সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ , ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যাদুকাটা নদীতে ‘খাস কালেকশনের’ নামে বেপরোয়া চাঁদাবাজি বিদ্যালয়ে ঢুকে প্রধান শিক্ষককে গালিগালাজ-হেনস্তা দুর্গাপূজায় ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং, টানা পাঁচ দিনের ছুটি ৯ মাসে ৯৩১ কোটি টাকার মাদক-চোরাচালান জব্দ আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত ডায়রিয়া-চর্মরোগে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি চলন্ত নৌযান থেকে বিআইডব্লিউটিএ’র নামে টোল-ট্যাক্স আদায় করা যাবে না : অতিরিক্ত পরিচালক জেলার ৪৪৪ মণ্ডপে হবে দুর্গাপূজা, থাকবে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ৮ দফা দাবিতে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের স্মারকলিপি প্রদান শান্তিগঞ্জে চার লেনের কাজ ফের শুরু সিলেট-সুনামগঞ্জ-মোহনগঞ্জ রেলপথ বাস্তবায়নের দাবি ‎জামালগঞ্জে অতিরিক্ত টোল আদায় নিয়ে ক্রাশার মিল মালিক ও নৌযান শ্রমিকদের সঙ্গে প্রশাসনের সভা শান্তিগঞ্জে বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল সব সরকারি দপ্তরের ওয়েব পোর্টালে শতভাগ তথ্য হালনাগাদের আহ্বান জামায়াতকে বিশ্বাস করলে বিএনপি ভুল করবে : ফজলুর রহমান চালু হচ্ছে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার হাওরাঞ্চলে শিক্ষার সংকট ও সম্ভাবনা শীর্ষক সেমিনার নৈরাজ্য-সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বিএনপি’র বিক্ষোভ মিছিল বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত বিআইডব্লিউটিএ’র নামে অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধের দাবি

সদর হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন

  • আপলোড সময় : ১৭-০৮-২০২৬ ০৮:২৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০৮-২০২৬ ০৮:২৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
সদর হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে আবারও এক নারী কর্মীকে মারধরের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। হাসপাতালের মতো একটি সেবাপ্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট কিংবা অন্য কোনো কর্মী যদি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বখাটের হামলার শিকার হন, তাহলে সেটি শুধু একজন কর্মীর ওপর হামলা নয় - এটি পুরো স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার ওপর আঘাত। অভিযোগ অনুযায়ী, এক্স-রে বিভাগে সিরিয়াল ভেঙে আগে পরীক্ষা করাতে না দেওয়ায় এক নারী টেকনোলজিস্টকে মারধর করেছেন স্থানীয় এক যুবক। সহকর্মীরা প্রতিবাদ করলে তিনি ছুরি বের করে পালিয়ে যান। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, একই ব্যক্তি এর আগেও হাসপাতালে ঢুকে কর্মীদের মারধর করেছেন এবং মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন। এর আগে একজন নার্সকেও মারধরের অভিযোগ রয়েছে। প্রশ্ন হলো, বারবার অপরাধ করার পরও কেন তিনি হাসপাতাল চত্বরে অবাধে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন? হাসপাতাল কোনো ব্যক্তির প্রভাব-প্রতিপত্তি দেখানোর জায়গা নয়। এখানে রোগী ও স্বজনেরা যেমন সেবা নিতে আসেন, তেমনি চিকিৎসক-কর্মীরা নিরাপদ পরিবেশে দায়িত্ব পালনের অধিকার রাখেন। একজন কর্মীকে প্রকাশ্যে মারধরের পরও যদি কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হবে এবং অন্য কর্মীদের মধ্যেও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হবে। হাসপাতালে দালালচক্র, বখাটেপনা, তদবির ও বিশৃঙ্খলা বন্ধে কর্তৃপক্ষকে কঠোর হতে হবে। হাসপাতালের প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলোতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, সিসিটিভি কার্যকর রাখা এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের করা মামলা যেন কোনো আপস বা প্রভাবের কারণে থেমে না যায়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। আমরা মনে করি, স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। আজ একজন নারী কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন, কাল আরও বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই ঘটনার পুনরাবৃত্তি নয়, এবার দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই সময়ের দাবি। হাসপাতাল হবে চিকিৎসা ও মানবসেবার নিরাপদ আশ্রয় - বখাটেদের দাপটের ক্ষেত্র নয়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
যাদুকাটা নদীতে ‘খাস কালেকশনের’ নামে বেপরোয়া চাঁদাবাজি

যাদুকাটা নদীতে ‘খাস কালেকশনের’ নামে বেপরোয়া চাঁদাবাজি