জেলা সেচ কমিটির সভা
সেচ সংকটে আবাদ ব্যাহত হতে দেওয়া যাবে না : জেলা প্রশাসক
- আপলোড সময় : ১৫-০১-২০২৬ ১০:৪৫:২৯ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৫-০১-২০২৬ ১০:৪৫:২৯ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জে চলতি মৌসুমের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সেচ কার্যক্রম সুসংহত করার লক্ষ্যে জেলা সেচ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।
সভায় জানানো হয়, সুনামগঞ্জ জেলায় “সিলেট বিভাগে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবস্থাপনা ও ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পে”র আওতায় ২০২৫-২৬ বোরো সেচ মৌসুমে ৪০ কি.মি. খাল পুনঃখনন, ৩০ কি.মি. খাল সংস্কার, ১৫ টি নতুন ৫ কিউসেক এলএলপি সেচযন্ত্র, ৯ টি নতুন ২ কিউসেক এলএলপি সেচযন্ত্র, ১০ টি নতুন ১.৫ কিউসেক গভীর নলকূপ, ২৫ টি পুরাতন ৫ কিউসেক এলএলপি স্কীমে ভূগর্ভস্থ পাইপলাইন বর্ধিতকরণ, ১৫ টি পুরাতন ২ কিউসেক এলএলপি স্কীমে ভূগর্ভস্থ পাইপলাইন বর্ধিতকরণ, ১০ টি পুরাতন ১.৫/২ কিউসেক গভীর নলকূপ স্কীমে ভূগর্ভস্থ পাইপলাইন বর্ধিতকরণ, ১৬ টি কালভার্ট, ২ টি স্লুইসগেইট, ৪ টি গোপাট, ৩ টি জলাবদ্ধতা নিরসনে পাইপলাইন সরবরাহ, ২ টি থ্রেশিং ফ্লোর নির্মাণকাজের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিএডিসি সুনামগঞ্জ জোন এর সহকারী প্রকৌশলী (সওকা) কাজী হোসনে আর রাফি’র সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আয়েশা আক্তার, সময় টিভির রিপোর্টার হিমাদ্রি শেখর ভদ্র, দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মো. আব্দুল শহীদ, দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ’র প্রতিবেদক তানভীর আহমেদ, আবু হানিফ প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, এই জেলার অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর। বোরো ফসল এই অঞ্চলের প্রধান আয়ের উৎস। সেচ সংকটের কারণে কোনোভাবেই যেন কৃষকের আবাদ ব্যাহত না হয়, সেদিকে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। সরকারি নির্দেশনা মেনে সঠিক সময়ে সেচ সুবিধা পৌঁছে দিলে আমরা কাক্সিক্ষত উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারব।
তিনি আরও বলেন, হাওরের অভিজ্ঞ কৃষক ও হাওর বিষয়ে যাদের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান রয়েছে, তাদের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। সর্বোপরি প্রকল্প বাস্তবায়নে যেন কোনো ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়ম না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।
জেলা প্রশাসক বলেন, সেচের অভাবে যেন কোনো জমি পতিত না পড়ে, সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে জেলার নদীগুলোতে কেউ যাতে অবৈধভাবে বাঁধ দিতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এসময় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) মো. ফারুক আহাম্মেদসহ কৃষি বিভাগ, বিএডিসি কর্মকর্তাগণ, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ