সুনামগঞ্জ , রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর পদক্ষেপের দাবিতে মানববন্ধন সফর সংক্ষিপ্ত, কূটনৈতিক কর্মসূচি বিস্তৃত: নিউইয়র্কে তারেক রহমান নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি ঢাকা-সিলেট সড়কের ৬ লেনের নির্মাণকাজ শেষ হবে ২৯ সালে : সড়কমন্ত্রী দিরাই সরকারি ডিগ্রি  কলেজে ‎"অধ্যক্ষ বিহীন ১৭ বছর" ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক উন্নয়নে ১৭৪ কোটি টাকার কাজ উদ্বোধন ভিপি জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে মমতাজ বেগম ছাতকে ১৫ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালান পণ্যসহ আটক ১ ডাকসুতে ইতিহাসের বিতর্ক, বাংলাদেশের জন্মপথ কি মুছে ফেলা যায়? ‎তিন সন্তানকে বিষপান করানোর পর বাবারও বিষপান, তাহিরপুরে তিন শিশুর মৃত্যু সংকটে ধুঁকছে সদর হাসপাতাল শহরের পাসপোর্ট অফিস রোড এলাকায় ঘনঘন চুরি বাংলাদেশ হয়ে উঠার ঐতিহাসিক গল্প আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৬৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা ছাতকের চরমহল্লায় মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৯ ওয়ার্ডে ৯ সেলাই মেশিন বিতরণ তাহিরপুরে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ‎হ্যান্ডবলে বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন জামালগঞ্জের আলাউদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় দোয়ারাবাজারে নদীভাঙনে অস্তিত্ব হারাচ্ছে কবরস্থান তাহিরপুরে সড়কের বেহাল দশা,দুর্ভোগে পর্যটক-স্থানীয়রা ভূমি অফিস শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত করার ঘোষণা এসিল্যান্ডের

শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ

  • আপলোড সময় : ১৮-০৩-২০২৬ ০৪:৩১:৪৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-০৩-২০২৬ ০৪:৩১:৪৪ পূর্বাহ্ন
শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ
বিশেষ প্রতিনিধি :: শাল্লা উপজেলার ছায়ার হাওর উপ-প্রকল্পের ১৪ নং পিআইসিকে স্থানীয়রা ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ হিসেবে চিনেন। তবে কোনও সাইনবোর্ড নেই। কাজও হয়েছে যাচ্ছেতাই। যথাযথভাবে কাজ না হওয়ায় ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে স্থানীয় মানুষের চলাচলেও দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে গত সোমবার সোমেশ্বরী মেলায় আগত লোকজন চরম দুর্ভোগ সয়েছেন। জানা গেছে, উপজেলার ডুমরা আতাউরের বাড়ি থেকে মন্নানপুর পর্যন্ত ১৪ নং প্রকল্পে পানি উন্নয়ন বোর্ড বরাদ্দ দেয় প্রায় ২৩ লাখ টাকা। প্রকল্পে সভাপতি হিসেবে সুজিত চন্দ্র দাস ও সেক্রেটারি হিসেবে এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক সমন্বয়ক তাপস দাসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। নিয়মানুযায়ী সাইনবোর্ড প্রকাশ্যে টাঙিয়ে কাজ করার কথা থাকলেও সেটা করেননি পিআইসির লোকজন। সরু আইলের মতো পুরনো সড়কে সামান্য মাটি ফেলে বাঁধটিকে আরো অসুন্দর করা হয়েছে। দুর্মুজ না করায় সামান্য বৃষ্টিতে কাদার কারণে স্থানীয়রা চলাচল করতে পারছেন না। তাছাড়া বাঁধে যথাযথভাবে মাটি ফেলা হয়নি, দুর্মুজ করা হয়নি এবং দুর্বাঘাসও লাগানো হয়নি। যার ফলে পুরো বাঁধটি অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। নামমাত্র কাজ করায় বাঁধটি টেকসই হয়নি। তাছাড়া জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কে প্রকল্পটি হওয়ায় স্থানীয়দের চলাফেরায়ও দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় এই অনিয়ম হলেও বিষয়টি না দেখার ভান করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাহাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ চৌধুরী নান্টু বলেন, প্রকল্প এলাকার মানুষজন প্রকল্প নিয়ে নানা অনিয়মের কথা আমাদেরকে জানাচ্ছেন। কিন্তু এতে আমরা সংশ্লিষ্ট না থাকায় কোনো জবাব দিতে পারছিনা। এখন চলাচলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ হচ্ছে। সাধারণ মানুষজন পরিষদকে দোষছেন। অথচ পরিষদ এ ব্যাপারে কিছু জানেনা। এ বিষয়টি আমি এডিসি মহোদয়কে জানিয়েছি। সমন্বয়ক ও প্রকল্পের সেক্রেটারি তাপস দাসের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি কল রিসিভ করেননি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বাঁধ মনিটরিং কমিটির সভাপতি পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, এই প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্দ জানিনা। বাঁধের কাজে অনিয়ম হয়েছে কি না জানিনা। তবে প্রকল্পটি মেইন সড়কে হওয়ায় বৃষ্টির কারণে মানুষের দুর্ভোগ হচ্ছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর পদক্ষেপের দাবিতে মানববন্ধন

কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর পদক্ষেপের দাবিতে মানববন্ধন