সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬ , ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি দল স্বৈরাচার দলটির মতো ভাষা ব্যবহার করছে : তারেক রহমান গিরিশনগরে ফসলরক্ষা বাঁধের প্রকল্প নেই, অরক্ষিত থাকবে কনছখাই হাওর অগণতান্ত্রিক শক্তি রুখতে ‘না’ ভোটকে বিজয়ী করার আহ্বান সংসদ সদস্য প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের তারেক রহমানের নেতৃত্বে হাওরাঞ্চলের উন্নয়ন করা হবে : কামরুজ্জামান কামরুল অনেক বাঁধে মাটিই পড়েনি, প্রশাসনের দাবি ৩০% কাজ শেষ জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও দায় মুক্তি নির্ধারণে অধ্যাদেশ জারি ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করা হলো ঘোড়াটিকে লঞ্চঘাট এলাকাকে শহরের অন্যতম নান্দনিক স্থান হিসেবে গড়ে তোলা হবে : ডিসি বিএনপি’র সঙ্গে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকতে মরিয়া জামায়াত শান্তিগঞ্জে ফসলরক্ষা বাঁধ পরিদর্শনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তাপস শীল শিক্ষাব্যবস্থায় বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি-আরবি যুক্ত করা হবে : জামায়াতের আমির দেশে সিস্টেমের পরিবর্তন চাইলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিন : জেলা প্রশাসক সরিষা চাষে দ্বিগুণ লাভবান হাওর অঞ্চলের কৃষকরা ২৫০ পিস শিসা বুলেটসহ আটক ১ ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সংকট, জনমনে অসন্তোষ গুরুত্বপূর্ণ ক্লোজারে কাজ শুরু হয়নি ভোটের মাঠে উত্তাপ : প্রচারণায় বাড়ছে বিষোদগার ও অসহিষ্ণুতা এই মাটির সন্তান হিসেবে আপনাদের সেবা করতে চাই : নাজমুল হুদা হিমেল খরচার হাওরে খাল সেচে মাছ লুট ফ্যামিলি কার্ডে মিলবে সব সরকারি সুবিধা : তারেক রহমান

জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও দায় মুক্তি নির্ধারণে অধ্যাদেশ জারি

  • আপলোড সময় : ২৭-০১-২০২৬ ০৯:১৭:২৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০১-২০২৬ ০৯:১৭:২৫ পূর্বাহ্ন
জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও দায় মুক্তি নির্ধারণে অধ্যাদেশ জারি
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও দায় মুক্তি নির্ধারণে অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) রাষ্ট্রপতির সই করা এই অধ্যাদেশ জারি করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে ফ্যাসিস্ট শাসকের পতন ঘটানোর মাধ্যমে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য একটি সর্বাত্মক গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করে, যা পরবর্তীকালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান হিসাবে স্বীকৃতি পায়। জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্দেশে পরিচালিত নির্বিচার হত্যাকা- ও সশস্ত্র আক্রমণ প্রতিরোধ এবং জনশৃঙ্খলা পুনর্বহাল ও নিশ্চিত করার জন্য আত্মরক্ষাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অনিবার্য হয়ে উঠে। যেহেতু উপরি-উক্ত প্রতিরোধে এবং জনশৃঙ্খলা পুনর্বহাল ও নিশ্চিত করার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী গণঅভ্যুত্থানকারীদের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৬ অনুযায়ী সুরক্ষা প্রদান করা প্রয়োজন। যেহেতু সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় রয়েছে এবং রাষ্ট্রপতির কাছে তা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রয়েছে; সেহেতু সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৩(১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করলেন। এই অধ্যাদেশ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ নামে অভিহিত হবে এবং অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে বলবৎ হয়েছে বলে গণ্য হবে। মামলা প্রত্যাহার ও নতুন মামলা দায়ের নিষেধ : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসরণ করে প্রত্যাহার করা হবে এবং ধারা ৫ এর বিধান সাপেক্ষে, এ স¤পর্কিত নতুন কোনও দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের আইনত বারিত হবে। যেক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক এই মর্মে প্রত্যয়ন করা হয় যে, কোনও গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে কোনও মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করার কারণে দায়ের করা হয়েছে, তাহলে পাবলিক প্রসিকিউটর বা সরকার নিযুক্ত কোনও আইনজীবী উক্ত প্রত্যয়নের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন দাখিল করবেন; উক্ত আবেদন দাখিলের পর আদালত উক্ত মামলা বা কার্যধারা সম্পর্কে আর কোনও কার্যক্রম গ্রহণ করবে না, তা প্রত্যাহারকৃত বলে গণ্য হবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি অবিলম্বে অব্যাহতিপ্রাপ্ত বা, ক্ষেত্রমত, খালাসপ্রাপ্ত হবেন। কতিপয় কার্য সংক্রান্ত অভিযোগ ও তদন্ত : কোনও গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে হত্যাকা- সংঘটনের অভিযোগ থাকলে তা কমিশনে দাখিল করা যাবে এবং কমিশন উক্ত অভিযোগ তদন্তের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৬২ নম্বর অধ্যাদেশ) এ যা কিছু থাকুক না কেন, যেক্ষেত্রে হত্যাকা-ের শিকার ব্যক্তি কোনও প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন, সেক্ষেত্রে কমিশন উক্ত প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীতে বর্তমানে বা পূর্বে কর্মরত কোনও কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব প্রদান করবে না; তদন্ত চলাকালে আসামিকে গ্রেফতার বা হেফাজতে গ্রহণ করার প্রয়োজন হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা যুক্তিসংগত কারণ উল্লেখ করে কমিশনের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করবেন। এই উপ-ধারায় ‘প্রতিষ্ঠান’ বা ‘বাহিনী’ অর্থ বাংলাদেশের কোনও আইন দ্বারা বা আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত কোনও প্রতিষ্ঠান বা বাহিনী। যেক্ষেত্রে কমিশনের তদন্তে প্রতীয়মান হয় যে, অভিযোগে উল্লিখিত কার্য বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার ছিল, সেক্ষেত্রে কমিশন সংশ্লিষ্ট এক্তিয়ারস¤পন্ন আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবে; অতঃপর আদালত উক্ত প্রতিবেদনকে পুলিশ প্রতিবেদন সমতুল্য গণ্য করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করবে। কমিশনের তদন্তে প্রতীয়মান হয় যে, অভিযোগে উল্লিখিত কার্য রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ ছিল, সেক্ষেত্রে কমিশন উপযুক্ত মনে করলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদানে সরকারকে আদেশ প্রদান করতে পারবে; এবং উক্ত ক্ষেত্রে কোনও আদালতে সংশ্লিষ্ট কার্য সম্পর্কিত কোনও মামলা দায়ের করা যাবে না কিংবা অন্য কোনও আইনগত কার্যধারা গ্রহণ করা যাবে না। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা : সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ পূরণকল্পে, বিধি প্রণয়ন করতে পারবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স