সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ , ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, জামালগঞ্জে সুরমা নদীর ওপর হচ্ছে সেতু সরকারের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাজেট প্রত্যাখ্যান করে এনডিএফ’র বিক্ষোভ পাটের বস্তা সংকটে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম বন্ধ, ভোগান্তিতে কৃষক চিলাই নদীর বেড়িবাঁধে ধস, ঝুঁকিতে অর্ধশত গ্রাম দিল্লিতে প্রবেশে বাধা, ঢাকায় ফিরে এলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ বিদ্যালয়ে ক্লাস নিলেন ইউএনও : ইংরেজিভীতি দূর করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সদর হাসপাতালে ১০ শয্যার আইসিইউ কার্যক্রম উদ্বোধন অবৈধভাবে তিন কালভার্ট বন্ধের অভিযোগ, জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগ চরমে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে ‘লাল কার্ড’ দেখানোর আহ্বান কাজের তথ্য দিতে অপারগতা! সাংবাদিককে হুমকি-ধমকি এআই ক্যামেরা ‘কাল’ হলো বেনজীরের গোবিন্দগঞ্জ বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের ‘হাওর সুরক্ষা ও পানি ব্যবস্থাপনা’ মডেল সেরা প্রস্তাবিত বাজেট অধিক ঋণনির্ভর, অবাস্তবায়নযোগ্য ও লুটপাটের : জামায়াত সুবিপ্রবি উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে ১০ দিনের আল্টিমেটাম কারা নির্যাতিত নেতাকর্মীদের নিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওরে এমপি কামরুলের আনন্দ ভ্রমণ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে : এনবিআর চেয়ারম্যান হাঁটু সমান কাদা, চলাচলে চরম দুর্ভোগ : পশ্চিম টিলাগাঁও সড়ক সংস্কারের দাবি হাসপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতক উদ্ধার, দম্পতি আটক

মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রের ভবন : আশার আলো যেন নিভে না যায়

  • আপলোড সময় : ২৮-০৮-২০২৫ ১০:১১:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৮-০৮-২০২৫ ১০:১১:৫৮ পূর্বাহ্ন
মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রের ভবন : আশার আলো যেন নিভে না যায়
সুনামগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রকে আধুনিক রূপে গড়ে তোলা। প্রতিষ্ঠার ৭২ বছর পর অবশেষে এই প্রতিষ্ঠান ৬ শয্যা থেকে ২০ শয্যায় উন্নীত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আটতলা বিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল, যা হাওর অধ্যুষিত অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জন্য সত্যিই আশার আলো জ্বালিয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে বরাদ্দের অভাবে দীর্ঘ এক বছর ধরে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে রয়েছে। এর ফলে শুধু ইট-পাথরের একটি কাঠামো নয়, থমকে আছে হাজারো মানুষের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা। গর্ভবতী মা ও নবজাতক শিশুর সেবা নিশ্চিতে এ কেন্দ্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রতিদিন এখানে গড়ে ৩০ থেকে ৪০ জন নবজাতক চিকিৎসা সেবা নেয়, মাসে ৫০ থেকে ৬০টি স্বাভাবিক প্রসব হয়। অথচ মাত্র ৬ শয্যার সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় প্রসূতি মাকে মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। অস্ত্রোপচারের পর রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা দেওয়ার মতো সুবিধা নেই। তাই নতুন ভবন ও ২০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ সেবা চালু হলে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতো। এখন প্রশ্ন হলো- কেন বরাদ্দের অভাবে একটি চলমান উন্নয়ন প্রকল্প এভাবে থমকে থাকবে? সরকারি প্রকল্পের জন্য পরিকল্পিত ও টেকসই বরাদ্দ নিশ্চিত করা তো সরকারের দায়িত্ব। অথচ সুনামগঞ্জ মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রের কাজ ৫১ ভাগ শেষ হওয়ার পরও বরাদ্দের অভাবে সেটি ঝুলে গেছে। এর ফলে সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে, একই সঙ্গে জনমানসে হতাশা গভীর হচ্ছে। সুনামগঞ্জ একটি হাওর অধ্যুষিত ও দুর্গম এলাকা। এখানে বেসরকারি হাসপাতালে প্রসব করাতে ২৫ থেকে ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়, যা অধিকাংশ নি¤œ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। ফলে সাধারণ মানুষের জন্য এই মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রটি একমাত্র ভরসাস্থল। এই কেন্দ্রের উন্নয়ন থেমে থাকলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সেই মানুষগুলো, যাদের জন্যই প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছিল। আমরা মনে করি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে বরাদ্দ নিশ্চিত করে আটতলা ভবনের নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করতে হবে। একই সঙ্গে কাজ যেন দীর্ঘসূত্রতায় না ভোগে, তার জন্যও কার্যকর মনিটরিং দরকার।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, জামালগঞ্জে সুরমা নদীর ওপর হচ্ছে সেতু

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, জামালগঞ্জে সুরমা নদীর ওপর হচ্ছে সেতু