সুনামগঞ্জ , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ , ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, আমরাও মানুষ : শফিকুর রহমান গাজী সিনড্রোম এবং তার পেছনের মনস্তত্ত্ব অয়নৃত্য’র ৩য় বর্ষপূর্তি ও বর্ষা উৎসব ‘নীল নবঘনে’ নৃত্য-সুরে বর্ষার বন্দনা, মুগ্ধ দর্শক বৃক্ষরোপণই জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার কার্যকর উপায়: এমপি নূরুল ইসলাম নূরুল বিনামূল্যে অর্ধেক ভাগ না দেয়ায় জলমহাল দখলের অভিযোগ বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ দুই দশক পর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে নতুন কূপ খননের পরিকল্পনা উদ্বোধনেই থমকে আছে সদর হাসপাতালের আইসিইউ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির শহরে জলাবদ্ধতাসহ নাগরিক দুর্ভোগ নিরসনের দাবি অপরাধমুক্ত সুনামগঞ্জ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জামালগঞ্জে বাঁধ ভেঙে ঢুকছে পানি, প্লাবিত হচ্ছে বসতভিটা, আমন ফসল নিয়ে শঙ্কায় কৃষক জামায়াতে ইসলামী থেকে ‘ইসলামী’ শব্দ বাদ দেওয়ার দাবি যুবদল সভাপতির জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনে প্রস্তুতিমূলক সভা জেলা পুলিশের অনলাইনভিত্তিক কুইজে প্রথম জেলা ছাত্রদলের সভাপতি পাহাড়ি ঢলে ভেঙেছে আছিয়ার শেষ আশ্রয়, অনিশ্চয়তায় জীবন ছাতক পৌরসভার টেকসই উন্নয়নে আইইউজিআইপি’র সভা জগন্নাথপুর পৌরসভার ২২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার বাজেট ঘোষণা অস্তিত্ব সংকটে পান্ডারখাল বাঁধ ওয়ার্ল্ড ভিশনের শিশুদের বার্ষিক সমাবেশ, ২ হাজার ৭৫০ শিশুর মাঝে উপহার বিতরণ

মাছ শিকারের জন্য কাংলার হাওরে বিল সেচ, শত একর বোরো জমি অনাবাদি থাকার শঙ্কা

  • আপলোড সময় : ২২-১২-২০২৫ ০৮:১৪:৫০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-১২-২০২৫ ০৮:১৪:৫০ পূর্বাহ্ন
মাছ শিকারের জন্য কাংলার হাওরে বিল সেচ, শত একর বোরো জমি অনাবাদি থাকার শঙ্কা
স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার কাংলার হাওরে মাছ শিকারের কারণে বিলের পানি ছেড়ে দেওয়ায় প্রায় একশ একর (প্রায় ৪০.৫০ হেক্টর) বোরো জমি অনাবাদি থাকার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকরা। কৃষকদের অভিযোগ, সাব-ইজারাদার বদর উদ্দিন মাছ ধরার উদ্দেশ্যে কাংলার হাওরের বিলের পানি ছেড়ে দেওয়ায় বোরো জমিতে সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সময়মতো বোরো ধান রোপণ করা যাচ্ছে না এবং চরম ঝুঁকিতে পড়েছে চলতি মৌসুমের আবাদ। কাংলার হাওরটি সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের হরিনাপাটি গ্রামের পাশেই অবস্থিত। কৃষকদের দাবি, হাওরের ওপরের দিকে চাওখা বিল ও সিঙ্গির দাইড় বিলের মধ্যবর্তী অংশে থাকা বিলের পানি ছেড়ে দেওয়ার কারণেই এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সময়মতো পানি না পাওয়ায় রোপণ করা যায়নি বোরো ফসল। এতে বোরো ফসল আবাদে চরম ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। হরিনাপাটি গ্রামের কৃষক ইউসুফ আলী জানান, সিংগির দাইড় বিলের ইজারাদার দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের বড়কাটা গ্রামের হারু মিয়া। হারু মিয়া সাব লীজ দেন হরিনাপাটি গ্রামের সাবেক রঙ্গারচর ইউপি সদস্য বদর উদ্দিনকে। হরিনাপাটি গ্রামের রফিক মিয়া, শমশের আলী জানান, হরিনাপাটি গ্রামের নিকটবর্তী কাংলার হাওরের উঁচু বোরো জমি আমরা প্রত্যেক বছর শিঙ্গির দাইড় জলাশয়ের পানি দ্বারা চাষাবাদ করে থাকি। এ বছর পানির অভাবে উঁচু বোরো জমি চাষাবাদ করা যায়নি। আব্দুর রউফ, কালা মিয়া, কনু মিয়া জানান, যেগুলো চাষাবাদ করা হয়েছে, সেগুলো পানির অভাবে কিছুদিনের মধ্যে শুকিয়ে চৌচির হয়ে যাবে। এর সমাধান না হয় তাহলে ধান হবে না। এনিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। অভিযোগের বিষয়ে সাব-ইজারাদার বদর উদ্দিন বলেন, আমি কোনোভাবেই জড়িত নই। যার নামে বিল আছে তার সাথে কথা বলুন। সুনামগঞ্জ জেলা কৃষি কর্মকর্তা ওমর ফারুক জানান, এই বিষয়ে আমাকে কোনো কৃষক এখনও কিছুই জানাননি। খোঁজ নিয়ে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ