সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ , ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর হাওরে আশা-নিরাশার দোলাচল জামালগঞ্জে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল এমপি কলিম উদ্দিন মিলনকে সংবর্ধনা প্রদান জগন্নাথপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০
বাঁধের কাজ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

আগামী সপ্তাহে পিআইসিদের বিল প্রদানের আশ্বাস

  • আপলোড সময় : ০৬-০৩-২০২৬ ০৯:১৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৬-০৩-২০২৬ ০৯:১৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
আগামী সপ্তাহে পিআইসিদের বিল প্রদানের আশ্বাস
স্টাফ রিপোর্টার :: তিন জেলার সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া। বৃহ¯পতিবার (৫ মে) দিনব্যাপী তিনি নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার মিলনস্থলে অবস্থিত ছায়ার হাওর ও কালিকোটা হাওরসহ অন্তত ৩০টি বাঁধের কাজ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক নেত্রকোণার খালিয়াজুড়ি উপজেলার কালিকোটা হাওরের শাল্লা অংশ এবং কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার ছায়ার হাওরের সুনামগঞ্জ অংশের ক্লোজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাঁধের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন। বাঁধের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট পিআইসি (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) সভাপতি ও সদস্য-সচিবদের নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেন। তিনি নীতিমালা অনুযায়ী সঠিক নিয়মে মাটির ক¤েপকশন ও দুরমুজ করা, নির্ধারিত ¯ে¬াপ বজায় রাখা, বাঁধের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত ঘাস লাগানোর পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নিয়মিত তদারকি জোরদার করার নির্দেশ দেন। বাঁধের কাজ পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসকের কাছে নিজেদের আর্থিক সংকটের কথা তুলে ধরেন পিআইসি সংশ্লিষ্টরা। তারা জানান, কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে থাকলেও প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড় না হওয়ায় তারা বিপাকে পড়েছেন। অনেকেই ধারদেনা করে এবং শ্রমিকের মজুরি বাকি রেখে বাঁধের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। পাওনাদারদের চাপ ও অবশিষ্ট কাজ শেষ করতে হিমশিম খাওয়ায় বাঁধের নির্মাণকাজের শেষ পর্যায়ের কাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা। পিআইসিদের দাবির প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, বাঁধ নির্মাণ একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, যা এক প্রকার সেবামূলক কাজ। ফসল সুরক্ষিত থাকলে এই অঞ্চলের সকলেই স্বস্তিতে থাকবেন। তিনি আরও বলেন, বরাদ্দ ছাড়ে দাপ্তরিক জটিলতার কারণে সময়মতো বিল প্রদান করা সম্ভব হয়নি, যার ফলে কাজে কিছুটা ধীরগতি দেখা দিয়েছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকেই কাজ অনুযায়ী পিআইসিদের বিল প্রদান করা হবে। পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. এমদাদুল হক, শাল্লা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পিয়াস চন্দ্র দাস, জেলা কাবিটা বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সদস্য শহীদনূর আহমেদ, পাউবোর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ওবাইদুল হক, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি তানভীর আহমেদ প্রমুখ।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স