সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

ভারতের পুশইন নীতির বিরুদ্ধে কূটনৈতিক ও নিরাপত্তামূলক জবাব জরুরি

  • আপলোড সময় : ৩০-০৫-২০২৫ ১২:১০:৫৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩০-০৫-২০২৫ ১২:১০:৫৭ পূর্বাহ্ন
ভারতের পুশইন নীতির বিরুদ্ধে কূটনৈতিক ও নিরাপত্তামূলক জবাব জরুরি
সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক বাংলাদেশে অব্যাহত ‘পুশইন’ চালানোর প্রবণতা গভীর উদ্বেগজনক মোড় নিচ্ছে। সিলেটের পর এবার সুনামগঞ্জ সীমান্তে ১৬ জন বাংলাদেশিকে জোরপূর্বক ঠেলে পাঠানোর ঘটনা দেশীয় নিরাপত্তা, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। ছাতক উপজেলার নোয়াকোট সীমান্ত দিয়ে এসব নাগরিককে রাতের অন্ধকারে বাংলাদেশ ভূখন্ডে প্রবেশ করিয়ে দেয় বিএসএফ। বিজিবির তৎপরতায় তারা দ্রুত আটক হলেও এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় যেভাবে আমরা কূটনৈতিকভাবে সরব হওয়া উচিত ছিল, তা এখনও দৃশ্যমান নয়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, আটককৃতদের সবাই বাংলাদেশি নাগরিক হলেও তারা দীর্ঘদিন ভারতে অবস্থান করছিলেন। ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থানকারী বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানো হলে তা অবশ্যই আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ও দুই দেশের সমঝোতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত। কিন্তু বিএসএফ যেভাবে রাষ্ট্রীয় সমর্থনে রাতের অন্ধকারে মানুষ ঠেলে দিচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সৌহার্দ্য নীতির চরম লঙ্ঘন। প্রকৃতপক্ষে, পুশইন ঠেকাতে বিজিবি সুনামগঞ্জ সীমান্তে সতর্কতা ও টহল বাড়ালেও শুধু বাহ্যিক নজরদারির মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। আমাদের প্রয়োজন কূটনৈতিক চাপ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মহলে বিষয়টি তুলে ধরা। এখানে দুটি স্তরে আমাদের প্রতিক্রিয়া জরুরি- প্রথমত, কূটনৈতিকভাবে প্রতিবাদ এবং ভারত সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে যৌথ পদ্ধতিতে এসব নাগরিকদের পুনর্বাসনের পথ খোঁজা। দ্বিতীয়ত, দেশের নাগরিকদের অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি না দেওয়ার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সীমান্ত এলাকায় কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও নিরাপত্তার মানোন্নয়ন। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বৈরী সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও বারবার সীমান্তে গুলিবর্ষণ, হত্যা কিংবা পুশইন - এই ঘটনাগুলো একতরফা আচরণের ইঙ্গিত দেয়। প্রতিবারের মতো নীরব প্রতিবাদ নয়, এবার প্রয়োজন কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপ ও রাষ্ট্রীয় অবস্থান পুনর্বিবেচনা। আমরা মনে করি, দেশের স্বার্থে জাতীয় নিরাপত্তা প্রশ্নে আপসের কোনো সুযোগ নেই। সীমান্তে পুশইনের মতো অমানবিক ও অবৈধ কর্মকান্ড রুখে দিতে সরকার, প্রশাসন ও জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স