সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ , ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার না দেখানোর আদেশ স্থগিত তারেক রহমানের সফরের অপেক্ষায় ভারত : দীনেশ ত্রিবেদী চার্জশিট থেকে মূল আসামিসহ ৯ জনের নাম বাদ দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ধোপাজান-চলতি নদীতে বালু লুট বন্ধের দাবি মানব সমাজ, সৃজনশীলতা ও সভ্যতার বিবর্তন : সৃষ্টি ও ধ্বংসের এক অনন্ত মহাকাব্য তাহিরপুরে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে নৌপরিবহন ধর্মঘট, ব্যবসায় স্থবিরতা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে বেহাল সড়কে চরম ভোগান্তি মামলা করায় ৬ জনকে কুপিয়ে জখম, আইসিইউতে ২ হাছননগর সড়কের সংস্কারকাজ উদ্বোধন ঢলে ভেসে আসা কয়লা কুড়িয়েই চলে পাঁচ হাজার মানুষের জীবন সুবিপ্রবি’র নতুন ভিসি অধ্যাপক জাকির হুসাইন দেশ গড়তে নতুন প্রজন্মের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু হবে ‘প্যারেন্ট সার্কেল’ ও ‘বন্ধু রেজিস্টার’ সুবিপ্রবির উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ পেলেন অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর সরকার দুর্গম হাওরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস নিলেন প্রতিমন্ত্রী হাওরাঞ্চলের শিক্ষার মানোন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে স্বপ্নের উড়াল সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন ৩০ জুলাই বাবার পাশ থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ সেফটি ট্যাংক থেকে উদ্ধার, আটক ৪ “ত্রাণ চাই না, বসতভিটা রক্ষায় স্থায়ী সমাধান চাই”

জগন্নাথপুরে প্রায় অক্ষত বাঁধে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ

  • আপলোড সময় : ১৫-০২-২০২৬ ০৬:৪২:১৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৫-০২-২০২৬ ০৬:৪২:১৪ পূর্বাহ্ন
জগন্নাথপুরে প্রায় অক্ষত বাঁধে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ
জগন্নাথপুর প্রতিনিধি :: জগন্নাথপুরে প্রায় অক্ষত বাঁধ মেরামতের জন্য ৫ লাখ ১২ হাজার ১৩৭ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কুবাজপুর ও আছিমপুর গ্রামের মধ্যস্থানে অবস্থিত গোপাইলখালি ক্লোজার নামক স্থানে এ কাজ করা হয়েছে। এ ক্লোজারে অতীতে নির্মিত বাঁধ এখনো প্রায় অক্ষত আছে। এ অক্ষত বাঁধ মেরামতের জন্য ২২নং প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এতে বরাদ্দ দেয়া হয় ৫ লাখ ১২ হাজার ১৩৭ টাকা। গতকাল শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁধের উপর-বিভাগে অল্প মাটি ফেলে সুন্দর করে কাজ করা হয়েছে। এ সময় স্থানীয় পথচারীদের মধ্যে অনেকের সাথে আলাপকালে তারা তাদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অতীতে নির্মিত বাঁধটি এখনো প্রায় অক্ষত রয়েছে। তবে বাঁধের মধ্যস্থানে ছোট-খাটো ভাঙাচোরা ছিল। যা মেরামত করতে অল্প মাটির প্রয়োজন ছিল, তা হয়েছে। এ কাজের জন্য এতো টাকা কেন? যোগাযোগ করা হলে প্রকল্প সভাপতি জালাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমি অনেক দূরে আছি, পরে কথা হবে। সদস্য সচিব মুজিবুর রহমান জানান, আমি অসুস্থ আসতে পারছি না, আপনি কাজ দেখে যান। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড জগন্নাথপুর উপজেলা কর্মকর্তা শেখ ফরিদ জানান, এখানে ক্লোজার ছিল। এ জন্য প্রকল্প দেয়া হয়েছে। এটি অক্ষত বাঁধ ছিল না। হাওর বাঁচাও আন্দোলন, জগন্নাথপুর উপজেলা সভাপতি ও উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহিদুল ইসলাম বকুল বলেন, কোথাও অক্ষত বাঁধে প্রকল্প দেয়ার কথা নয়। তা যদি হয়, সরেজমিনে দেখে কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
ধোপাজান-চলতি নদীতে বালু লুট বন্ধের দাবি

ধোপাজান-চলতি নদীতে বালু লুট বন্ধের দাবি