সুনামগঞ্জ , শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ , ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই শহীদ দিবস পালন সরকার জনগণের সাথে বেইমানি করেছে বর্ণাঢ্য রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল ছাতকের জলাশয়ে মিলছে রাক্ষুসে সাকার মাছ! জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার দন্ডপ্রাপ্ত সাবেক মেজর ৪৫ বছর পর গ্রেপ্তার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজে অন্তহীন বাধা শান্তিগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, গ্রেফতার ৩ যাদুকাটা, রক্তি ও পাটলাই নদীতে অতিরিক্ত টোল আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন হাওরের আতঙ্ক ‘আফাল’ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট একজনের মৃত্যুদন্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ দাবদাহে যুক্তরাজ্যে ২৭০০ জনের প্রাণহানি খাসিয়ামারা নদী গিলছে ভিটেমাটি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মতবিনিময় ও সচেতনতামূলক সভা একটি দল জনগণের বিপক্ষে ছিল, তাদের রাজাকার বলা হয় : সুলতান সালাউদ্দিন জনগণের সমর্থন থাকলে কোনো বাধাই বিএনপিকে থামাতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে পিতা-পুত্রের পাল্টাপাল্টি মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি আড়াই কোটি টাকার ৪ নৌ-অ্যাম্বুলেন্স অকেজো, একদিনও সেবা পাননি হাওরবাসী

নদী ভাঙন কবলিত স্থানে ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ, স্থানীয়দের উদ্বেগ

  • আপলোড সময় : ০২-০২-২০২৬ ০৯:১৫:১৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-০২-২০২৬ ০৯:১৭:২৯ পূর্বাহ্ন
নদী ভাঙন কবলিত স্থানে ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ, স্থানীয়দের উদ্বেগ
জগন্নাথপুর প্রতিনিধি ::
জগন্নাথপুর উপজেলায় কুশিয়ারা নদীর ভাঙন কবলিত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে হাওরের ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে নদীভাঙনের মুখে থাকা এলাকায় বাঁধ নির্মাণ করায় সেটিও টেকসই হবে কিনা - এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের বড়ফেছি বাজারের পশ্চিম পাশে কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের কবলে পড়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় রাস্তা। যে কোনো সময় রাস্তাটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ওই রাস্তার পাশ দিয়েই নির্মাণ করা হয়েছে হাওরের ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধ, যেটিকে ভবিষ্যতে বিকল্প রাস্তা হিসেবেও ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, নদীভাঙনের মুখে থাকা স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হলে সেটিও ভেঙে যেতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে জনদুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, ১৭ নম্বর পিআইসি প্রকল্পের আওতায় বাঁধে মাটি কাটার কাজ চলছে। এ সময় প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) সভাপতি লকুছ মিয়া ও মাটিকাটা ঠিকাদার শাহান মিয়া জানান, তাদের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তারা বলেন, যতটুকু সম্ভব সরে এসে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এর বেশি সরানো সম্ভব হয়নি, কারণ পাশের জমির মালিকরা জায়গা দিতে রাজি হননি। তাই যেখানে প্রকল্প দেওয়া হয়েছে, সেখানেই কাজ করতে হচ্ছে। এ বিষয়ে পাউবো জগন্নাথপুর উপজেলা কর্মকর্তা শেখ ফরিদ জানান, নদীভাঙন রোধে কুশিয়ারা নদীতে জিওটেক্সটাইল বস্তাভর্তি মাটি ফেলা হয়েছে। তবে কাজটি এখনো দৃশ্যমানভাবে ফলপ্রসূ হয়নি বলে স্বীকার করেন তিনি। তিনি বলেন, নদীভাঙনের কারণে রাস্তাটি ঝুঁকিতে পড়ে গেছে। তাই রাস্তাটিকে বেড়িবাঁধের আওতায় আনা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে রাস্তা নদীতে বিলীন হলেও বাঁধের ওপর দিয়ে চলাচল করা যায়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, পাশের জমির মালিকরা অবশিষ্ট জমি না দেওয়ায় বিকল্প কোনো জায়গায় প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স