সুনামগঞ্জ , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূমধ্যসাগর থেকে এক সপ্তাহে ১৬০ বাংলাদেশি উদ্ধার এক কলসি পানির জন্য পাড়ি দিতে হয় এক কিলোমিটার পথ দুই ড্রেজারে মনাই নদীর বালু লুট, ভাঙনের হুমকিতে বসতবাড়ি, বোরো জমি মসজিদে নামাজরত যুবককে ছুরিকাঘাত, বাঁচাতে গিয়ে পিতা আহত বিকাশ -লিপি- সানোয়ারা দিরাই'র গুনি শিক্ষক ঢাকায় আন্তর্জাতিক মানের গলফ ও বিনোদনের নতুন কেন্দ্র বসুন্ধরা সুপার গলফ জামায়াত অকৃতজ্ঞ, খালেদা জিয়ার দেওয়া মন্ত্রিত্বের কথা ভুলে গেছে : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ‎জামালগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষায় অবদানের গুণী স্বীকৃতি পেলেন ৩ শিক্ষক তিন দিনব্যাপী উৎসব শুরু, ২৮ বছরের পথচলায় লোকদল শিল্পীগোষ্ঠী ছাতকে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির সংঘর্ষে আহত ৫০ দিরাই পৌরসভা প্রতিষ্ঠার ২৭ বছর, নাগরিক সুবিধা সেই তিমিরে ছাতকে অনুমোদনহীন দুই শতাধিক চুনের কারখানা সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে ক্লিনিক নয়, প্র্যাকটিসও বন্ধ পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের হুঁশিয়ারি ‎পটিয়া থেকে ৫১৪৮, এস আলমের সময়ে ইসলামী ব্যাংকে নিয়োগের চিত্র জেলায় ৫১ নদী-খালের ২০০ কি.মি. খননের পরিকল্পনা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে ‘প্রতিষ্ঠা প্রকল্পে’র অবহিতকরণ কর্মশালা দোয়ারাবাজারে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অপপ্রচারের প্রতিবাদে ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন সুনামগঞ্জ শহরে মারামারি, নিরপেক্ষ তদন্ত চায় শ্রাবণের পরিবার

বিশ্বম্ভরপুরে বৃষ্টিতে দেবে গেছে বাঁধের একাংশ

  • আপলোড সময় : ১৮-০৩-২০২৬ ০৫:০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-০৩-২০২৬ ০৫:০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন
বিশ্বম্ভরপুরে বৃষ্টিতে দেবে গেছে বাঁধের একাংশ
স্টাফ রিপোর্টার :: টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ফসলরক্ষা বাঁধের একটি অংশ দেবে গেছে। নি¤œমানের নির্মাণকাজের কারণে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। এতে আঙ্গারুলি হাওর এলাকার কৃষকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। সোমবার (১৬ মার্চ) ভোরে উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের শ্রীধরপুর গ্রামের ঘটঘটিয়া নদীতে নির্মিত ১নং পিআইসি’র বাঁধে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. ছবাব মিয়াসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বাঁধটি পরিদর্শন করেন। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্টদের প্রতি দাবি জানিয়েছেন কৃষক ও সচেতন মহল। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাঁধটিতে কোনো সাইনবোর্ড না থাকায় বরাদ্দকৃত অর্থ ও কাজের পরিধি সম্পর্কে তারা অজ্ঞাত। গত বছরের পুরনো মাটির ওপর সামান্য মাটি ফেলে দায়সারা কাজ করা হয়েছে বলে দাবি তাদের। এছাড়া বাঁধে দুরমুজকরণসহ প্রয়োজনীয় কাজও করা হয়নি। তাদের ভাষ্য, পাহাড়ি ঢলের পানি এই বাঁধে চাপ সৃষ্টি করে আঙ্গারুলি হাওরে প্রবেশ করে। ফলে বাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে এবং যে কোনো সময় ভেঙে গিয়ে বিস্তীর্ণ বোরো ধানক্ষেত প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় কৃষক শফিক মিয়া ও জহির মিয়াসহ অনেকেই জানান, নি¤œমানের কাজের কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ভাঙনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে কয়েক হাজার কৃষকের স্বপ্নের ফসল পানিতে তলিয়ে যেতে পারে। এ বিষয়ে জানতে ১নং পিআইসি’র সভাপতি বা সংশ্লিষ্ট কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মতিন খান জানান, বাঁধটির একটি ছোট অংশ দেবে গিয়েছিল, যা ইতোমধ্যে মেরামত করা হয়েছে। উপজেলার সব বাঁধে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
দুই ড্রেজারে মনাই নদীর বালু লুট, ভাঙনের হুমকিতে বসতবাড়ি, বোরো জমি

দুই ড্রেজারে মনাই নদীর বালু লুট, ভাঙনের হুমকিতে বসতবাড়ি, বোরো জমি