সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ, সুনামগঞ্জে যুবদলের মিছিল সমাবেশ ‎বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে হাওরের সড়কজুড়ে শতাধিক তালগাছের চারা রোপণ ‎জাতিসংঘে তারেকের প্রথম ভাষণ, সামনে বাংলাদেশের নতুন বার্তা ‎বাংলা কিউআর বাস্তবায়ন নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতবিনিময় সভা ও র‍্যালি রাজউকের নকশা অনুমোদনে ওয়ানস্টপ, প্রকল্পে জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় জনসাধারণের ক্ষোভ তাহিরপুরে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি বহিষ্কার সোনালী চেলা নদীতে ড্রেজারের তান্ডব থামেনি সাদাসিধে জীবন, আলোকিত কর্মযাত্রা নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সুনামগঞ্জ সদরে উপজেলা পর্যায়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বিএনপি নেতা জালাল উদ্দিন ফারুকীকে দল থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ফুটবল উৎসব উদ্বোধন প্রকল্পের অপেক্ষায় ভাগাড়ে পরিণত পুরাতন পৌরসভা চত্বর কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর পদক্ষেপের দাবিতে মানববন্ধন সফর সংক্ষিপ্ত, কূটনৈতিক কর্মসূচি বিস্তৃত: নিউইয়র্কে তারেক রহমান নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি ঢাকা-সিলেট সড়কের ৬ লেনের নির্মাণকাজ শেষ হবে ২৯ সালে : সড়কমন্ত্রী দিরাই সরকারি ডিগ্রি  কলেজে ‎"অধ্যক্ষ বিহীন ১৭ বছর" ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক উন্নয়নে ১৭৪ কোটি টাকার কাজ উদ্বোধন ভিপি জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে মমতাজ বেগম

গিরিশনগরে ফসলরক্ষা বাঁধের প্রকল্প নেই, অরক্ষিত থাকবে কনছখাই হাওর

  • আপলোড সময় : ২৮-০১-২০২৬ ০৮:৩৬:৫০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৮-০১-২০২৬ ০৮:৩৭:৪৩ পূর্বাহ্ন
গিরিশনগরে ফসলরক্ষা বাঁধের প্রকল্প নেই, অরক্ষিত থাকবে কনছখাই হাওর
মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী ::
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের খাসিয়ামারা নদীর বাম তীর টিলাগাঁও-গিরিশনগর গ্রাম ঘেঁষে নির্মিত সড়ক-কাম-বেড়িবাঁধটি বর্তমানে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এখানে এ বছর ফসলরক্ষা বাঁধের কোন প্রকল্প নেই। এতে অরক্ষিত থেকে যাবে কনছখাই হাওর। টেংরাবাজার থেকে টিলাগাঁও রাবারড্যাম পর্যন্ত বিস্তৃত এই বাঁধটি যে কোনো সময় পাহাড়ি ঢল বা অতিবৃষ্টিতে ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে টিলাগাঁও গ্রামের ফরিদ মিয়ার বাড়ি থেকে বল্লবপুরীর বাড়ি পর্যন্ত অংশে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন স্থানে নদীর স্রোতের কারণে মাটি সরে গিয়ে বাঁধের ভিত নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। এতে সামান্য ঢলেই বাঁধ ধসে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কথা সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হলেও আজ পর্যন্ত টেকসই কোনো সংস্কার হয়নি। বর্ষা মৌসুম এলেই আশ্বাস দেওয়া হয়, কিন্তু স্থায়ী সমাধান আর আসে না। কৃষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে তারা বোরো আবাদে বীজতলা তৈরি ও চারা রোপণে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। এই সড়ক-কাম-বেড়িবাঁধই এখন তাদের শেষ ভরসা। বাঁধ ভেঙে গেলে টিলাগাঁও, গিরিনগরসহ কনছখাই হাওরের হাজারো একর বোরো ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর আগেও পাহাড়ি ঢলে এই এলাকায় ধান তলিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। সেই ভয়াবহ স্মৃতি এখনো তাড়া করে বেড়াচ্ছে কৃষকদের। শুধু ফসল নয়, এই বাঁধটি এলাকার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। বাঁধ ভেঙে পড়লে যোগাযোগ ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। সচেতনমহলের মতে, দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো শক্তিশালীভাবে সংস্কার না করা হলে কনছখাই হাওর অঞ্চলের বোরো উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে, যা সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ বিষয়ে সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ বলেন, খাসিয়ামারা নদীর বাম তীরের ফসল রক্ষা বাঁধটি অত্যন্ত জরুরি। এখানে বাঁধ না হলে হাওরের ফসল রক্ষা করা সম্ভব হবে না। সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান মাস্টার বলেছেন, টিলাগাঁও থেকে টেংরাবাজার পর্যন্ত সড়কটি সড়ক কাম বেড়িবাঁধে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন করা না হলে বিস্তীর্ণ এলাকা ও কনছখাই হাওর ঝুঁকিপূর্ণ থেকে যাবে। ইউপি সদস্য মাসুদ মিয়া জানান, এখানে ফসল রক্ষা বাঁধের কোন প্রকল্প নেই। এতে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে কনছখাই হাওর। এখানে দ্রুত ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা প্রয়োজন। অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) দোয়ারাবাজার উপজেলার শাখা কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন জানান, খাসিয়ামারা নদীর বাম তীরে ফসল রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ