সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬ , ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্মিলিত আন্দোলনে ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটে : রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি ৩ কারণে অপরাধী, তাঁর বক্তব্য আমরা এই মহান সংসদে শুনতে পারি না : শফিকুর রহমান সংসদকে সকল সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী স্পিকার হলেন হাফিজ উদ্দিন, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল প্রকাশ্যে বারেক টিলার গাছ কেটে নিচ্ছে অসাধু চক্র যাদুকাটা নদীর তীর কাটা বন্ধের দাবি জামালগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণ নিহত খন্ডিতভাবে ডেপুটি স্পিকার নয়, আমরা চাই ‘প্যাকেজ’ : জামায়াত আমির আজ বসছে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন হাসপাতাল আছে, সেবা নেই ভোগান্তিতে ৫০ হাজার মানুষ ছাতকে ফজল মিয়া হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন সিটি ফার্মেসিকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা মন্ত্রী-এমপিদের চলনে-বলনে মার্জিত থাকতে বললেন তারেক রহমান প্রায় ৪০০ ধান কাটার মেশিন বিকল, সময়মতো ধান কর্তনে দুশ্চিন্তায় কৃষক হাওরের বাঁধের টাকায় রাস্তা : দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিন অন্যায় সুবিধা নিতে না পেরে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সাংবাদিকদের বিভ্রান্ত করেছেন পাউবো কর্মকর্তা শেখ ফরিদ : ইউএনও বরকত উল্লাহ লিবিয়ায় মাফিয়া চক্রের হাতে জিম্মি জামালগঞ্জের ১২ যুবক ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে অঙ্গিকার বাস্তবায়ন শুরু: বানিজ্য মন্ত্রী ডিসি সম্মেলন শুরু ৩ মে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে বরণ করতে প্রস্তুত দিরাইবাসী

জামখলা হাওরের জলাবদ্ধতা অবিলম্বে দূর করুন

  • আপলোড সময় : ১২-০২-২০২৫ ১১:৫৬:২২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০২-২০২৫ ১১:৫৬:২২ অপরাহ্ন
জামখলা হাওরের জলাবদ্ধতা অবিলম্বে দূর করুন
সমস্যাটা জলাবদ্ধতার। হাওর থেকে জল সরছে না। সমস্যাটা সৃষ্টি হয়েছে বাঁধের কারণে। এখানে বাঁধ অবশ্য হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ। গত বুধবারের (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) দৈনিক সুনামকণ্ঠের একটি সংবাদপ্রতিবেদন বলছে, শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের জামখলা হাওরের ভুক্তভোগীরা বলছেন, “ইউএনও স্যার বলছেন বাঁধ কেটে পানি নিষ্কাশন করা যাবে না। আমরা দায়িত্ব নিয়ে বাঁধ কেটে পানি বের করার পর আবার সুরক্ষিতভাবে বাঁধ বেধে দেওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়ার পরও ইউএনও স্যার অনুমতি দিচ্ছেন না।” এতে করে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। বাঁধ কেটে পানি নিষ্কাশন করা না গেলে জলাবদ্ধতা লেগেই থাকবে, ক্ষেতে চারা লাগানো যাবে না, ফসলও ফলবে না। বাঁধের কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে ফসল ফলাতে না পারলে এমন বাঁধ দিয়ে দরকার কী? দরকার যে নেই, সেটা কৃষক সাধারণের বোধগম্য হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বোধগম্য নয়, বলেই বোধ হচ্ছে। আমরা তাঁকে আপাতত অভিযুক্ত করছি না, বরং নিবেদন করছি তিনি যেনো বাঁধ কেটে হোক বা না-কেটে হোক, সম্ভাব্য যে-কোনও উপায়প্রকারে হাওরের জলাবদ্ধতার নিরসন করেন এবং তা করতে হবে ঘাত অর্থাৎ ক্ষেতে চারা রোপণের সময় পেরিয়ে যাওয়ার আগে। অবশ্য বাঁধ অক্ষত রেখে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার নিরসন কোনও অলৌকিক উপায় ব্যতীত অন্যকোনও বাস্তব উপায়ে সম্ভব নয়। কারণ বাঁধের কারণেই এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ভুলে গেলে চলবে না যে, এই জলাবদ্ধতার নিরসন না হলে হাওর পতিত থাকবে, প্রকারান্তরে কৃষকের ঘরে ফসল উঠবে না, দেশের খাদ্যোৎপাদন কমবে, দেশে খাদ্যঘাটতি দেখা দেবে এবং সংশ্লিষ্টরা তার জন্য অবশ্যই দায়ি হবেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সম্মিলিত আন্দোলনে ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটে : রাষ্ট্রপতি

সম্মিলিত আন্দোলনে ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটে : রাষ্ট্রপতি