সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ , ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৩ বসতবাড়ি,গবাদিপশু ও নগদ টাকাসহ পুড়ে ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি ভারি বৃষ্টিতে নড়বড়ে বাঁধ, শঙ্কায় কৃষক আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস সুনামগঞ্জ সদরে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সেবায় কাজ করতে চান মো. আবুল হায়াত শান্তিগঞ্জ থেকে শিমুলবাগান যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত ‎জামালগঞ্জে পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ ‎পাগনার হাওরে বাঁধ কাটা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১১ জামালগঞ্জে মহিষ চুরির সন্দেহে আটক দুই ও মাংস জব্দ নিখোঁজের পর ধানক্ষেতে মিলল ৭ বছরের শিশুর লাশ, দোয়ারাবাজারে তোলপাড় ‎জামালগঞ্জে টানা বৃষ্টিতে হাওরে জলাবদ্ধতা, ব্যাপক ফসলহানি হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়া হত্যার দ্রুত ন্যায়বিচার চাই পণাতীর্থে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ঢল শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে
জ্বালানি তেলের সংকট

ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে কম তেল পাচ্ছেন ক্রেতারা

  • আপলোড সময় : ২৬-০৩-২০২৬ ০৯:১৮:২৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০৩-২০২৬ ০৯:১৮:২৫ পূর্বাহ্ন
ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে কম তেল পাচ্ছেন ক্রেতারা
স্টাফ রিপোর্টার: সুনামগঞ্জে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জ্বালানির সরবরাহ কমে যাওয়ায় পা¤পগুলোতে সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ লাইন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও প্রয়োজন অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না ক্রেতারা। সরকারি পর্যায়ে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। জেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে ভোর থেকে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে গ্রাহকদের। অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়েও কম তেল দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি এবং চাহিদা বৃদ্ধির কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। চলতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, যা সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলছে। এদিকে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়েছিল কয়েকগুণ। ঈদ উপলক্ষে মানুষের যাতায়াত বৃদ্ধি, পণ্য পরিবহন বৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত মজুদের প্রবণতা - সব মিলিয়ে চাপ পড়েছে সরবরাহ ব্যবস্থায়। অপরদিকে ভুক্তভোগীরা জানান, পরিস্থিতি দিন দিন অসহনীয় হয়ে উঠছে। মোটরসাইকেল চালক মতিউর হাসান বলেন, বাড়ি থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরের পা¤েপ এসে তেল নিতে হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে খুচরা ডিলারদের কাছে প্রতি লিটার তেল ১৬০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। অনেকেই মজুদ করে রাখায় আমরা বিপদে পড়েছি। আরেক ক্রেতা আলিনুর বলেন, দুই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও প্রয়োজন মতো তেল পাইনি। যাতায়াতেই তিন লিটার লাগে, কিন্তু ২০০-৩০০ টাকার বেশি তেল দিচ্ছে না। মোটরসাইকেল চালক জাকির হোসেনের ভাষ্য, এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার তেল পাওয়া যায়। এভাবে চললে যানবাহন চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, কিছু অসাধু ডিলার কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করছেন। তারা দ্রুত বাজার মনিটরিং জোরদার করে মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। সুনামগঞ্জে জ্বালানি তেলের এ সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স