সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ , ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর হাওরে আশা-নিরাশার দোলাচল জামালগঞ্জে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল এমপি কলিম উদ্দিন মিলনকে সংবর্ধনা প্রদান জগন্নাথপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০
জগন্নাথপুরে ফসলরক্ষা বাঁধের কাজে গুরুত্বহীন পাউবো

সব সামলাচ্ছেন ইউএনও অফিসের নাজির ও পিয়ন!

  • আপলোড সময় : ০৩-০৩-২০২৬ ০৫:৩৭:২৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৩-০৩-২০২৬ ০৫:৩৭:২৫ পূর্বাহ্ন
সব সামলাচ্ছেন ইউএনও অফিসের নাজির ও পিয়ন!
স্টাফ রিপোর্টার :: জগন্নাথপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজে খবরদারি করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস সহকারী ও নাজির। অন্যান্য এলাকায় পিআইসির বিলের চেকসহ আনুষঙ্গিক কাজ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হলেও জগন্নাথপুরে উপজেলায় অফিস সহকারী ও নাজির পাউবোকে গুরুত্বহীন করে দিয়েছেন। উপজেলা কমিটির সেক্রেটারি হিসেবে বিলের চেক ও অন্যান্য বিলসহ আনুষঙ্গিক কাজ পাউবো’র শাখা কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রদান করা হলেও জগন্নাথপুরে ব্যতিক্রম লক্ষ করা গেছে। জানা গেছে, জগন্নাথপুরে চলতি বোরো মওসুমে ৩৭টি পিআইসির মাধ্যমে ১৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের কাজ চলছে। বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৬ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা। উপজেলা কমিটিতে কাবিটা নীতিমালা অনুযায়ী সভাপতি হিসেবে ইউএনও ও সেক্রেটারি হিসেবে পাউবো’র সাবস্টেশন অফিসার পিআইসি গঠন ও অনুমোদন করেছেন। তবে টেকনিক্যাল পার্সন হিসেবে ব্যবস্থাপনার সমূহ কাজ পাউবোকেই করার কথা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম জগন্নাথপুর। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লার কার্যালয়ের নাজির মো. মিজানুর রহমান ও অফিস সহকারী লিটন পাউবো’র ফসলরক্ষা বাঁধের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বও নিয়েছেন। তারা পিআইসি গঠন থেকে অনুমোদন এবং বিলের চেক বিতরণসহ নানা কাজই করছেন। এটা করতে গিয়ে তারা অনেক পিআইসি’র কাছ থেকে সুবিধা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সাথে গুরুত্বহীন করে দিয়েছেন পাউবোকে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক নলুয়ার হাওরের এক পিআইসি সভাপতি বলেন, কোনও কাজের জন্য এখনো আমাদের পাউবোতে যেতে হয়নি। নাজির মিজান সাহেব ও পিয়ন লিটন সাহেবেই সব কাজ করছেন। তারাই আমাকেসহ অন্যান্য পিআইসিদের বিলের চেক দিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নাজির মো. মিজানুর রহমান বলেন, বাঁধের সব কাজই করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এটা তাদের এখতিয়ার। তবে তিনি কেবল বিলের চেক লিখে দিচ্ছেন জানিয়ে বলেন, আমরা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় তিনি জড়িত নই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহ বলেন, নীতিমালা অনুযায়ীই কাজ হচ্ছে। যারা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ এনেছে তা সঠিক নয়। এসব আন্দাজে বলছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স