দিন, নুরুল হক।
বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থীরা হলেন কোরবাননগরে আবুল বরকত, মাসুক মিয়া, রঙ্গারচর ইউনিয়নে ফরহাদ রেজা চৌধুরী, কাঠইর ইউনিয়নে আনজব আলী, শিরতাজ আলী, মোল্লাপাড়া ইউনিয়নে আল আমিন।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় আ.লীগের বিদ্রোহীরা হলেন জয়কলস ইউনিয়নে মো. রাজা মিয়া, পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নে মো.নুরুল হক, পূর্ব পাগলা ইউনিয়নে এমএ কাসেম, পাথারিয়া ইউনিনে মো. শহিদুল ইসলাম, শিমুলবাক ইউনিয়নে মো. আব্দুল্লাহ মিয়া, পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নে মো. শফিকুল ইসলাম, সৈয়দ হোসেন জায়গীরদার, হযরত আলী, মো. জাহাঙ্গীর আলম।
বিএনপি’র বিদ্রোহীরা হলেন পাথারিয়া ইউনিয়নে মো. সামছুদ্দিন, পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নে এমদাদুল হক স্বপন।
দোয়ারাবাজার উপজেলায় আ.লীগের বিদ্রোহীরা হলেন নরসিংপুর ইউনিয়নে একেএম আইয়ূবুর রহমান রহমানী, নূরুল আমিন, শাখাওয়াৎ হোসেন চৌধুরী, বাংলাবাজার ইউনিয়নে জসিম আহমদ রানা, সুরমা ইউনিয়নে হুমায়ূন রশিদ, বোগলাবাজার ইউনিয়নে আহাম্মদ আলী আপন, লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নে আমিরুল হক, পান্ডারগাঁও ইউনিয়নে আমজাদ আলী, হুমায়ূন কবির চৌধুরী, মোহাম্মদ আলী, হাবিবুর রহমান, দোহালিয়া ইউনিয়নে আব্দুল জলিল, শামীমুল ইসলাম শামীম, এমরাজ তালুকদার, গউছুল ইসলাম, রাশেন্দ্র দাস, মান্নারগাঁওয়ে ইউনিয়নে আব্দুল হান্নান, সামছুদ্দিন আহমদ, আব্দুস শহিদ, দোয়ারা সদর ইউনিয়নে আব্দুল খালেক।
দোয়ারাবাজারে বিএনপি’র বিদ্রোহীরা হলেন বাংলাবাজার ইউনিয়নে মুর্শেদ আলম, সুরমা ইউনিয়নে হারুন অর রশিদ, আব্দুল বাকির, বোগলাবাজার ইউনিয়নে জামাল উদ্দিন, লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নে খলিলুর রহমান, হারুনুর রশিদ, পান্ডারগাঁও ইউনিয়নে ফারুক আহমদ, দোহালিয়া ইউনিয়নে দেওয়ান হুমায়ূন চৌধুরী, মিজানুর রহমান, কাজী মাহবুবুল ইসলাম, মান্নারগাঁওয়ে ইউনিয়নে আইন উদ্দিন, ইজ্জত আলী, কৃষ্ণ মোহন রায়, দোয়ারা সদর ইউনিয়নে নূরুল আমিন।
এদিকে, বিদ্রোহী থামাতে আ.লীগ উদ্যোগ নিলেও তা তেমন কাজে আসেনি। বিদ্রোহীদের মধ্য থেকে একমাত্র সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নে রঞ্জু কুমার দাস দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বাকিরা শক্তভাবেই লড়াইয়ে আছেন।
সচেতন ভোটাররা জানিয়েছেন, আ.লীগ ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের সঙ্গে মূল লড়াইয়ে থাকবেন বিদ্রোহীরা। তাঁরাই এখন বড়ো ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের অনেকে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন।
দু’দলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা বলছেন, দলীয় প্রার্থী মনোনয়নে যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি। এই ক্ষোভে তাঁরা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করতে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। তাঁরা জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশা প্রকাশ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী