সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

শহরে মা-ছেলে নৃশংসভাবে খুন

  • আপলোড সময় : ৩০-১০-২০২৪ ১২:৩৫:২৩ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩০-১০-২০২৪ ১২:৩৫:২৩ পূর্বাহ্ন
শহরে মা-ছেলে নৃশংসভাবে খুন
স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জে ঘর থেকে মা ও ছেলের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পৌর শহরের হাছননগর এলাকা থেকে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে। নিহত দুজন হলেন ফরিদা বেগম (৫০) ও তাঁর ছেলে মিনহাজুল ইসলাম (২০)। মিনহাজ সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের ছাত্র ছিল। নিহত মা-ছেলে শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নের বশিয়াখাউরি গ্রামের বাসিন্দা। শহরে তারা মেয়ের জামাইর বাসায় বসবাস করতেন। প্রতিবেশী ও স্বজনরা জানান, চার বছর আগে ফরিদা বেগমের স্বামী জাহেদুল ইসলাম মারা যান। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। মেয়েকে যুক্তরাজ্য প্রবাসী ছেলের কাছে বিয়ে দেবার পর তিনি ওখানেই থাকছেন। বাসায় থাকতেন ফরিদা বেগম ও তার কলেজ পড়–য়া ছেলে মিনহাজুল ইসলাম। কিছুদিন ধরে ফরিদা বেগমের খালাতো বোন নার্গিস বেগম ও তার মাদ্রাসা পড়–য়া ছেলে ফাহমিদও এই বাসাতেই থাকতো। তিনদিন আগে ঢাকা থেকে এই বাসায় আসে নার্গিস বেগমের ছেলে ফয়সল আহমদ (৩০)। সে মাদকাসক্ত ছিল বলে জানিয়েছেন নিহতদের স্বজন ও প্রতিবেশীরা। ঘটনার পর ফয়সল ও ফাহমিদ এই দু’জনকেই পাওয়া যাচ্ছে না। ফয়সলকে ফোনেও পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। নার্গিস বেগমকে অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানাযায়, সোমবার রাতের কোন এক সময় এই ঘটনা ঘটে। সকালে গৃহকর্মী কাজে এসে মা-ছেলের গলাকাটা রক্তাক্ত মরদেহ ও তাদের পাশে রক্তাক্ত বঁটি দা পড়ে থাকতে দেখেন। পরে প্রতিবেশীরা বিষয়টি পুলিশকে জানান। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে মা ছেলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পিবিআইয়ের একটি টিম বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। বটিদা দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যাকা-টি সংঘটিত হয়েছে। লোমহর্ষক এই হত্যাকা-টি পরিকল্পিতভাবে ঘটনানো হয়েছে বলে দাবি নিহতের স্বজনদের। নিহত ফরিদা বেগমের ফুফাতো ভাই সজিব বলেন, খবর শুনে এসে যা দেখেছি তা বিশ্বাস করতে পারছিনা। এমন মর্মান্তিক হত্যা মেনে নেয়া যায় না। ঘটনার পর থেকে বাসার অন্য বাসিন্দার দুই ছেলে পলাতক। তাছাড়া আহত মহিলাও ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারে। আমারা চাই সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করবে পুলিশ। এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া। দ্রুতসময়ে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে পুলিশকে নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। পুলিশ সুপার আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন বলেন, হত্যাকা-টিকে অধিক গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সিআইডি ও পিবিআই বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। হত্যার সাথে যেই জড়িত থাকুক তাকে খুঁজে বের করে আনা হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স