সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬ , ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অপরিকল্পিত বাঁধে হাওরে সর্বনাশ জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত লক্ষাধিক হেক্টর জমির ফসল শনিবার সিলেট আসছেন প্রধানমন্ত্রী শান্তিগঞ্জে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সিসি ব্লক চুরির অভিযোগ উন্নয়ন প্রকল্পে বদলাচ্ছে ৫ বিদ্যালয়ের অবয়ব দিরাইয়ে ৬ দোকান পুড়ে ছাই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন এমপি কামরুজ্জামান কামরুল আজ মহান মে দিবস তাহিরপুরে ভাঙারখাল নদীর উপর টোল-ফ্রি বাঁশের সেতু নির্মাণ, স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে ৬৪৭৬ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল ডিসি সম্মেলন শুরু ৩ মে, থাকছে ৪৯৮ প্রস্তাব সুনামগঞ্জসহ ৫ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস উদযাপিত জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেল ছায়ার হাওর কাটা ধানে গজাচ্ছে চারা জলাবদ্ধতায় ডুবছে হাওরের ধান, অসহায় কৃষক হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর পরিস্থিতি বিবেচনায় ধাপে ধাপে ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিরাইয়ে পৃথক দুই সংঘর্ষে আহত ৪০ হাওর বাঁচাতে আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের প্রস্তাব সংসদে ফজলুর রহমানের বক্তব্যে তোলপাড়

শীতের দাপটে বেড়েছে গরম কাপড়ের চাহিদা

  • আপলোড সময় : ০১-০১-২০২৬ ০৮:৪৫:০৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-০১-২০২৬ ০৮:৪৬:০০ পূর্বাহ্ন
শীতের দাপটে বেড়েছে গরম কাপড়ের চাহিদা
স্টাফ রিপোর্টার ::
পৌষের মাঝামাঝিতে সুনামগঞ্জে জেঁকে বসেছে শীত। টানা তিনদিন ধরে হিমেল হাওয়া আর কুয়াশার দাপটে জনজীবনে কিছুটা স্থবিরতা আসলেও, প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে শহরের ফুটপাতের কাপড়ের দোকানগুলোতে। হাড়কাঁপানো শীত থেকে বাঁচতে সাশ্রয়ী মূল্যে গরম কাপড় কিনতে এসব দোকানে ভিড় করছেন নি¤œ ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের ট্রাফিক পয়েন্ট, ডিএস রোড, কোর্ট পয়েন্ট সংলগ্ন ফুটপাতগুলোতে দেখা গেছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। ভ্যানগাড়ি ও অস্থায়ী চৌকিতে সাজানো সোয়েটার, জ্যাকেট, মাফলার, কানটুপি ও কম্বল কেনায় ব্যস্ত সবাই। বিশেষ করে শিশুদের কাপড়ের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। কেনাকাটা করতে আসা সাদিকুর রহমান জানান, মার্কেটগুলোতে কাপড়ের দাম অনেক বেশি, কিন্তু ফুটপাতে যাচাই-বাছাই করে সাশ্রয়ী দামে ভালো মানের সোয়েটার ও জ্যাকেট পাওয়া যায়। তাই এখান থেকেই কেনাকাটা করছি। দিনমজুর রফিক মিয়া বলেন, আমরার কি আর এতো টাকা আছে, যে মার্কেট থেকে কিনমু! ভ্যানগাড়ি থেকে ১০০-২০০ টাকার মধ্যেই কিনতে হইবো। বিক্রেতারা জানান, শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে বিক্রিও বহুগুণ বেড়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
বড়দের জ্যাকেট প্রকারভেদে ১০০ থেকে ৪০০ টাকা এবং শিশুদের সেট ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান তারা। বিক্রেতা লতিফ মিয়া বলেন, তিন-চার দিন ধরে কিছু বিক্রি হচ্ছে। এখন মোটামুটি ৩-৪ হাজার টাকার কাপড় বিক্রি করা যাচ্ছে। এমন শীত থাকলে আরও বেশি বেচা যাবে।
জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, শীতার্তদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে জেলার বিভিন্ন মাদ্রাসায় ও গ্রামেগঞ্জের মানুষের মাঝে আমরা শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি। শীতার্তদের পাশে জেলা প্রশাসন সবসময় থাকবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স