সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ , ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ বৈধ : আপিল বিভাগ ধর্মপাশায় খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল আঙ্গারুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিদ্যালয়ের জায়গা স্থানীয়দের দখলে সুনামগঞ্জ-২ ও সুনামগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী ঘোষণা অগ্রাধিকার প্রকল্পে বৈষম্য : জনমনে ক্ষোভ শান্তিগঞ্জ মডেলের উদ্ভাবক ইউএনও সুকান্ত সাহাকে সংবর্ধনা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন প্রতিবন্ধীরা বোঝা নয়, আমাদের সম্পদ : জেলা প্রশাসক শহরে প্রতারক চক্র সক্রিয় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত : যুক্তিসঙ্গত শাস্তির বিধান প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল গ্রাম আদালত কার্যক্রমে সফলতা টাঙ্গুয়ার ও হাকালুকি হাওর সুরক্ষা আদেশ’ বাস্তবায়নে অংশীজন কর্মশালা' এখনো সার্ভে শেষ হয়নি, গঠিত হয়নি পিআইসি নির্বাচনে পুলিশ শতভাগ নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করবে : পুলিশ সুপার ভাটির জনপদের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করব : তোফায়েল আহমেদ খান জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানে নামছে পুলিশ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আশিক নূর গ্রেফতার ধোপাজানের বালু লুটে নতুন কৌশল! খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ

সময় সমাগত, সাধু সাবধান

  • আপলোড সময় : ১৫-১১-২০২৪ ০৮:৫৮:০০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৫-১১-২০২৪ ০৮:৫৮:০০ পূর্বাহ্ন
সময় সমাগত, সাধু সাবধান
ধোপাজান-চলতি নদী ও যাদুকাটাসহ অন্যান্য বালিপাথর মহালগুলোতে বর্তমান ইজারা পদ্ধতি বাতিল করে সরকারিভাবে ক্রয়কেন্দ্র চালুর দাবি উঠেছে। গণমাধ্যমে গত বুধবার (১৩ নভেম্বর ২০২৪) এক সংবাদ প্রতিবেদনে এতদসংক্রান্ত এক সমাবেশের বক্তাদের বক্তব্যের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে যে, হাওরাঞ্চল বছরে সাত-আট মাস জলমগ্ন থাকে। এই প্রাকৃতিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যুগ যুগ ধরে হাওরাঞ্চলের দরিদ্র-শ্রমজীবী বারকিশ্রমিক জনসাধারণ হাতে ব্যবহারযোগ্য বালতি ও বেলচা দিয়ে উজানের পাহাড় থেকে নেমে আসা নদীগুলোর তলদেশ থেকে বালি-পাথর আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। এই পদ্ধতিতে বারকিশ্রমিকরা যে পরিমাণ বালি-পাথর আহরণ করতো, প্রতি বছর বর্ষায় উজান থেকে প্রবাহিত জলের সঙ্গে বলতে গেলে সেই একই পরিমাণ বালি-পাথর নেমে এসে নদীর তলদেশ আগের মতোই ভরাট করে দিতো। এতে করে প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতার উটকো বিপদ আবির্ভূত হতো না একেবারেই। কিন্তু একদা তহশিলদারের পরিবর্তে ইজারাদার নিয়োগ দেওয়ায় ইজারাদার ১০০ টাকা ইজারা মূল্যের বিপরীতে লক্ষ টাকা মুনাফা লাভের লোভে পরিবেশ বিধ্বংসী ড্রেজার-বোমাসহ বিভিন্ন নামের খননযন্ত্র দিয়ে বালি-পাথর উত্তোলন ও পাড় কেটে প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতার বিপর্যয় ডেকে এনেছে এবং বালি-পাথর মহালগুলোকে প্রাকৃতিক সম্পদ লুটের অভয়ারণ্য করে তোলেছে। সরকারের পক্ষ থেকেই সর্বাগ্রে এর প্রতিকার করা উচিত ছিল, কিন্তু তার সম্পূর্ণ বিপরীত কা-কারখানা ঘটে চলেছে কয়েক যুগ ধরে। সোজা কথায়, দেশের রাজনীতিক সমাজ এই বালি-পাথর লুটপাটকারী সিন্ডিকেট গড়ে তোলেছে। যে-কারণে লুটপাটকারীদেরকে অদ্যাবধি কোনও প্রকার শাস্তির আওতায় আনা তো দিল্লি দূরস্থ, এমনকি এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কোনও প্রকার প্রতিরোধকর প্রতিকার করাও সম্ভব হয়ে উঠে নি। আপাতত সম্পাদকীয়তে এর বেশি কীছু বলতে চাই না। কেবল বলি : প্রশাসনের দুর্নীতিবাজ আমলা, আমজনতার মাথায় হাত বুলিয়ে নিজের আখের গোছানোতে মগ্ন রাজনীতিবিদ, অবৈধ পথে সম্পদ অর্জনে লিপ্ত ব্যবসায়ী, অবৈধ ব্যবসার বখরা পাওয়া সাংবাদিক কিংবা সমাজকর্মীগণ অর্থাৎ রাজনীতিক সমাজের দুর্নীতিবাজরা, আপনারা দয়া করে সতর্ক হোন, অবৈধ পথে সম্পদ অর্জনের অপতৎপরতা বন্ধ করুন। না হয় বিক্ষুব্ধ বারকিশ্রমিকসহ আমজনতার দ্রোহাগ্নির তাপে পোড়ে মরার অপেক্ষায় থাকুন। সময় সমাগত। সুতরাং সাধু সাবধান।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স