সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ , ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুনামগঞ্জে ৪৪৪ মণ্ডপে দুর্গাপূজা, নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের প্রস্তুতি সম্পন্ন পূজার ছুটিতে পর্যটকদের অপেক্ষায় টাঙ্গুয়ার হাওর ১৫০ বছরের পুরোনো মূর্তি ও গহনা চুরি অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে বহিরাগতদের উপদ্রব দুর্গাপূজায় থাকবে তিন স্তরের নিরাপত্তা গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা কর দ্রুত আদায়ে নির্দেশ হাইকোর্টের নিউইয়র্কে হেনস্তার শিকার ড. মুহাম্মদ ইউনূস শাল্লায় সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ প্রবাসীর স্ত্রীকে ৬ টুকরো করে হত্যা, আসামি জিতেশের মৃত্যুদন্ড সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে আরও ছয় বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু চারলেন প্রকল্পের কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবি, নির্মাণকাজের অগ্রগতি ৭০ শতাংশ সংস্কৃতি চর্চায় সুনামগঞ্জে ইনস্টিটিউট করা হবে : এমপি কয়ছর আহমদ সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের চেক বিতরণ জামালগঞ্জে নজরুল বর্ষের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় ১১৭ শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান ‎জামালগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, র‍্যালি ও মহড়া ইউপি নির্বাচন ৫ ধাপে, প্রথম ধাপের ভোট ২১ জানুয়ারি ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী একটি সেতুর অভাবে পাঁচ গ্রামের মানুষ দুর্ভোগে ধর্মপাশায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য কাজলের রহস্যজনক মৃত্যু, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ : কাজের গতি ও সময়মতো বিল - দুইই জরুরি

  • আপলোড সময় : ০৬-০৩-২০২৬ ১১:৩১:১৫ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৬-০৩-২০২৬ ১১:৩১:১৫ অপরাহ্ন
হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ : কাজের গতি ও সময়মতো বিল - দুইই জরুরি
হাওরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা অনেকটাই নির্ভর করে একটি মৌসুমের বোরো ফসলের ওপর। সেই ফসল রক্ষার প্রধান ভরসা হচ্ছে ফসলরক্ষা বাঁধ। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমের আগেই এসব বাঁধের নির্মাণ ও মেরামতের কাজ শেষ করা না গেলে অকাল বন্যা কিংবা পাহাড়ি ঢলে মুহূর্তেই হাওরের কৃষকের সারা বছরের শ্রম পানিতে ভেসে যেতে পারে। তাই বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণকে শুধু একটি উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে নয়, বরং কৃষকের জীবনরক্ষার অন্যতম অবকাঠামো হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। সম্প্রি শাল্লা উপজেলার বিভিন্ন হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া। তিনি সরেজমিনে বাঁধের কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) ও কর্মকর্তাদের নীতিমালা অনুযায়ী কাজ স¤পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন। বাঁধের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে মাটির সঠিক কমপেকশন, নির্ধারিত ঢাল বজায় রাখা, দুরমুজকরণ এবং দ্রুত ঘাস লাগানোর নির্দেশনা নিঃসন্দেহে সময়োপযোগী উদ্যোগ। তবে পরিদর্শনকালে পিআইসি সংশ্লিষ্টদের যে আর্থিক সংকটের বিষয়টি সামনে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে হলেও প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড় না হওয়ায় অনেকেই ধারদেনা করে শ্রমিকের মজুরি দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। পাওনাদারদের চাপ ও আর্থিক অনিশ্চয়তা নির্মাণকাজের শেষ পর্যায়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এতে বাঁধের মান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি যেমন রয়েছে, তেমনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হওয়ার আশঙ্কাও থেকে যায়। এ বাস্তবতায় জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকে পিআইসিদের বিল প্রদানের আশ্বাস স্বস্তিদায়ক। তবে কেবল আশ্বাসে নয়, বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই এ সমস্যার সমাধান নিশ্চিত করতে হবে। কারণ হাওর অঞ্চলে সময়ই এখানে সবচেয়ে বড় বিষয়। বিলম্ব হলে তার প্রভাব সরাসরি পড়ে কৃষকের ভাগ্যের ওপর। হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ যাতে সঠিক সময়ে এবং মানসম্মতভাবে স¤পন্ন হয়, সে জন্য প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং স্থানীয় কমিটিগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বরাদ্দ ছাড়ের ক্ষেত্রে দাপ্তরিক জটিলতা কমিয়ে দ্রুত অর্থ ছাড় নিশ্চিত করা জরুরি। হাওর বাঁচলে কৃষক বাঁচবে, আর কৃষক বাঁচলে টিকে থাকবে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা। তাই ফসলরক্ষা বাঁধের কাজকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সময়মতো অর্থ ছাড় ও কঠোর তদারকির মাধ্যমে এর সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে বহিরাগতদের উপদ্রব

সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে বহিরাগতদের উপদ্রব