জগন্নাথপুর প্রতিনিধি ::
জগন্নাথপুর উপজেলায় কুশিয়ারা নদীর ভাঙন কবলিত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে হাওরের ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে নদীভাঙনের মুখে থাকা এলাকায় বাঁধ নির্মাণ করায় সেটিও টেকসই হবে কিনা - এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের বড়ফেছি বাজারের পশ্চিম পাশে কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের কবলে পড়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় রাস্তা। যে কোনো সময় রাস্তাটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ওই রাস্তার পাশ দিয়েই নির্মাণ করা হয়েছে হাওরের ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধ, যেটিকে ভবিষ্যতে বিকল্প রাস্তা হিসেবেও ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, নদীভাঙনের মুখে থাকা স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হলে সেটিও ভেঙে যেতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে জনদুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, ১৭ নম্বর পিআইসি প্রকল্পের আওতায় বাঁধে মাটি কাটার কাজ চলছে। এ সময় প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) সভাপতি লকুছ মিয়া ও মাটিকাটা ঠিকাদার শাহান মিয়া জানান, তাদের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তারা বলেন, যতটুকু সম্ভব সরে এসে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এর বেশি সরানো সম্ভব হয়নি, কারণ পাশের জমির মালিকরা জায়গা দিতে রাজি হননি। তাই যেখানে প্রকল্প দেওয়া হয়েছে, সেখানেই কাজ করতে হচ্ছে। এ বিষয়ে পাউবো জগন্নাথপুর উপজেলা কর্মকর্তা শেখ ফরিদ জানান, নদীভাঙন রোধে কুশিয়ারা নদীতে জিওটেক্সটাইল বস্তাভর্তি মাটি ফেলা হয়েছে। তবে কাজটি এখনো দৃশ্যমানভাবে ফলপ্রসূ হয়নি বলে স্বীকার করেন তিনি। তিনি বলেন, নদীভাঙনের কারণে রাস্তাটি ঝুঁকিতে পড়ে গেছে। তাই রাস্তাটিকে বেড়িবাঁধের আওতায় আনা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে রাস্তা নদীতে বিলীন হলেও বাঁধের ওপর দিয়ে চলাচল করা যায়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, পাশের জমির মালিকরা অবশিষ্ট জমি না দেওয়ায় বিকল্প কোনো জায়গায় প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।
জগন্নাথপুর উপজেলায় কুশিয়ারা নদীর ভাঙন কবলিত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে হাওরের ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে নদীভাঙনের মুখে থাকা এলাকায় বাঁধ নির্মাণ করায় সেটিও টেকসই হবে কিনা - এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের বড়ফেছি বাজারের পশ্চিম পাশে কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের কবলে পড়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় রাস্তা। যে কোনো সময় রাস্তাটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ওই রাস্তার পাশ দিয়েই নির্মাণ করা হয়েছে হাওরের ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধ, যেটিকে ভবিষ্যতে বিকল্প রাস্তা হিসেবেও ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, নদীভাঙনের মুখে থাকা স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হলে সেটিও ভেঙে যেতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে জনদুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, ১৭ নম্বর পিআইসি প্রকল্পের আওতায় বাঁধে মাটি কাটার কাজ চলছে। এ সময় প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) সভাপতি লকুছ মিয়া ও মাটিকাটা ঠিকাদার শাহান মিয়া জানান, তাদের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তারা বলেন, যতটুকু সম্ভব সরে এসে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এর বেশি সরানো সম্ভব হয়নি, কারণ পাশের জমির মালিকরা জায়গা দিতে রাজি হননি। তাই যেখানে প্রকল্প দেওয়া হয়েছে, সেখানেই কাজ করতে হচ্ছে। এ বিষয়ে পাউবো জগন্নাথপুর উপজেলা কর্মকর্তা শেখ ফরিদ জানান, নদীভাঙন রোধে কুশিয়ারা নদীতে জিওটেক্সটাইল বস্তাভর্তি মাটি ফেলা হয়েছে। তবে কাজটি এখনো দৃশ্যমানভাবে ফলপ্রসূ হয়নি বলে স্বীকার করেন তিনি। তিনি বলেন, নদীভাঙনের কারণে রাস্তাটি ঝুঁকিতে পড়ে গেছে। তাই রাস্তাটিকে বেড়িবাঁধের আওতায় আনা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে রাস্তা নদীতে বিলীন হলেও বাঁধের ওপর দিয়ে চলাচল করা যায়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, পাশের জমির মালিকরা অবশিষ্ট জমি না দেওয়ায় বিকল্প কোনো জায়গায় প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।