সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ , ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‎ক্ষতিগ্রস্ত বর্গাচাষীদের পাশে ইউএনও সঞ্জয় ঘোষ ইরা’র ‘লাইট’ প্রকল্পের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত, প্রতিবাদে মানববন্ধন লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ দিনে ৭-১২ ঘণ্টা লোডশেডিং অতিষ্ঠ জনজীবন বিশ্বকাপের উন্মাদনায় আর্জেন্টাইন সমর্থকদের আনন্দ মিছিল ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, জামালগঞ্জে সুরমা নদীর ওপর হচ্ছে সেতু সরকারের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাজেট প্রত্যাখ্যান করে এনডিএফ’র বিক্ষোভ পাটের বস্তা সংকটে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম বন্ধ, ভোগান্তিতে কৃষক চিলাই নদীর বেড়িবাঁধে ধস, ঝুঁকিতে অর্ধশত গ্রাম দিল্লিতে প্রবেশে বাধা, ঢাকায় ফিরে এলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ বিদ্যালয়ে ক্লাস নিলেন ইউএনও : ইংরেজিভীতি দূর করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সদর হাসপাতালে ১০ শয্যার আইসিইউ কার্যক্রম উদ্বোধন অবৈধভাবে তিন কালভার্ট বন্ধের অভিযোগ, জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগ চরমে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে ‘লাল কার্ড’ দেখানোর আহ্বান কাজের তথ্য দিতে অপারগতা! সাংবাদিককে হুমকি-ধমকি এআই ক্যামেরা ‘কাল’ হলো বেনজীরের গোবিন্দগঞ্জ বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের ‘হাওর সুরক্ষা ও পানি ব্যবস্থাপনা’ মডেল সেরা

রোযার মৌলিক মাসায়েল

  • আপলোড সময় : ২৮-০২-২০২৬ ১১:২৫:৩৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৮-০২-২০২৬ ১১:২৯:০৭ অপরাহ্ন
রোযার মৌলিক মাসায়েল
মুফতি হাম্মাদ আহমদ মুহাদ্দিসে গাজিনগরী::>
পবিত্র রমযানের ফরয রোযা সঠিকভাবে আদায়ের জন্য এর মাসআলাগুলো জানা প্রতিটি মুসলমানের জন্য জরুরি। নিচে রোযা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মাসআলাসমূহ আলোকপাত করা হলো: যেসব কারণে রোযা ভঙ্গ হয় না- ১. অনিচ্ছাকৃত বমি হলে (মুখ ভরে হলেও) অথবা বমি কণ্ঠনালীতে এসে নিজে নিজে ভেতরে ঢুকে গেলে রোযা ভাঙবে না।
২. স্বপ্নদোষ হলে, শরীর থেকে রক্ত বের হলে বা শিঙা লাগালে রোযা ভাঙবে না। ৩. চোখে সুরমা, কাজল বা সুগন্ধি ব্যবহার করলে রোযার কোনো ক্ষতি হয় না।
৪. মশা, মাছি, ধুলাবালি বা কীটপতঙ্গ অনিচ্ছাকৃতভাবে গলার ভেতরে ঢুকে গেলে রোযা ভাঙবে না।
৫. ভুলে কিছু পানাহার করলে রোযা ভঙ্গ হয় না।
৬. শরীর বা মাথায় তেল ব্যবহার করলে রোযা ভাঙবে না।
৭. রোযা অবস্থায় অজ্ঞান বা বেহুঁশ হয়ে পড়লে রোযা ভাঙবে না।
৮. মিসওয়াক করলে রোযার কোনো সমস্যা হয় না; ইফতারের পূর্বে করলেও অসুবিধা নেই। ৯. খাবারের স্বাদ গ্রহণ না করে শুধু খাবারের ঘ্রাণ নিলে রোযা ভাঙবে না। ১০. নখ বা চুল কাটলে এবং মেয়েরা হাতে-পায়ে মেহেদি দিলেও রোযার ক্ষতি হয় না।
১১. সহবাস ছাড়া স্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হলে রোযা ভাঙবে না, তবে বীর্যপাত হওয়া যাবে না।
১২. রাতে সহবাস করে অপবিত্র অবস্থায় সাহরি খেয়ে ফজরের ওয়াক্ত হওয়ার পর গোসল করলেও রোযার সমস্যা নেই।
১৩. গরমের কারণে শরীর ঠান্ডা করতে একাধিকবার গোসল করা যাবে।
১৪. ইনজেকশন, ক্রিম, তেল, মেকআপ বা লিপস্টিক ব্যবহার করলে রোযা ভাঙবে না।
১৫. অনিচ্ছাকৃতভাবে মুখের লালা বা সর্দি গিলে ফেললে রোযা ভাঙে না।
১৬. হৃদরোগের ওষুধ বা স্প্রে জিহ্বার নিচে রাখা হলে এবং তার কোনো অংশ পেটে না গেলে রোযা ভাঙবে না। ১৭. রক্ত পরীক্ষা করা, অনিচ্ছাকৃত স্বপ্নদোষ হওয়া কিংবা নাপাক অবস্থায় সাহরি খাওয়াতে রোযা নষ্ট হয় না।
যেসব কারণে রোযা মাকরুহ হয় :
১. মুখে থুতু জমা করে গিলে ফেলা।
২. টুথপেস্ট বা কয়লা মাজন দিয়ে দাঁত ব্রাশ করা।
৩. নাপাক অবস্থায় গোসল ছাড়া সারাদিন থাকা।
৪. স্ত্রীর সাথে হাসি-ঠাট্টা করা যাতে বীর্যপাতের আশঙ্কা থাকে।
৫. রোযা রাখা অবস্থায় গুনাহের কাজ করা।
৬. অহেতুক কোনো জিনিস চিবানো।
৭. গিবত বা চুগলখোরি করা এবং অশ্লীল কথাবার্তা বলা।
যেসব কারণে কাযা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব:
১. রোযা রাখা অবস্থায় স্মরণ থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করা।
২. ইচ্ছাকৃতভাবে স্ত্রীর সাথে সহবাস করা। (এমতাবস্থায় কাযা ও কাফফারা উভয়ই আদায় করতে হবে)।
মুসাফির ও অসুস্থ ব্যক্তির বিধান : অসুস্থ ব্যক্তি যদি রোযা রাখলে অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে, তবে ইসলাম তাকে রোযা ছাড়ার অনুমতি দিয়েছে। একইভাবে মুসাফির ব্যক্তি সফর অবস্থায় রোযা ভাঙতে পারবেন, তবে পরবর্তীতে এই রোযাগুলো কাযা আদায় করা বাধ্যতামূলক।
অমুসলিম ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করলে ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিধান:
* দিনের বেলায় কোনো কাফের বা অমুসলিম যদি ইসলাম গ্রহণ করে, তবে দিনের অবশিষ্ট সময় তাকে পানাহার থেকে বিরত থাকতে হবে। তবে পূর্বের দিনগুলোর রোযা তার জন্য বাধ্যতামূলক নয়।
* কোনো বালক-বালিকা যদি দিনের বেলায় রোযা রাখার যোগ্য হয় (বালিগ হয়), তবে তাদের ওপরও সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকা ওয়াজিব।
আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে রোযার সঠিক কানুন মেনে চলার তৌফিক দান করুন-আমিন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
দিনে ৭-১২ ঘণ্টা লোডশেডিং অতিষ্ঠ জনজীবন

দিনে ৭-১২ ঘণ্টা লোডশেডিং অতিষ্ঠ জনজীবন