সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ , ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‎তাহিরপুরে নিখোঁজ দুই সন্তানের জননীর মরদেহ উদ্ধার প্রত্যাশা-প্রাপ্তি ও কর্তৃত্বের দ্বন্দ্বে ১১ দলীয় জোটে অসন্তোষ জগন্নাথপুরে ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত জগন্নাথপুরে বাড়ির সীমানা দেয়াল ভাঙচুরের ঘটনায় উত্তেজনা ৬ দফা দাবিতে মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ধর্ষকের ফাঁসি ও সহযোগীদের বিচারের দাবিতে গৌরারংয়ে মানববন্ধন সুবিপ্রবি’র স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন, বিক্ষোভ ও লাগাতার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি তোফায়েল আহমেদসহ সাবেক ১৬ এমপির মৃত্যুতে সংসদে শোকপ্রস্তাব জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে বিধবা ভাতা নিচ্ছেন ইউপি সদস্যা পুশইন ঠেকাতে বিজিবি’র টহল জোরদার, এলাকায় মাইকিং ফিফা বিশ্বকাপ দেখাবে বিটিভি, স্বত্ব কিনলো ৭৩ কোটি টাকায় পানি ও পরিবেশ দূষণ রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণে গুরুত্বারোপ প্রতিপক্ষের মারধরে ব্যবসায়ী নিহত দেড় কোটি টাকা বরাদ্দের খাল খননে দুর্নীতির অভিযোগ শিশু রামিসা হত্যা : সোহেল রানা ও তার স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড সুরমা নদী ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের দাবি ধীরে চলছে চারলেন প্রকল্পের কাজ ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর আটক জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি

প্রখর রোদে স্বস্তি ফিরেছে হাওরে, তবু দুশ্চিন্তায় কৃষক

  • আপলোড সময় : ০৯-০৫-২০২৬ ১১:৫০:৩৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-০৫-২০২৬ ১১:৫১:০২ অপরাহ্ন
প্রখর রোদে স্বস্তি ফিরেছে হাওরে, তবু দুশ্চিন্তায় কৃষক
জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া::
টানা বৃষ্টি আর বৈরী আবহাওয়ার দীর্ঘ দুর্ভোগ শেষে অবশেষে মেঘমুক্ত আকাশে দেখা মিলেছে প্রখর সূর্যের। কয়েক দিনের রোদে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে হাওরাঞ্চলে। খলায় খলায় এখন ধান শুকানোর ব্যস্ততা। কৃষকের পাশাপাশি কৃষাণীরাও ঘরের উঠান, আঙিনা ও রাস্তার পাশে ধান শুকাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। খলায় জায়গা সংকট থাকায় অনেকেই ব্যস্ততম সড়কে ধান ছড়িয়ে শুকাচ্ছেন। কোথাও পরিবারের সবাই মিলে ধান মাড়াই করছেন, কোথাও আবার পানির নিচে ডুবে থাকা ধান কেটে তুলতে চলছে প্রাণপণ চেষ্টা। জেলার ছোট-বড় ২৩টি হাওরের নি¤œাঞ্চলে এখনও পানির নিচে পড়ে আছে বহু জমি। বাড়ির উঠানে স্তূপ করে রাখা ভেজা ধান ও পচা খড়ের দুর্গন্ধে ভারী হয়ে উঠেছিল চারপাশ। কয়েক দিন আগেও সূর্যের দেখা না পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে ছিল চরম হতাশা। তবে টানা রোদে এখন নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন তারা। কিন্তু সেই স্বস্তির মাঝেও বড় দুশ্চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে ধানের ন্যায্যমূল্য। সরকার প্রতি মণ ধানের মূল্য ১ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করলেও সরকারি গুদামে সরবরাহযোগ্য মানের ধান এবার অধিকাংশ কৃষকের কাছে নেই। এ সুযোগে দালাল, ফড়িয়া ও পাইকাররা নানা অজুহাতে কৃষকদের কাছ থেকে ৬৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা দরে ধান কিনে নিচ্ছেন। টাঙ্গুয়ার হাওর পাড়ের কৃষক ফরিদ মিয়া বলেন, কয়েক দিন ধরে রোদ উঠায় ধান শুকাতে পারছি। পানির নিচে থাকা ধান ডুব দিয়ে কেটে আনছি। ঘরে-বাইরে সবাই ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত। কিন্তু ধানের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছি না। টানা বৃষ্টিতে খড় পচে যাওয়ায় গবাদিপশুর খাদ্য নিয়েও মহাবিপদে আছি। শনির হাওর এলাকার কৃষক রফিক মিয়া বলেন, প্রতি বছরই কোনো না কোনো দুর্ভোগে পড়তে হয়। এবারও টানা বৃষ্টিতে ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখন রোদে ধান শুকাতে পারছি ঠিকই, কিন্তু দালাল-পাইকাররা কম দাম বলছে। বাধ্য হয়ে ৭-৮শ টাকা দরে ধান বিক্রি করছি। তাহিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, এ পর্যন্ত হাওরের প্রায় ৮৩ ভাগ ধান কাটা হয়েছে। তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র জানতে আরও সময় লাগবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
ধর্ষকের ফাঁসি ও সহযোগীদের বিচারের দাবিতে গৌরারংয়ে মানববন্ধন

ধর্ষকের ফাঁসি ও সহযোগীদের বিচারের দাবিতে গৌরারংয়ে মানববন্ধন