সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬ , ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী ইভটিজিং প্রতিরোধে শহরে পুলিশের বিশেষ অভিযান বাঁধ দুর্বল, আকাশে মেঘ, দুশ্চিন্তায় হাওরপাড়ের কৃষক নষ্ট হওয়ার পথে হাজারো হেক্টর জমির ধান ‎জামালগঞ্জে অবৈধভাবে মজুত ২ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ ইরানকে ১০ দিনের আলটিমেটাম ট্রাম্পের কার্ডের মাধ্যমে আড়াই হাজার টাকার সার-বীজ দেওয়া হবে কৃষকদের সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করতে ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার পরিকল্পনা তাহিরপুরে সেতুর অভাবে যুগ যুগ ধরে দুর্ভোগে চার গ্রামের মানুষ ভূমধ্যসাগরে নিহত ১২ যুবকের পরিবারে কান্না থামছেনা, ৯ দালালের বিরুদ্ধে মামলা হামের লক্ষণ নিয়ে দুই শিশু হাসপাতালে ভর্তি, আরও একজনকে সিলেটে রেফার হাওরের ধান ঘরে তুলতে জেলা প্রশাসনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি ‎জামালগঞ্জে ফসল রক্ষা বাঁধ পিআইসি কমিটির সভা জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরে চলছে বাদাঘাট পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের কার্যক্রম ছাতকে ‘দুর্বল বাঁধ’ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক দেখার হাওরের জলাবদ্ধতা দ্রুত নিরসনের দাবি ভূমধ্যসাগরে গ্রিসগামী নিহত ১২ যুবকের মরদেহ পেতে স্বজনদের আকুতি ভূমধ্যসাগর ট্র্যাজেডি : একমাত্র পুত্রের শোকে প্রবাসী পিতা আইসিইউতে, লাশ ফেরত পেতে মায়ের আকুতি সব হারিয়ে ব্যবসায়ীরা নিঃস্ব, প্রায় ৯ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি, তদন্ত কমিটি গঠন হক সুপার মার্কেটসহ একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

জগন্নাথপুর পৌর এলাকায় পানি সরবরাহ প্রকল্প দ্রুত চালু করুন

  • আপলোড সময় : ২৮-১২-২০২৫ ০৮:৩২:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৮-১২-২০২৫ ০৮:৩২:৫৪ পূর্বাহ্ন
জগন্নাথপুর পৌর এলাকায় পানি সরবরাহ প্রকল্প দ্রুত চালু করুন
বিশুদ্ধ পানি মানুষের মৌলিক অধিকার। অথচ সেই মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে নেওয়া একটি সরকারি প্রকল্প সাত বছরেও শেষ না হওয়ায় জগন্নাথপুর পৌরসভা আজ চরম পানিসংকটে ভুগছে। ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্পটি সময়মতো শেষ হলে আজ লক্ষাধিক মানুষকে প্রতিদিন এমন দুর্ভোগ পোহাতে হতো না। ২০১৮ সালে একনেক অনুমোদিত এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল জগন্নাথপুর পৌরসভার প্রায় দুই লাখ মানুষকে নিরাপদ পানি ও উন্নত স্যানিটেশন সুবিধার আওতায় আনা। কিন্তু বাস্তবতা হলো- গ্রাউন্ড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট তৈরি হলেও বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় তা অচল পড়ে আছে। সাত বছরে ২৬ কিলোমিটার পাইপলাইনের মধ্যে এখনো পূর্ণাঙ্গ নেটওয়ার্ক চালু হয়নি। ফলে কোটি টাকা ব্যয়ের অবকাঠামো আজ কার্যত নিষ্ক্রিয়। এই দীর্ঘসূত্রতার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ঠিকাদারের অবহেলা, দায়িত্বশীল সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতা এবং বিদ্যুৎ সংযোগে চরম গাফিলতি। আরও উদ্বেগজনক হলো- একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কাজ বন্ধ থাকলেও কার্যকর কোনো জবাবদিহি বা দৃশ্যমান ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না। দীর্ঘ সময় ধরে ঠিকাদার উধাও থাকলেও কেন চুক্তি বাতিল বা বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হলো না, সে প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর নেই। পানি সংকটের প্রভাব ইতোমধ্যে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়ায় হাজারো নলকূপ অকেজো হয়ে পড়েছে। নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের কষ্ট বেড়েছে বহুগুণ। বিশুদ্ধ পানির অভাবে ডায়রিয়া, চর্মরোগসহ নানা পানিবাহিত রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে। এটি শুধু একটি উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যর্থতা নয়; এটি জনস্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি আঘাত। দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা আশ্বাস দিচ্ছেন ‘কয়েক মাসের মধ্যে’ পানি সরবরাহ শুরু হবে। কিন্তু সাত বছরের অভিজ্ঞতা পৌরবাসীকে আশ্বাসে আর ভরসা রাখতে শেখায়নি। এখন প্রয়োজন সময়ভিত্তিক স্পষ্ট রোডম্যাপ, বিদ্যুৎ সংযোগে জরুরি হস্তক্ষেপ এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে কঠোর তদারকি। সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প জনগণের করের টাকায় বাস্তবায়িত হয়। সুতরাং এসব প্রকল্পে বিলম্ব বা ব্যর্থতার দায় কাউকে না কাউকে নিতেই হবে। জগন্নাথপুরের এই পানি সরবরাহ প্রকল্প দ্রুত চালু করা শুধু প্রয়োজনই নয় - এটি এখন নৈতিক দায়িত্ব। অন্যথায় ‘উন্নয়ন’ শব্দটি জনগণের কাছে অর্থহীন হয়ে উঠবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী

জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী