সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

২৯৫টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম বেঁধে দেবে সরকার

  • আপলোড সময় : ০৯-০১-২০২৬ ১০:১১:৩০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-০১-২০২৬ ১০:১১:৩০ পূর্বাহ্ন
২৯৫টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম বেঁধে দেবে সরকার
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: নতুন করে ১৩৫টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় তালিকায় যুক্ত করে ২৯৫টি ওষুধকে ‘অত্যাবশ্যকীয়’ ওষুধের তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি সেগুলো বিক্রির জন্য নির্দিষ্ট দাম বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী মো. সায়েদুর রহমান ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান। ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, একটি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা করা হয়েছে যেখানে ২৯৫টি এবং উপদেষ্টা পরিষদের সভায় আরও একটি দুটি ড্রাগের অন্তর্ভুক্তির অনুরোধ এসেছে। সেগুলো অন্তর্ভুক্ত হলে ২৯৫ বা ২৯৬ টা ওষুধ হবে। এগুলোকে বলা হচ্ছে অত্যাবশ্যক ওষুধ। তিনি আরও বলেন, গত তালিকার চাইতে এবারে ১৩৫-১৩৬টি ওষুধ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে নতুনভাবে এবারের তালিকায়। মূল ব্যাপার হচ্ছে যে এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ওষুধগুলো সরকার কর্তৃক একটি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করতে হবে। দাম কীভাবে বেঁধে দেওয়া হবে সেই ব্যাখায় তিনি বলেন, মূল ব্যাপার যেটা ঘটবে সেটা হচ্ছে যে এ অত্যাবশ্যক ওষুধের তালিকাভুক্ত ওষুধগুলোর সবগুলোর মূল্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হবে। এ নির্ধারিত মূল্যের বাইরে যারা আছেন তাদেরকে এ মূল্যে পর্যায়ক্রমে আসতে হবে। যারা ওপরে আছেন তাদেরকেও নেমে আসতে হবে, যারা নিচ থেকে যাবেন তারা ইচ্ছা করলে ওপরে উঠতে পারেন অথবা থাকবেন। দাম নির্ধারণে পর্যায়ক্রমের চার বছর সময় দেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সায়েদুর রহমান বলেন, এই ওষুধগুলো বাংলাদেশের সাধারণভাবে আপনারা সবাই জানেন যে অত্যাবশ্যক ওষুধ মাত্রই এটা শতকরা ৮০ ভাগ মানুষের সব রোগ ব্যাধি চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট। অতএব এ ওষুধগুলোর ওপর মূল্য নিয়ন্ত্রণ সরাসরিভাবে বাংলাদেশের শতকরা ৮০ ভাগ মানুষের চিকিৎসা প্রাপ্যতা এবং ওষুধের প্রাপ্যতা ওপর প্রভাব ফেলবে। অতএব এটা একটা বলা যায় একটা যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। এর বাইরে আরও এক হাজার ১০০ ওষুধ আছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মূল্য ঠিক করে না দিলেও একটা দামের পরিধি বেঁধে দেওয়া হবে বলেও সায়েদুর রহমান জানান। তিনি বলেন, কোনো ওষুধ ১০-২০ টাকায় বিক্রি হলে সেটি ঠিক করা হবে ১৫ টাকায়। এবং এর সঙ্গে যোগ-বিয়োগ ১৫ শতাংশ রেঞ্জ রাখা হবে। মূল্য নির্ধারণের নীতিমালারও অনুমোদন মিলেছে সভায়। দ্রুতই তা প্রকাশ পাবে। এটা করা হলে আর কোনো ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণ ছাড়া থাকবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স