সুনামগঞ্জ , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬ , ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আজ শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন নোনাজলে ডুবে যাচ্ছে স্বপ্ন, ডুবে যাচ্ছে একটি প্রজন্ম এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ ৪ লক্ষাধিক গ্রাহকের ভোগান্তি ২০ বছরেও নির্মাণ হয়নি সেতুর সংযোগ সড়ক ‎জামালগঞ্জে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু ‎জামালগঞ্জে স্বেচ্ছাশ্রমে ফসল রক্ষা বাঁধ মেরামত সাচনা বাজারের বন্ধ হাসপাতাল চালুতে প্রশাসনিক সুপারিশ জে-স্কয়ারের অনন্য আয়োজন ‘মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা’ অনুষ্ঠিত যাদুকাটা বালু মহাল ১০ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা ধান ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক পাগল হাসানের গান রাষ্ট্রীয়ভাবে সংরক্ষণের দাবি বজ্রপাত কেড়ে নিল ৫ প্রাণ মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বললেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরই বিএনপির কাউন্সিল, আসছে বড় পরিবর্তন আগামীর ফ্যাসিজম হবে আরও ভয়াবহ : জামায়াত আমির হবিপুর-পুরান সিংচাপইড় সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ ঘন ঘন লোডশেডিং, ভোগান্তিতে মানুষ দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ জ্বালানি মজুত রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী শহীদ হাফিজ হত্যার বিচার অবশ্যই হবে : এমপি কয়ছর আহমেদ এক মামলায় চিন্ময়কৃষ্ণ ব্রহ্মচারীর জামিন

২০ বছরেও নির্মাণ হয়নি সেতুর সংযোগ সড়ক

  • আপলোড সময় : ২০-০৪-২০২৬ ০৯:৩৬:১৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২০-০৪-২০২৬ ০৯:৩৭:৪৫ পূর্বাহ্ন
২০ বছরেও নির্মাণ হয়নি সেতুর সংযোগ সড়ক
আকরাম উদ্দিন::
দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের উত্তর বক্তারপুর-নয়াগাঁও লক্ষ্মীপুর ও বোগলাবাজার দুই ইউনিয়নের সংযোগে নির্মিত একটি সেতু দীর্ঘ ২০ বছর ধরে অচল অবস্থায় পড়ে আছে। দ্রুত মেরামত ও উভয় পাশে অ্যাপ্রোচে মাটি ভরাট করে চলাচল উপযোগী করার দাবি স্থানীয়দের।
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, দোয়ারাবাজার উপজেলা এলজিইডি কর্তৃপক্ষ ব্রিজটির মূল পাকা নির্মাণকাজ স¤পন্ন করলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক (অ্যাপ্রোচ) নির্মাণ কিংবা মাটি ভরাট করা হয়নি। ফলে ব্রিজটি কার্যত ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে। দীর্ঘ দুই দশক পেরিয়ে গেলেও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। এলাকাবাসী জানান, পূর্বে এখানে একটি চলাচলযোগ্য সড়ক ছিল। কিন্তু ঢলের পানির প্রবাহে সেটি ভেঙে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে ব্রিজ নির্মাণ করা হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় মানুষের ভোগান্তি দূর হয়নি। বর্তমানে ব্রিজটি দাঁড়িয়ে থাকলেও তা কোনো কাজে আসছে না। এই ব্রিজটি চালু হলে বক্তারপুর, উত্তর বক্তারপুর, নয়াগাঁও, ভাঙাপাড়া, ইদ্রিছপুর ও জিরারগাঁওসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াত সহজ হবে এবং যানবাহন চলাচলও স্বাভাবিক হবে। ভাঙাপাড়ার বাসিন্দা বিলাল হোসেন, নয়াগাঁওয়ের হানিফ মিয়া ও রায়হান মিয়া, শান্ত মিয়াসহ অনেকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটি অচল পড়ে আছে। দ্রুত কাজ শেষ করে চালু করা হলে আমরা এই সড়ক দিয়ে সহজে চলাচল করতে পারবো। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী বলেন, এলাকার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য ব্রিজটির অ্যাপ্রোচের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরি। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে ব্রিজটির অ্যাপ্রোচে মাটি ভরাট করে এটিকে চলাচল উপযোগী করবে এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটাবে।
দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ বলেন, এই কার্লভাট ব্রিজ এলাকায় গিয়ে খোঁজখবর নিয়ে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবো।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স