সুনামগঞ্জ , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ , ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুনামগঞ্জে দুই যুব সংগঠন পেল ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা অনুদান দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : রাষ্ট্রপতি দুর্গাপূজার শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, মাঠে তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সুনামগঞ্জে এসআরবি উইং কমান্ডার দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত ছেলের হাতে মা খুন সীমান্তবর্তী পূজামন্ডপের নিরাপত্তায় ৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন সুনামগঞ্জে সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা সহ্য করা হবে না : এমপি নূরুল ইসলাম পতিত জমিতে মাল্টার বাগান, প্রবাসফেরত সাইফুরের সাফল্য শারদীয় দুর্গোৎসব ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ‎জামালগঞ্জে ৫৫ পূজামণ্ডপে এমপির অনুদান, সিসি ক্যামেরা ও সড়ক সংস্কারে সহায়তা প্রশাসনের উৎসবের আনন্দ থেকে কোনো শিশু যেন বঞ্চিত না হয় : জেলা প্রশাসক শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু, আজ মহাষষ্ঠী রিয়াদের বিমানবন্দরে ১৫ দিনে ২০ বার হামলা চালিয়েছে হুথিরা শিশু পরিবারের শিশুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করল লায়ন্স ক্লাব শান্তিগঞ্জে বশির উদ্দিন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এসএসসি উত্তীর্ণদের সংবর্ধনা অস্ট্রেলিয়ার জুটিকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে রাঈদ-লিপটন ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ৯০০ রোগীকে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে সুনামগঞ্জে ৪৪৪ মণ্ডপে দুর্গাপূজা, নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের প্রস্তুতি সম্পন্ন

‘মিরর’-এর ডিজিটাল কারসাজির ফাঁদে ভোক্তারা

  • আপলোড সময় : ২১-০৫-২০২৬ ১০:০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২১-০৫-২০২৬ ১০:০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
‘মিরর’-এর ডিজিটাল কারসাজির ফাঁদে ভোক্তারা
মনগড়া এক্সচেঞ্জ নীতি, ভোক্তা অধিকার আইনের লঙ্ঘনের অভিযোগ স্টাফ রিপোর্টার :: ঈদ কেনাকাটার ভিড়ে এক অভিনব ডিজিটাল বিলিং সিস্টেমের মাধ্যমে ভোক্তাদের ফাঁদে ফেলার অভিযোগ উঠেছে সুনামগঞ্জের ‘মিরর’ নামক একটি পোশাকের দোকানের বিরুদ্ধে। সুনামগঞ্জ শহরের প্রিয়াঙ্গন মার্কেটের বিপরীতে অবস্থিত এই খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠানটি তাদের মনগড়া পণ্য বিনিময় (এক্সচেঞ্জ) নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশের বিপণন আইন এবং ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ক্রেতাদের মতে, দোকানটিতে পণ্য ফেরত নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে ৭ দিনের মধ্যে পণ্য বিনিময়ের সুবিধা দেওয়া হলেও, দোকানের বিলিং সফটওয়্যারটি এমনভাবে প্রোগ্রাম করা হয়েছে যা কেবল বাড়তি মূল্যের (আপওয়ার্ড) সমন্বয় করতে পারে। অর্থাৎ, কোনো ক্রেতা যদি আগের চেয়ে বেশি দামের পণ্য পরিবর্তন করে নেন, তবে সফটওয়্যারটি বাড়তি টাকা গ্রহণ করে। কিন্তু পরিবর্তিত পণ্যের দাম যদি আগের কেনা পণ্যের চেয়ে কম হয়, তবে বাকি টাকা ফেরত দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা ওই সফটওয়্যারে নেই। ফলে ক্রেতারা তাদের বাকি টাকা উসুল করতে বাধ্য হয়ে আরও বাড়তি পণ্য কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। ভুক্তভোগীদের আরও অভিযোগ, কাপড়ের চড়া দামের সাথে পণ্যের প্রকৃত মানের কোনো মিল নেই। এর ওপর বিষফোঁড়া হিসেবে, দোকানের এই শর্তগুলো ক্যাশ মেমোতে সম্পূর্ণ ইংরেজিতে লেখা থাকে, যা কেবল কেনাকাটা শেষ হওয়ার পরই ক্রেতার হাতে দেওয়া হয়। দোকানের ভেতরে বাংলায় কোনো সতর্কবার্তা বা প্লেকার্ড ঝোলানো না থাকায়, সাধারণ ক্রেতারা টাকা পরিশোধ করার আগে এই নীতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অন্ধকারে থাকছেন। ক্ষুব্ধ ক্রেতারা এখন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (ডিএনসিআরপি) এবং স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে এই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করার এবং এই ধরনের ডিজিটাল অনিয়মের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার রক্ষার জোর দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে সুনামগঞ্জ মিররের ম্যানেজার তারেক মিয়া বলেন, পণ্য বিনিময় পদ্ধতি শুধু আমাদের এমন নয়। সকল আউটলেট প্রতিষ্ঠানগুলো এমনই। এটি সারা বাংলাদেশে একই। তবে মাঝেমধ্যে গ্রাহকদের সাথে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়ে যায়। পরবর্তীতে এ জাতীয় সমস্যার নিরসন করা হয়। সুনামগঞ্জ ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আমিরুল ইসলাম মাসুদ বলেন, এমন অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। ঈদকে সামনে রেখে কাপড়ের দোকানগুলো যাতে কোনো কারসাজি না করতে পারে সেই লক্ষ্যে আমরা মনিটরিং জোরদার করবো।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য

সর্বশেষ সংবাদ
প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : রাষ্ট্রপতি

প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : রাষ্ট্রপতি