সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ , ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর হাওরে আশা-নিরাশার দোলাচল জামালগঞ্জে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল এমপি কলিম উদ্দিন মিলনকে সংবর্ধনা প্রদান জগন্নাথপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০
ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ

‘অযোগ্য’ পিআইসি বাতিলের দাবি

  • আপলোড সময় : ২৯-০১-২০২৬ ০৯:০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৯-০১-২০২৬ ০৯:০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
‘অযোগ্য’ পিআইসি বাতিলের দাবি
দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি ::
দোয়ারাবাজার উপজেলার কালনার হাওর (পোল্ডার-৩) এলাকার ফসলরক্ষা বাঁধ পুনঃনির্মাণে ১৭নং পিআইসি (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) গঠনে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ, নীতিমালার তোয়াক্কা না করে প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে ‘অযোগ্য’ ব্যক্তিদের নিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) এলাকাবাসীর পক্ষে নাহিদুজ্জামান প্রান্ত স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ জেলা প্রশাসক ও জেলা কাবিটা কমিটির সভাপতি বরাবর জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, কালনার হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের জন্য সম্প্রতি ১৭ নং পিআইসি চূড়ান্ত করা হয়েছে। কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, এই কমিটির সভাপতি এবং সদস্য সচিবের বাঁধার পাশে কোনো নিজস্ব জমি নেই। কাবিটা নীতিমালা অনুযায়ী, হাওর রক্ষা বাঁধের পিআইসিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রকৃত সুবিধাভোগী ও কৃষকদের থাকার কথা। কিন্তু জমি না থাকা ব্যক্তিদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করায় বাঁধের কাজের মান এবং স্থায়িত্ব নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। লিখিত আবেদনে এলাকাবাসী আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, যাদের কোনো জমি নেই, তারা বাঁধের গুরুত্ব সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারবেন না। অযোগ্য কমিটির মাধ্যমে কাজ হলে বাঁধের গুণগত মান বজায় থাকবে না। বাঁধ সঠিক সময়ে ও শক্তভাবে নির্মাণ না হলে পাহাড়ি ঢলে হাওরের হাজার হাজার একর ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবেদনকারী নাহিদুজ্জামান প্রান্ত বলেন, আমরা চাই স্বচ্ছতার ভিত্তিতে যোগ্য ও প্রকৃত কৃষকদের নিয়ে কমিটি পুনর্গঠন করা হোক। স্বল্প সময়ের মধ্যে এই বাঁধের কাজ শেষ করতে না পারলে কালনার হাওরের ফসল হুমকির মুখে পড়বে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) দোয়ারাবাজার উপজেলার শাখা কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন বলেন, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় ভালো জানেন। পিআইসি কমিটি গ্রহণ ও বাতিলের বিষয়টি স্যার সিদ্ধান্ত নেবেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স