সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬ , ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের অস্তিত্বেই তারা বিশ্বাস করে না, তাদের কি বিশ্বাস করা যায় : প্রধানমন্ত্রী হাওরজুড়ে বজ্রপাত আতঙ্ক দোয়ারাবাজারে বিদ্যুতের ভেল্কিবাজিতে অতিষ্ঠ মানুষ হাওর থেকে ধান আনতেই নাভিশ্বাস এসআই সুপ্রাংশু দে’র মৃত্যুতে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসি’র শোক শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের নবনির্মিত মন্দির উদ্বোধন আজ শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন নোনাজলে ডুবে যাচ্ছে স্বপ্ন, ডুবে যাচ্ছে একটি প্রজন্ম এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ ৪ লক্ষাধিক গ্রাহকের ভোগান্তি ২০ বছরেও নির্মাণ হয়নি সেতুর সংযোগ সড়ক ‎জামালগঞ্জে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু ‎জামালগঞ্জে স্বেচ্ছাশ্রমে ফসল রক্ষা বাঁধ মেরামত সাচনা বাজারের বন্ধ হাসপাতাল চালুতে প্রশাসনিক সুপারিশ জে-স্কয়ারের অনন্য আয়োজন ‘মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা’ অনুষ্ঠিত যাদুকাটা বালু মহাল ১০ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা ধান ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক পাগল হাসানের গান রাষ্ট্রীয়ভাবে সংরক্ষণের দাবি বজ্রপাত কেড়ে নিল ৫ প্রাণ মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বললেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরই বিএনপির কাউন্সিল, আসছে বড় পরিবর্তন

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিল’ পাস

  • আপলোড সময় : ০৯-০৪-২০২৬ ০৯:২১:২৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-০৪-২০২৬ ০৯:২১:২৬ পূর্বাহ্ন
জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিল’ পাস
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনকারীদের দায়মুক্তির বিধান রেখে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬’ বিল সংসদে পাস হয়েছে। বুধবার (৭ এপ্রিল) ¯িপকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১১তম দিনে বিলটি পাস করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যদেশের এই বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। বিলের চার ধারায় আর বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার করা হবে এবং এ সংক্রান্ত বিষয়ে নূতন কোনও দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা, অভিযোগ গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের আইনত বারিত হবে। বিলের ৪ ধারায় আরও বলা হয়, এই বিধান সত্ত্বেও, কোনও গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে হত্যাকা- সংঘটনের অভিযোগ থাকলে তাহা কমিশনে দাখিল করা যাবে এবং কমিশন ওই অভিযোগ তদন্তের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনে যা কিছু থাকুক না কেন, যেক্ষেত্রে হত্যাকা-ের শিকার ব্যক্তি কোনও প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন, সেইক্ষেত্রে কমিশন ওই প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীতে বর্তমানে বা পূর্বে কর্মরত কোনও কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব প্রদান করবে না। তদন্ত চলাকালে আসামিকে গ্রেফতার বা হেফাজতে গ্রহণ করার প্রয়োজন হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা যুক্তিসংগত কারণ উল্লেখ করে কমিশনের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করন। বিলের ব্যাখ্যায় বলা হয়, যেক্ষেত্রে কমিশনের তদন্তে প্রতীয়মান হয় যে, অভিযোগে উল্লিখিত কাজ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার ছিল, সেক্ষেত্রে কমিশন সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারস¤পন্ন আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবে। অতঃপর আদালত ওই প্রতিবেদনকে পুলিশ প্রতিবেদন সমতুল্য গণ্য করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করবে। যেক্ষেত্রে কমিশনের তদন্তে প্রতীয়মান হয় যে, অভিযোগে উল্লিখিত কাজ রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ ছিল, সেইক্ষেত্রে কমিশন উপযুক্ত মনে করলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে সরকারকে আদেশ প্রদান করতে পারবে, এবং ওই ক্ষেত্রে কোনও আদালতে সংশ্লিষ্ট কাজ স¤পর্কিত কোনও মামলা দায়ের করা যাবে না কিংবা অন্যকোনও আইনগত কার্যধারা গ্রহণ করা যাবে না।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স