সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬ , ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অপরিকল্পিত বাঁধে হাওরে সর্বনাশ জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত লক্ষাধিক হেক্টর জমির ফসল শনিবার সিলেট আসছেন প্রধানমন্ত্রী শান্তিগঞ্জে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সিসি ব্লক চুরির অভিযোগ উন্নয়ন প্রকল্পে বদলাচ্ছে ৫ বিদ্যালয়ের অবয়ব দিরাইয়ে ৬ দোকান পুড়ে ছাই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন এমপি কামরুজ্জামান কামরুল আজ মহান মে দিবস তাহিরপুরে ভাঙারখাল নদীর উপর টোল-ফ্রি বাঁশের সেতু নির্মাণ, স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে ৬৪৭৬ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল ডিসি সম্মেলন শুরু ৩ মে, থাকছে ৪৯৮ প্রস্তাব সুনামগঞ্জসহ ৫ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস উদযাপিত জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেল ছায়ার হাওর কাটা ধানে গজাচ্ছে চারা জলাবদ্ধতায় ডুবছে হাওরের ধান, অসহায় কৃষক হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর পরিস্থিতি বিবেচনায় ধাপে ধাপে ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিরাইয়ে পৃথক দুই সংঘর্ষে আহত ৪০ হাওর বাঁচাতে আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের প্রস্তাব সংসদে ফজলুর রহমানের বক্তব্যে তোলপাড়

জামালগঞ্জে জলমহালে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ

  • আপলোড সময় : ২৮-০২-২০২৬ ১১:২০:০০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৮-০২-২০২৬ ১১:২০:০০ অপরাহ্ন
জামালগঞ্জে জলমহালে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার :: জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাঁক ইউনিয়নের মাতারগাঁও গ্রামে সরকারি জলমহাল ‘মাতারগাঁও গাঙ্গের আগার’-সহ ব্যক্তি মালিকানাধীন বিভিন্ন জলাশয়ে লাগাতার বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে মৎস্যস¤পদ ধ্বংসের পাশাপাশি স্থানীয় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসী। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ইজারাদার সমিতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সমিতির নিবন্ধন বাতিলের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাতারগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ও ফেনারবাঁক ইউনিয়নের ২ নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যান জন্টু তালুকদার এবং স্থানীয় বাসিন্দা টুপুর তালুকদার পৃথকভাবে গত ২৮ জানুয়ারি ও ১৯ ফেব্রুয়ারি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। লিখিত অভিযোগে বলা হয়, “মাতারগাঁও মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি” নামে একটি সংগঠন নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই নিবন্ধিত হয়েছে। সমিতির সদস্যদের অনেকেই প্রকৃত মৎস্যজীবী নন; বরং তারা কৃষি কার্ডধারী স্বচ্ছল কৃষক ও দাদন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে মৎস্যজীবী কার্ড সংগ্রহ করে এবং পরে সমবায় সমিতির মাধ্যমে জলমহাল ইজারা নিয়ে তা উচ্চমূল্যে অন্যদের কাছে সাব-ইজারা দেন। গ্রামবাসীর অভিযোগ, জলমহাল ইজারা ও সাব-ইজারা নিয়ে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরে একটি অসাধু চক্র প্রতিহিংসাবশত জলাশয়ে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন করছে। গত কয়েক বছরে একাধিকবার গভীর রাতে বিষ প্রয়োগের ঘটনা ঘটেছে। এমনকি একবার কয়েকজনকে হাতেনাতে ধরা হলেও প্রভাবশালী হওয়ায় তারা শাস্তি এড়িয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, লাগাতার বিষ প্রয়োগের কারণে শুধু মাছের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে না, বরং জলাশয়ের পানি ব্যবহার করে মানুষ ও গবাদিপশু বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ছে। গ্রামবাসীর মধ্যে চর্মরোগ, শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় পেশাদার মৎস্যজীবীরা জানান, এলাকায় প্রকৃত মৎস্যজীবীর সংখ্যা খুবই কম। অথচ জলমহাল ইজারা নেওয়ার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন নামে একাধিক সমিতি গড়ে উঠেছে, যাদের অনেকেই প্রকৃত মৎস্যজীবী নন। এ বিষয়ে জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুশফিকীন নুর বলেন, অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন আমার কাছে এসেছে। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স