সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

শ্রীপুর বাজারে জুয়া ও মাদকের বিস্তার ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ জরুরি

  • আপলোড সময় : ১৩-০৭-২০২৫ ০৮:১৫:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-০৭-২০২৫ ০৮:১৫:৪৫ পূর্বাহ্ন
শ্রীপুর বাজারে জুয়া ও মাদকের বিস্তার ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ জরুরি
সীমান্তবর্তী তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর বাজারে মাদক ও ‘ডাব্বা’ নামক জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার এখন শুধু একটি সামাজিক ব্যাধিই নয়, বরং এটি পরিণত হয়েছে একটি প্রজন্ম ধ্বংসের যন্ত্রণাদায়ক বাস্তবতায়। বাজারের অন্তত ১০-১৫টি দোকানে প্রতিদিন খোলামেলাভাবে বসছে জুয়ার আসর। ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের সহজলভ্যতায় এলাকার উঠতি বয়সী তরুণরা দ্রুত এক ভয়ঙ্কর গহ্বরে তলিয়ে যাচ্ছে। অভিভাবকদের ভাষায়- সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা দিশেহারা। বাজার কমিটিও অসহায়। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন জানে, কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায় - কেন এখনও দৃশ্যমান কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না? সামাজিক দায়বদ্ধতা ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সংশ্লিষ্টদের এমন নিষ্ক্রিয়তা গভীর উদ্বেগের। আমরা দেখেছি, যেখানে প্রশাসনের তৎপরতা জোরালো, সেখানেই মাদক ও জুয়ার মতো অসামাজিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তাহলে শ্রীপুরে এমন নিষ্ক্রিয়তা কেন? সংঘবদ্ধ চক্রের ছায়াতলে যদি এভাবে একের পর এক তরুণ বিপথে পা রাখে, তাহলে ভবিষ্যতে সেখানে চুরি, ছিনতাই, সহিংসতাসহ অন্যান্য অপরাধও বাড়বে - এটি অনিবার্য। শুধু অভিযান চালিয়ে দায় শেষ হবে না। দরকার গোয়েন্দা নজরদারি, গ্রেপ্তার, বিচারিক প্রক্রিয়ায় দ্রুততা এবং পুনর্বাসনের উদ্যোগ। পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য স্কুল, মসজিদ ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে সম্পৃক্ত করতে হবে। একটি প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে- আমরা কি ভবিষ্যৎ রক্ষা করব, নাকি তা ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেব?

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স