সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই

জগন্নাথপুরে নদী ভাঙনে বিলীনের পথে সড়ক, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

  • আপলোড সময় : ২৯-০১-২০২৬ ০৯:০০:২৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৯-০১-২০২৬ ০৯:০১:১০ পূর্বাহ্ন
জগন্নাথপুরে নদী ভাঙনে বিলীনের পথে সড়ক, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন
মোশাহজাহান মিয়া ::
কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে জগন্নাথপুর উপজেলার জগন্নাথপুর-বড়ফেছি সড়ক। ভাঙন কবলিত এই সরু সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। যে কোন সময় সড়কটি নদীগর্ভে তলিয়ে যাবে - এমন শঙ্কায় শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, বড়ফেছি বাজার এলাকায় নদী ভাঙনরোধে ব্লক বসানোর কাজ চলছে। তবে এ কাজের পশ্চিম দিকে নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে সড়কটি। যে সড়ক হচ্ছে অত্র অঞ্চলের মানুষের জগন্নাথপুর উপজেলা সদরে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। সড়কটি ভাঙতে ভাঙতে একেবারে সরু হয়ে রীতিমতো ঝুলে আছে। যে কোন সময় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। এই অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। পথচারী রহমত আলীসহ স্থানীয়রা জানান, ভাঙনের কবলে ঝুলে থাকা সড়কটি অংশটি যে কোন সময় নদীতে পড়ে গেলে অত্র অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে। রাস্তার অংশটি বিলীন হওয়ার আগে এখানে নদী ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নিতে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান। আমিন উদ্দিনসহ এ রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনের চালকরা শঙ্কা প্রকাশ করে জানান, আমরা জানি যে কোন সময় রাস্তার অংশটি নদীতে পড়ে যাবে। তবুও অনেকটা বাধ্য হয়ে আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ড জগন্নাথপুর উপজেলা কর্মকর্তা শেখ ফরিদ জানান, নদী ভাঙনের এ অংশেও কাজ চলছে। এ কাজ দৃশ্যমান নয়। একে বলে ডাম্পিং কাজ। নদীগর্ভে জিও টেক্স বস্তাভর্তি মাটি ফেলা হচ্ছে। বর্তমানে বালিমাটির অভাবে কাজে গতি কমেছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, চলতি বছরের মধ্যেই নদী ভাঙনরোধ কাজ শেষ হবে। তাহলেই রাস্তাটি আর ভাঙবে না।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স