সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

ক্যান্সারে আক্রান্ত জামাল উদ্দিন বাঁচতে চান

  • আপলোড সময় : ১৬-১২-২০২৫ ০২:১৯:২৫ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৬-১২-২০২৫ ০২:১৯:২৫ অপরাহ্ন
ক্যান্সারে আক্রান্ত জামাল উদ্দিন বাঁচতে চান
স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের এক জীর্ণ কুঁড়েঘরে প্রতিদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত জামাল উদ্দিন (৪৫)। মরহুম ফয়েজ আহমদের ছেলে জামাল দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী। চিকিৎসা তো দূরের কথা, নিয়মিত ওষুধ কেনার সামর্থ্যও নেই তার পরিবারের। জামাল উদ্দিনের সংসারে রয়েছে স্ত্রী ও তিনটি অবুঝ ছোট সন্তান। উপার্জনক্ষম একমাত্র মানুষটি যখন অসহায়ভাবে বিছানায় পড়ে আছেন, তখন পরিবারটিও পড়েছে চরম মানবেতর জীবনে। স্থানীয়দের সহানুভূতিশীল সহযোগিতায় কোনোভাবে দিন কাটলেও প্রতিদিনের আহার জোটে না অনেক সময়। অন্ন-বস্ত্রহীন এই পরিবারটি একটি জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরেই আশ্রয় নিয়েছে। অসুস্থ শরীর নিয়েই সম্প্রতি প্রতিবেশীদের সহায়তায় জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে সরকারি অনুদানের জন্য আবেদন করেন জামাল উদ্দিন। এদিকে, চিকিৎসা ও সংসারের খরচ মেটাতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে নেওয়া ঋণের চাপে মাথাগোঁজার শেষ আশ্রয়টুকুও হারাতে বসেছে পরিবারটি। মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে জামাল উদ্দিনের একমাত্র চাওয়া জীবিত থাকতেই সমাজসেবার অনুদান হাতে পাওয়া। কারণ তিনি জানেন, তারপরে এই অসহায় সন্তানদের দেখার মতো আর কেউ নেই। কান্নাজড়িত কণ্ঠে জামাল উদ্দিন বলেন, আমি আমার পরিবারের জন্য কিছুই করতে পারিনি। অসুস্থতার কারণে ঠিকমতো ওষুধও খেতে পারছি না। জানি, আমি আর বাঁচবো না। কিন্তু আমার চোখের সামনে যখন আমার ছোট ছোট সন্তানরা না খেয়ে থাকে, তখন বুক ফেটে যায়। আমি মারা গেলে ওদের কে দেখবে? আমি শুধু চাই, আমার সন্তানরা যেন অন্তত অন্নবস্ত্র পেয়ে মানুষ হতে পারে। সরকারের অনুদানটাই আমার শেষ আশা। এ বিষয়ে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সুচিত্রা রায় জানান, আগামী ১৭ ডিসেম্বর সভায় বিষয়টি অনুমোদন হলে জামাল উদ্দিনকে অনুদান প্রদান করা হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স