শান্তিগঞ্জের জামখলা হাওর
গুরুত্বপূর্ণ ক্লোজারে কাজ শুরু হয়নি
- আপলোড সময় : ২৫-০১-২০২৬ ০৯:২৪:২৯ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৫-০১-২০২৬ ০৯:২৪:২৯ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ::
শান্তিগঞ্জে ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে। গুরুত্বপূর্ণ ক্লোজারে কাজ শুরু না হওয়ায় অরক্ষিত রয়েছে জামখলা হাওর।
উপজেলার কাবিটা স্কীম প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন মনিটরিং কমিটির উদ্যােেগ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে হাওর এলাকায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামত/সংস্কার/স্কীম প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন্য ১৫ ডিসেম্বর কাজ শুরু করে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাজ স¤পন্ন করার সময়সীমা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের ৪০ দিন পর আজো বাঁধের কাজের কোন অগ্রগতি খুঁজে পাওয়া যায়নি।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দিনব্যাপী উপজেলার জামখলা হাওরের সবকয়টি পিআইসি সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, হাওরের গুরুত্বপূর্ণ ক্লোজার সল্লার দাইড়, ফটইখাড়া, শামবাড়ী ও মাছুখালী এখনো অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। ক্লোজারগুলোতে এখনো বিন্দুমাত্র কাজ শুরু হয়নি। এমনকি কবে কাজ শুরু হবে এ ধরনের ধারণাও পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনকৃত পিআইসিগুলো হলো জামখলা হাওরের ২০, ২১, ২২, ৪৯, ৫০ ও ৫১। এই পিআইসিগুলোর আওতাভুক্ত কোন ক্লোজারের কাজ দৃশ্যমান হয়নি।
জামখলা হাওরের ২১ নং পিআইসির স¤পাদক হাবিবুর রহমান বলেন, আগামীকাল (আজ রবিবার) থেকে আমাদের ২১নং পিআইসির কাজ শুরু হবে।
৫০নং পিআইসি সভাপতি মকুল মিয়া বলেন, আজ থেকে কাজ শুরু করেছি।
এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা কাবিটা স্কিম প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও পাউবো’র উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান মোহন বলেন, উপজেলায় ৬৭টি প্রকল্প রয়েছে। সবগুলোতে কাজ শুরু হয়েছে।
শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও কাবিটা স্কিম প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, আমি গতকাল (শুক্রবার) এই ক্লোজারগুলোর কাজ পরিদর্শন করেছি এবং কাজ শুরুর নির্দেশনা দিয়ে এসেছি।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী ও জেলা কমিটির সদস্য সচিব মো. ইমদাদুল হক বলেন, শান্তিগঞ্জ উপজেলার কাবিটা স্কীম প্রণয়ন নীতিমালার আওতাধীন ৬৭টি পিআইসির কাজ চলমান রয়েছে। জামখলা হাওরে স্থায়ী বাঁধ প্রকল্পের কাজও চলমান রয়েছে। স্থায়ী বাঁধ প্রকল্পের কাজটি ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে পারব। সেটি জনগণের উপকারে আসবে। এছাড়া ৬৭টি প্রকল্পের কাজ নির্বাচনের পূর্বে ৭২-৮০ শতাংশ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। বাকি কাজ নির্ধারিত ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করতে পারব। খাই হাওরে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রসঙ্গে নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে স্থায়ী বাঁধ প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ