সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই

জগন্নাথপুরে প্রায় অক্ষত বাঁধে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ

  • আপলোড সময় : ১৫-০২-২০২৬ ০৬:৪২:১৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৫-০২-২০২৬ ০৬:৪২:১৪ পূর্বাহ্ন
জগন্নাথপুরে প্রায় অক্ষত বাঁধে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ
জগন্নাথপুর প্রতিনিধি :: জগন্নাথপুরে প্রায় অক্ষত বাঁধ মেরামতের জন্য ৫ লাখ ১২ হাজার ১৩৭ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কুবাজপুর ও আছিমপুর গ্রামের মধ্যস্থানে অবস্থিত গোপাইলখালি ক্লোজার নামক স্থানে এ কাজ করা হয়েছে। এ ক্লোজারে অতীতে নির্মিত বাঁধ এখনো প্রায় অক্ষত আছে। এ অক্ষত বাঁধ মেরামতের জন্য ২২নং প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এতে বরাদ্দ দেয়া হয় ৫ লাখ ১২ হাজার ১৩৭ টাকা। গতকাল শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁধের উপর-বিভাগে অল্প মাটি ফেলে সুন্দর করে কাজ করা হয়েছে। এ সময় স্থানীয় পথচারীদের মধ্যে অনেকের সাথে আলাপকালে তারা তাদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অতীতে নির্মিত বাঁধটি এখনো প্রায় অক্ষত রয়েছে। তবে বাঁধের মধ্যস্থানে ছোট-খাটো ভাঙাচোরা ছিল। যা মেরামত করতে অল্প মাটির প্রয়োজন ছিল, তা হয়েছে। এ কাজের জন্য এতো টাকা কেন? যোগাযোগ করা হলে প্রকল্প সভাপতি জালাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমি অনেক দূরে আছি, পরে কথা হবে। সদস্য সচিব মুজিবুর রহমান জানান, আমি অসুস্থ আসতে পারছি না, আপনি কাজ দেখে যান। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড জগন্নাথপুর উপজেলা কর্মকর্তা শেখ ফরিদ জানান, এখানে ক্লোজার ছিল। এ জন্য প্রকল্প দেয়া হয়েছে। এটি অক্ষত বাঁধ ছিল না। হাওর বাঁচাও আন্দোলন, জগন্নাথপুর উপজেলা সভাপতি ও উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহিদুল ইসলাম বকুল বলেন, কোথাও অক্ষত বাঁধে প্রকল্প দেয়ার কথা নয়। তা যদি হয়, সরেজমিনে দেখে কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স