সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ , ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়া হত্যার দ্রুত ন্যায়বিচার চাই পণাতীর্থে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ঢল শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর হাওরে আশা-নিরাশার দোলাচল

অস্থায়ী দোকান উচ্ছেদে অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধীর আহাজারি

  • আপলোড সময় : ১৩-১২-২০২৫ ১১:৫৫:৩১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-১২-২০২৫ ১১:৫৫:৩১ অপরাহ্ন
অস্থায়ী দোকান উচ্ছেদে অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধীর আহাজারি
স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জ শহরের হাছননগর এলাকায় এক শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির একমাত্র জীবিকার উৎস অস্থায়ী দোকান উচ্ছেদ করায় মানবিক সংকটে পড়েছে একটি পরিবার। বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌরসভার কর্মচারীরা ওই দোকানটি সরিয়ে দেন। জানা গেছে, শহরের বিহারী পয়েন্ট এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি পানের দোকান পরিচালনা করে আসছিলেন শারীরিক প্রতিবন্ধী জামাল মিয়া। তিনি ময়নার পয়েন্টে ভাড়া বাসায় স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে বসবাস করেন। দোকানটিই ছিল তার পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস। পাশাপাশি তিনি পৌর প্রতিবন্ধী সমাজকল্যাণ সমিতির সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, খ্রিস্টান মিশনের সামনের সড়কের ফুটপাত ও ড্রেনের পাশে বর্তমানে আরও অস্থায়ী দোকান বহাল রয়েছে। তবে এসব দোকান অক্ষত থাকলেও কেবল প্রতিবন্ধী জামাল মিয়ার দোকানটিই উচ্ছেদ করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে বিহারী পয়েন্ট এলাকার ব্যবসায়ী হাবিব মিয়া, কল্যাণ দাস, ঋতু দাস, রাজু মিয়া ও মেকানিক আলী হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জামাল মিয়া একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী মানুষ। এই ছোট দোকান করেই সে তার পরিবার চালায়। অন্য দোকান রেখে শুধু তার দোকান উচ্ছেদ করা কোনোভাবেই ন্যায্য নয়। উচ্ছেদ করতে হলে সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে করা উচিত, নয়তো তাকে আগের জায়গায় ব্যবসার সুযোগ দেওয়া হোক। উচ্ছেদের পর চরম অনিশ্চয়তায় পড়া জামাল মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, দোকান তুলে দেওয়ার পর থেকে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ছেলে-মেয়েদের ঠিকমতো খাবার দিতে পারছি না। কী করব বুঝে উঠতে পারছি না। আমি শুধু আমার প্রতি ন্যায়বিচার চাই। স্থানীয়দের দাবি, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে প্রতিবন্ধী এই মানুষটির জীবিকার ব্যবস্থা করা হোক এবং ভবিষ্যতে উচ্ছেদের ক্ষেত্রে সবার জন্য সমান নীতি অনুসরণ করা হোক।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স