সুনামগঞ্জ , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ , ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সারাদেশে সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পাহাড়ি ঢলের তান্ডবে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, চরম দুর্ভোগে সীমান্তবাসী একদিনেই দুই শিশুর মৃত্যু, জেলায় মৃতের সংখ্যা ৪৭ মধ্যনগরের ১৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমপি কামরুলের অর্থায়নে নৌকা বিতরণ পথে যেতে যেতে: পথচারী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে সওজকে আদালতের নির্দেশ ‎আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন পাঁচ মিনিটের বক্তব্যে মুগ্ধ করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ বর্ষায় নজরুল : শিল্পকলা একাডেমিতে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা মৃত্যুর শীর্ষে সুনামগঞ্জ, ৭ মাসে প্রাণ গেল ৪৫ শিশুর মধ্যনগরে শিশু ধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ‎জামালগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনে এমরান হোসেন রুবেলের দাবি রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই মাদক মামলায় জড়ানো হয়েছে ৫ গুণীজন পেলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : মির্জা ফখরুল হেফাজতের উদ্যোগে এক হচ্ছে ৭ ইসলামি দল শান্তিগঞ্জে রুস্তম আলী হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হাওর-নদী হারাচ্ছে পানি ধারণ ক্ষমতা, বাড়ছে অকাল বন্যার শঙ্কা

হাওরকে বাঁচতে দিন

  • আপলোড সময় : ২০-০৯-২০২৪ ০৯:১৯:৪২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২০-০৯-২০২৪ ০৯:১৯:৪২ পূর্বাহ্ন
হাওরকে বাঁচতে দিন
গত বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪) গ্রামীণ জনকল্যাণ সংসদ দিরাইয়ের আয়োজনে এবং হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহযোগিতায় দিরাই পৌরশহরের বাংলাদেশ ফিমেইল একাডেমির কনফারেন্স হলে ‘হাওরের ১০০ বছর ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান বলেছেন, হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পলিতে ভরে যাওয়া নদী ও হাওর খনন পরিকল্পনা, হাওরে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, উন্নতমানের ধান চাষ, বৃক্ষরোপণ, হাওরের জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ও উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আমরা হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের এইরূপ কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্যে অভিনন্দন জানাই এবং দাবি জানাই, হাওরকে বাঁচতে দিন। ব্রিটিশ আমল থেকে প্রকৃতপ্রস্তাবে ভাটিবাংলার ভূপ্রাকৃতিক পরিসরে যথোপযুক্ত ও কার্যকর কোনও উন্নয়নকাজ পরিচালিত হয়নি। যে-সব কাজ হয়েছে সে-গুলো ভাটিবাংলার প্রকৃতিবিরোধী এবং প্রকারান্তরে ভাটিবাংলার প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতার উদগাতা। অর্থাৎ ইতোমধ্যে সম্পন্ন কাজগুলো ভাটিবাংলার উন্নয়নের নামে অনুন্নয়ন ঘটিয়েছে ব্যাপক মাত্রায়। এই উন্নয়নের নামে ব্যাপক মাত্রার অনুন্নয়নের বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা সম্পাদকীয়র অপর্যাপ্ত পরিসরে পেশ করা সম্ভব নয়। সংক্ষেপে বললে বলতে হয়, মাছ-গাছসহ জলজ জৈবসম্পদের বিশাল পরিসরে মরতে মরতে যে-ক’টা হাওর, বিল, নদী, খালের অস্তিত্ব এখনও অবশিষ্ট আছে সে-গুলোও মরোমরো অবস্থায়, মাছ নেই জলাধার হয়ে গেছে। অন্যভাবে বললে বলতে হয়, ভাটিবাংলার বিশাল বিস্তৃত জলাভূমি আসলে একটি জলের মরুভূমিতে পর্যবসিত হয়েছে। ভাটিবাংলার প্রতিটি মানুষ আশা করেন, হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের হাওর উন্নয়নের রূপকল্প অচিরেই বাস্তবায়িত হবে এবং ভাটিবাংলা আবার তার অতীতের যৌবন ফিরে পাবে, আবার মাছগাছ ও জলজ জৈবসম্পদের অফুরন্ত ভা-ার হয়ে উঠবে ভাটিবাংলার জলের জগৎ।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য