সুনামগঞ্জ , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জেলায় ৫১ নদী-খালের ২০০ কি.মি. খননের পরিকল্পনা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে ‘প্রতিষ্ঠা প্রকল্পে’র অবহিতকরণ কর্মশালা দোয়ারাবাজারে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অপপ্রচারের প্রতিবাদে ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন সুনামগঞ্জ শহরে মারামারি, নিরপেক্ষ তদন্ত চায় শ্রাবণের পরিবার দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ, সুনামগঞ্জে যুবদলের মিছিল সমাবেশ ‎বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে হাওরের সড়কজুড়ে শতাধিক তালগাছের চারা রোপণ ‎জাতিসংঘে তারেকের প্রথম ভাষণ, সামনে বাংলাদেশের নতুন বার্তা ‎বাংলা কিউআর বাস্তবায়ন নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতবিনিময় সভা ও র‍্যালি রাজউকের নকশা অনুমোদনে ওয়ানস্টপ, প্রকল্পে জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় জনসাধারণের ক্ষোভ তাহিরপুরে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি বহিষ্কার সোনালী চেলা নদীতে ড্রেজারের তান্ডব থামেনি সাদাসিধে জীবন, আলোকিত কর্মযাত্রা নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সুনামগঞ্জ সদরে উপজেলা পর্যায়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বিএনপি নেতা জালাল উদ্দিন ফারুকীকে দল থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ফুটবল উৎসব উদ্বোধন প্রকল্পের অপেক্ষায় ভাগাড়ে পরিণত পুরাতন পৌরসভা চত্বর কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর পদক্ষেপের দাবিতে মানববন্ধন সফর সংক্ষিপ্ত, কূটনৈতিক কর্মসূচি বিস্তৃত: নিউইয়র্কে তারেক রহমান

একটু রোদের ঝিলিক, ধান শুকাতে ব্যস্ত কৃষক

  • আপলোড সময় : ০১-০৫-২০২৬ ১২:২৭:১৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-০৫-২০২৬ ০১:০১:৫৪ পূর্বাহ্ন
একটু রোদের ঝিলিক, ধান শুকাতে ব্যস্ত কৃষক
সামছুল ইসলাম সরদার ::
টানা পাঁচ দিনের অবিরাম বৃষ্টির পর অবশেষে বুধবার রোদের দেখা পান কৃষক-কৃষাণীরা। এতে মাড়াই করা ধান শুকাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তারা। সামান্য রোদের ঝিলিকই তাদের মনে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে। দিরাই উপজেলার বরাম হাওরসহ আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। পৌরশহরের অনেক কৃষক ধান শুকানোর পর্যাপ্ত জায়গা না পেয়ে দিরাই পৌরশহরের বিভিন্ন সড়ক, এমনকি দিরাই-সুনামগঞ্জ মহাসড়কের এক পাশেও ধান শুকাতে বাধ্য হচ্ছেন। পৌরশহরের আনোয়ারপুর আবাসিক এলাকার বাসিন্দা কৃষক জলিল মিয়া বলেন, তিন কেয়ার জমিতে চাষ করছিলাম। মেঘ আসার আগে দুই কেয়ার ধান কাটতে পারছিলাম। কিন্তু পাঁচ দিনের বৃষ্টিতে ধান গরম হয়ে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। আজ রোদ উঠায় জায়গা না পেয়ে মহাসড়কের এক পাশে ধান শুকাচ্ছি। একাধিক কৃষাণী জানান, ৪-৫ দিন পর রোদ ওঠায় কিছু ধান কেটে বাড়িতে আনা হয়েছে। তবে ঘরে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় এবং রোদের অভাবে ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় বাধ্য হয়ে সড়কেই ধান শুকাতে হচ্ছে। স্থানীয় কৃষকরা জানান, টানা বৃষ্টিতে উপজেলার বরাম, উদগল, চাপতি, টাংনি ও কালিয়াকুটা হাওরসহ ছোট-বড় প্রায় সব হাওরের নিম্নাঞ্চল জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছে। পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। বরাম, উদগল ও চাপতি হাওরের একাধিক কৃষক অভিযোগ করে বলেন, অপরিকল্পিত হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ, নদী ভরাট এবং পানি নিষ্কাশনের সঠিক ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। এবার টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল পাকা বৈশাখী ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকরা জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) রোদ উঠায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। যদি আর বৃষ্টি না হয়, তাহলে কষ্ট করে হলেও কিছু ধান ঘরে তুলতে পারবো। তবে এবার যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে নেওয়া কঠিন। এদিকে উপজেলা কৃষি অফিস প্রায় ৫২ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে বলে যে তথ্য দিয়েছে, তা প্রত্যাখ্যান করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। তাদের দাবি, এখনো মাত্র ২৫-৩০ শতাংশ ধান কাটা সম্ভব হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের জরুরি সহযোগিতা কামনা করেছেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
জেলায় ৫১ নদী-খালের ২০০ কি.মি. খননের পরিকল্পনা

জেলায় ৫১ নদী-খালের ২০০ কি.মি. খননের পরিকল্পনা