গুপ্ত দলের লোকেরা জালেম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে : তারেক রহমান
- আপলোড সময় : ০৫-০২-২০২৬ ০৮:৫৮:৩৭ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৫-০২-২০২৬ ০৮:৫৮:৩৭ পূর্বাহ্ন
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক ::
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমানে দেশে নতুন জালেমের আবির্ভাব হয়েছে। গুপ্ত দলের লোকেরা জালেম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। নতুন জালেম, যাদের মানুষ “গুপ্ত” হিসেবে চেনে, সেই জালেমদের নেতা নারীদের নিয়ে কলঙ্কিত শব্দ ব্যবহার করেছেন। এরা ইসলামের রাজনীতি করে কিন্তু নারীদের নিয়ে কীভাবে কলঙ্কিত শব্দ ব্যবহার করে।
বুধবার বরিশাল নগরীর বেলস পার্ক মাঠে নির্বাচনি জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় তারেক রহমান বলেন, দেশে নারী-পুরুষ সবাই মিলে কাজ করে। এমনকি কৃষিকাজেও পুরুষের সঙ্গে নারীরা কাজ করছেন ফসল উৎপাদনে। বিশেষ করে, গার্মেন্টস শিল্প টিকিয়ে রেখেছেন নারীরা। আর গুপ্ত রাজনৈতিক দলটি প্রকাশ্যে সেই নারীদের নিয়ে কলঙ্কিত শব্দ ব্যবহার করছে। মা-বোনের প্রতি শ্রদ্ধা নেই, সেই দলের কাছ থেকে দেশ অগ্রগতি আশা করতে পারে না।
তিনি বলেন, দেশে নারীদের শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে। নারীদের ঘরে বন্দি করে রেখে দেশের উন্নয়ন কোনও দিনই সম্ভব নয়। দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে না। গুপ্ত সংগঠন নারী সমাজের বিরুদ্ধে অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করে তাদের দূরে ঠেলে রাখতে চাচ্ছে।
গুপ্ত সংগঠনের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, কুমিল্লা জেলায় বাড়ি গুপ্ত সংগঠনের এক নেতা তার নেতাকর্মীদের বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জনগণের পা ধরতে, নির্বাচনের পর জনগণ তাদের পা ধরবে। এসব লোক নির্বাচিত হলে দেশের কী অবস্থা হবে তা ভেবে দেখতে বলেন তিনি।
তিনি বলেন, সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নারীদের শিক্ষা বিনামূল্যে করেছিলেন। এইচএসসি পর্যন্ত মেয়েরা বিনামূল্যে লেখাপড়ার সুযোগ পাচ্ছে। আগামীতে আমরা দায়িত্ব পেলে নারীদের উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তাদের শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে কর্মজীবী করে গড়ে তুলতে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে দেশের বড় একটি অংশ বেকার যুবক। তাদের কর্মক্ষম করে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ভোলার গ্যাস ব্যবহার করে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে সেখানে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
বরিশাল অঞ্চলের উন্নয়ন প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এ অঞ্চলে কৃষিজমি বেশি। এ কারণে কৃষকও ফসল উৎপাদনে বেশি মনোযোগী। কিন্তু সেভাবে তারা মূল্য পাচ্ছে না। তারা যাতে ফসলের ন্যায্য মূল্য পান এ জন্য একাধিক হিমাগারের ব্যবস্থা করা হবে। সেই হিমাগারে উৎপাদিত ফসল রাখা হলে কৃষক তার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে পারবে। কৃষকদের জন্য কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে। সেই কার্ড দিয়ে কৃষক তার জমি অনুপাতে সার ও বীজসহ বিভিন্ন কৃষি পণ্য বিনামূল্যে সংগ্রহ করতে পারবেন। এমনকি যাদের ১০ হাজার টাকা কৃষি ঋণ রয়েছে, দেশের দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা মওকুফ করা হবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

সুনামকন্ঠ ডেস্ক