সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল
মহান ভাষা দিবস পালিত

শতবর্ষী বিদ্যালয়ে নেই শহীদ মিনার, শিশুদের তৈরি কাগজের মিনারে ভাষাশহীদদের স্মরণ

  • আপলোড সময় : ২৩-০২-২০২৬ ০৯:৪৬:২০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৩-০২-২০২৬ ০৯:৪৬:২০ পূর্বাহ্ন
শতবর্ষী বিদ্যালয়ে নেই শহীদ মিনার, শিশুদের তৈরি কাগজের মিনারে ভাষাশহীদদের স্মরণ
স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জের দুর্গম হাওর উপজেলা শাল্লার শতবর্ষী চাকুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখনো স্থায়ী শহীদ মিনার নেই। তাই ১৯১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ১০৯ বছর বয়সী বিদ্যালয়ে এবারও বাঁশ কাঠে তৈরি কাগজের শহীদ মিনারে ভাষাশহীদ স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। ক্ষুদে হাতে, বাঁশ, কাঠ ও কাগজে তৈরি শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা অর্পণ করতে পেরে খুশি কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। তবে অভিভাবক ও সুধীজন বিদ্যালয়টিতে স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে নিজেদের তৈরি শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে আসা পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিয়ান তালুকদার, পারমিতা সরকার ও তৃণা দাসসহ শিক্ষার্থীরা জানান স্কুলের জুনিয়র, সিনিয়র, শিক্ষক, অভিভাবক মিলে বাঁশ, কাঠ ও কাগজে শহীদ মিনার তৈরি করেছেন। তারাও এই কাজে অংশ নিতে পেরে খুশি। তৃণা দাস বলে, আমরা কাচি দিয়ে রঙিন কাগজ কেটেছি। বাঁশ কাঠ ধরে রেখেছি। দুই তিনদিন আমরা কাজ করেছি। শেষে আজ শহীদ মিনারে আমাদের ভাষাশহীদদের স্মরণ করেছি। পারমিতা সরকার বলেন, আমরা মা বাবার কাছ থেকে শুনেছি তারা ছোটবেলায় এভাবেই শ্রদ্ধা জানাতেন। তাদের মতো আমরাও আমাদের ভাষাসংগ্রামীদের স্মরণ করেছি। কষ্ট হলেও ভালো লেগেছে। আরিয়ান তালুকদার বলে, আমাদের স্কুলটি উপজেলার অনেক পুরনো। কিন্তু একটি শহীদ মিনার নেই। স্কুলের ভবনও ভাঙ্গা। যে কোন সময় দুর্ঘটনা হতে পারে। আমাদের স্কুলে নতুন ভবন দরকার। চাকুয়া গ্রাতের অভিভাবক সমর দাস বলেন, একশ বছরের পুরনো বিদ্যালয়। একটি শহীদ মিনার নেই। এটা আমাদের জন্য লজ্জার। এই লজ্জা থেকে আজ ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা আমাদের রক্ষা করেছে। পবিত্র কচি হাতে শহিদ মিনার তৈরি করে নিজেরা শ্রদ্ধা দিয়েছে। বিদ্যালয়টিতে স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণের দাবি জানান তিনি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অসীম কুমার সিংহ বলেন, শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যাপীঠ হাওরে শিক্ষা বিস্তারে কাজ করছে। শুধু শহীদ মিনারই নয় স্কুলের ভবনটিও নড়বড়ে। সংস্কার দরকার। তিনি বলেন, যুগ যুগ ধরে শিক্ষার্থীরা নিজ হাতে বাঁশ-কাঠের মিনার তৈরি করে শহীদদের শ্রদ্ধা জানায়। এবারও জানিয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য