মো. শাহজাহান মিয়া ::
কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে জগন্নাথপুর উপজেলার জগন্নাথপুর-বড়ফেছি সড়ক। ভাঙন কবলিত এই সরু সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। যে কোন সময় সড়কটি নদীগর্ভে তলিয়ে যাবে - এমন শঙ্কায় শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, বড়ফেছি বাজার এলাকায় নদী ভাঙনরোধে ব্লক বসানোর কাজ চলছে। তবে এ কাজের পশ্চিম দিকে নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে সড়কটি। যে সড়ক হচ্ছে অত্র অঞ্চলের মানুষের জগন্নাথপুর উপজেলা সদরে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। সড়কটি ভাঙতে ভাঙতে একেবারে সরু হয়ে রীতিমতো ঝুলে আছে। যে কোন সময় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। এই অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। পথচারী রহমত আলীসহ স্থানীয়রা জানান, ভাঙনের কবলে ঝুলে থাকা সড়কটি অংশটি যে কোন সময় নদীতে পড়ে গেলে অত্র অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে। রাস্তার অংশটি বিলীন হওয়ার আগে এখানে নদী ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নিতে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান। আমিন উদ্দিনসহ এ রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনের চালকরা শঙ্কা প্রকাশ করে জানান, আমরা জানি যে কোন সময় রাস্তার অংশটি নদীতে পড়ে যাবে। তবুও অনেকটা বাধ্য হয়ে আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ড জগন্নাথপুর উপজেলা কর্মকর্তা শেখ ফরিদ জানান, নদী ভাঙনের এ অংশেও কাজ চলছে। এ কাজ দৃশ্যমান নয়। একে বলে ডাম্পিং কাজ। নদীগর্ভে জিও টেক্স বস্তাভর্তি মাটি ফেলা হচ্ছে। বর্তমানে বালিমাটির অভাবে কাজে গতি কমেছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, চলতি বছরের মধ্যেই নদী ভাঙনরোধ কাজ শেষ হবে। তাহলেই রাস্তাটি আর ভাঙবে না।
কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে জগন্নাথপুর উপজেলার জগন্নাথপুর-বড়ফেছি সড়ক। ভাঙন কবলিত এই সরু সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। যে কোন সময় সড়কটি নদীগর্ভে তলিয়ে যাবে - এমন শঙ্কায় শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, বড়ফেছি বাজার এলাকায় নদী ভাঙনরোধে ব্লক বসানোর কাজ চলছে। তবে এ কাজের পশ্চিম দিকে নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে সড়কটি। যে সড়ক হচ্ছে অত্র অঞ্চলের মানুষের জগন্নাথপুর উপজেলা সদরে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। সড়কটি ভাঙতে ভাঙতে একেবারে সরু হয়ে রীতিমতো ঝুলে আছে। যে কোন সময় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। এই অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। পথচারী রহমত আলীসহ স্থানীয়রা জানান, ভাঙনের কবলে ঝুলে থাকা সড়কটি অংশটি যে কোন সময় নদীতে পড়ে গেলে অত্র অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে। রাস্তার অংশটি বিলীন হওয়ার আগে এখানে নদী ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নিতে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান। আমিন উদ্দিনসহ এ রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনের চালকরা শঙ্কা প্রকাশ করে জানান, আমরা জানি যে কোন সময় রাস্তার অংশটি নদীতে পড়ে যাবে। তবুও অনেকটা বাধ্য হয়ে আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ড জগন্নাথপুর উপজেলা কর্মকর্তা শেখ ফরিদ জানান, নদী ভাঙনের এ অংশেও কাজ চলছে। এ কাজ দৃশ্যমান নয়। একে বলে ডাম্পিং কাজ। নদীগর্ভে জিও টেক্স বস্তাভর্তি মাটি ফেলা হচ্ছে। বর্তমানে বালিমাটির অভাবে কাজে গতি কমেছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, চলতি বছরের মধ্যেই নদী ভাঙনরোধ কাজ শেষ হবে। তাহলেই রাস্তাটি আর ভাঙবে না।