সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬ , ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফসলি জমি ফেটে চৌচির, দুশ্চিন্তায় কৃষক জামালগঞ্জে নিখোঁজ ব্যক্তির লাশ উদ্ধার ‎জামালগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কিশোরের মৃত্যু ছাড়ের অপেক্ষায় আ.লীগ নারায়ণগঞ্জে এনসিপি’র এমপি দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ সরকারি কর্মচারীদের সকালে ৪০ মিনিট অফিসে অবস্থান বাধ্যতামূলক দিরাইয়ের তিন গ্রামে ফ্যামিলি কার্ড পেতে যাচ্ছে ৭৮৫ পরিবার ছাতক-দোয়ারাকে অপরাধমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলবো : এমপি কলিম উদ্দিন টাকার লোভে নদীর পাড় বিক্রি : সোনালীচেলার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে গ্রাম জনবল সংকটে ধুঁকছে হাসপাতাল সেবাবঞ্চিত মানুষ অভিনন্দন সংবলিত বিলবোর্ড সরিয়ে ফেলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইসরায়েলের সঙ্গে ‘উন্মুক্ত যুদ্ধের’ ঘোষণা দিলো হিজবুল্লাহ পাড় কেটে বালু উত্তোলন : ড্রেজার ও বাল্কহেডসহ ৩ জনকে ধরিয়ে দিল জনতা সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জকে এগিয়ে নিয়ে যাবো : এমপি নূরুল ইসলাম দুর্গম যাত্রায় অপার সম্ভাবনার হাতছানি জামালগঞ্জে নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে মসজিদ, মাছ বাজার ও দোকানপাট মাদক, চাঁদাবাজি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন এমপি নূরুল ইসলাম শিশুদের রোজা : শৈশব থেকেই অভ্যস্ত করবেন যেভাবে ব্রি’র ‘রাইস মিউজিয়াম’ ঘিরে কৃষকদের নতুন স্বপ্ন, এক জমিতেই ৫১ জাতের ধান সব সামলাচ্ছেন ইউএনও অফিসের নাজির ও পিয়ন!
জগন্নাথপুরে ফসলরক্ষা বাঁধের কাজে গুরুত্বহীন পাউবো

সব সামলাচ্ছেন ইউএনও অফিসের নাজির ও পিয়ন!

  • আপলোড সময় : ০৩-০৩-২০২৬ ০৫:৩৭:২৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৩-০৩-২০২৬ ০৫:৩৭:২৫ পূর্বাহ্ন
সব সামলাচ্ছেন ইউএনও অফিসের নাজির ও পিয়ন!
স্টাফ রিপোর্টার :: জগন্নাথপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজে খবরদারি করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস সহকারী ও নাজির। অন্যান্য এলাকায় পিআইসির বিলের চেকসহ আনুষঙ্গিক কাজ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হলেও জগন্নাথপুরে উপজেলায় অফিস সহকারী ও নাজির পাউবোকে গুরুত্বহীন করে দিয়েছেন। উপজেলা কমিটির সেক্রেটারি হিসেবে বিলের চেক ও অন্যান্য বিলসহ আনুষঙ্গিক কাজ পাউবো’র শাখা কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রদান করা হলেও জগন্নাথপুরে ব্যতিক্রম লক্ষ করা গেছে। জানা গেছে, জগন্নাথপুরে চলতি বোরো মওসুমে ৩৭টি পিআইসির মাধ্যমে ১৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের কাজ চলছে। বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৬ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা। উপজেলা কমিটিতে কাবিটা নীতিমালা অনুযায়ী সভাপতি হিসেবে ইউএনও ও সেক্রেটারি হিসেবে পাউবো’র সাবস্টেশন অফিসার পিআইসি গঠন ও অনুমোদন করেছেন। তবে টেকনিক্যাল পার্সন হিসেবে ব্যবস্থাপনার সমূহ কাজ পাউবোকেই করার কথা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম জগন্নাথপুর। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লার কার্যালয়ের নাজির মো. মিজানুর রহমান ও অফিস সহকারী লিটন পাউবো’র ফসলরক্ষা বাঁধের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বও নিয়েছেন। তারা পিআইসি গঠন থেকে অনুমোদন এবং বিলের চেক বিতরণসহ নানা কাজই করছেন। এটা করতে গিয়ে তারা অনেক পিআইসি’র কাছ থেকে সুবিধা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সাথে গুরুত্বহীন করে দিয়েছেন পাউবোকে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক নলুয়ার হাওরের এক পিআইসি সভাপতি বলেন, কোনও কাজের জন্য এখনো আমাদের পাউবোতে যেতে হয়নি। নাজির মিজান সাহেব ও পিয়ন লিটন সাহেবেই সব কাজ করছেন। তারাই আমাকেসহ অন্যান্য পিআইসিদের বিলের চেক দিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নাজির মো. মিজানুর রহমান বলেন, বাঁধের সব কাজই করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এটা তাদের এখতিয়ার। তবে তিনি কেবল বিলের চেক লিখে দিচ্ছেন জানিয়ে বলেন, আমরা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় তিনি জড়িত নই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহ বলেন, নীতিমালা অনুযায়ীই কাজ হচ্ছে। যারা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ এনেছে তা সঠিক নয়। এসব আন্দাজে বলছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স