সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ , ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর হাওরে আশা-নিরাশার দোলাচল জামালগঞ্জে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল এমপি কলিম উদ্দিন মিলনকে সংবর্ধনা প্রদান জগন্নাথপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

জগন্নাথপুর পৌর শহরে যানজটে জনভোগান্তি

  • আপলোড সময় : ০৬-০৩-২০২৬ ১১:৪২:৪৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৬-০৩-২০২৬ ১১:৫১:০১ অপরাহ্ন
জগন্নাথপুর পৌর শহরে যানজটে জনভোগান্তি
মোশাহজাহান মিয়া ::
জগন্নাথপুর পৌর শহরে বেড়েছে তীব্র যানজট। ফলে যানজটে জনভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। রোজার দিনে দীর্ঘসময় ধরে রোদে গাড়ি নিয়ে যানজটে আটকেপড়া মানুষদের ক্ষোভের যেন শেষ নেই। এই যানজট থেকে মুক্তি পেতে নলজুর নদীতে আর্চব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। এতে যানজট কমেনি বরং আরো বেড়েছে। কারণ সময়ের পরিক্রমায় দিনে দিনে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও রাস্তা-ঘাট বাড়ছে না। একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে যানবাহনের সংখ্যা। ফলে দিনে দিনে যানজট বেড়েই চলেছে। জগন্নাথপুর পৌর শহরের বুকচিরে বয়ে যাওয়া নলজুর নদীতে প্রথম পাকা ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছিল এরশাদ সরকারের আমলে। এ ব্রিজ নির্মাণ হওয়ায় জগন্নাথপুর থেকে সরাসরি সিলেটের সাথে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা হয়। পরে আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে সুনামগঞ্জের ডাবর থেকে জগন্নাথপুর রাণীগঞ্জ সেতু হয়ে সৈয়দপুর ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়ক চালু হয়। মূলত রাণীগঞ্জ সেতু হওয়ায় সুনামগঞ্জবাসীর ঢাকার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হয়েছে। সময়ের পরিক্রমায় মানুষ ও গাড়ির চাপে জগন্নাথপুর পৌর শহরে যানজট লেগেই থাকতো। কারণ সরু সেতুতে মানুষের সংকুলান হয়নি। এ যানজট থেকে মুক্তি পেতে বড় করে দৃষ্টিনন্দন আর্চব্রিজ নির্মাণ করা হয়। এখন সেই আর্চ ব্রিজই মানুষ ও গাড়ির চাপে মনে হয় সরু হয়ে গেছে। ফলে জনভোগান্তি বেড়েছে। যানজটে আটকে থাকা গৌর হরি, রবিউল ইসলাম, আনকার মিয়াসহ বেশ কয়েকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, যেই লাউ সেই কদু। পৌর শহরে আগেও যানজট ছিল, বর্তমানেও আছে। আর্চব্রিজ নির্মাণ হওয়ায় আমরা খুশি হয়েছিলাম, ভেবেছিলাম হয়তো যানজট থেকে মুক্তি পেয়েছি। আসলে তা হয়নি। আর্চব্রিজ নির্মাণ হওয়ার পর শহীদ মিনার এলাকার সেতুটি ভেঙে ফেলা হয়েছে, নতুন সেতু হবে বলে। এখানে রাখা হয়নি বিকল্প সড়ক ব্যবস্থা। ফলে পেয়ে হেঁটে চলাচল করা গেলেও গাড়ি চলে না। তারপর ভেঙে দেয়া হয় হেলিপ্যাড হয়ে সি/এ মার্কেট পর্যন্ত বিকল্প সেতু। এতে দুই দিক থেকে কমেছে চলাচল ব্যবস্থা। সব চাপ পড়েছে একমাত্র আর্চ ব্রিজের উপরে। তার উপর ঈদকে সামনে রেখে বেড়েছে জনসমাগম। বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, যানজটে নাকাল পৌরবাসী। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সোহরাব হোসেন জানান, আর্চ ব্রিজের সামনে পৌর শহরে গাড়ি পার্কিংয়ের কারণে যানজট সৃষ্টি হয়। শহীদ মিনার এলাকায় নতুন ব্রিজ নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। এখানে বিকল্প হিসেবে বাঁশের সেতু নির্মাণ করা হবে। আর নদীতে নৌ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হেলিপ্যাড-সি/এ মার্কেট বিকল্প সেতুটি ভেঙে দেয়া হয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স