সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় বেতন জটে বিপাকে শিক্ষক-কর্মচারীরা ১৫ সেপ্টেম্বর সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি আগস্টে সড়কে মৃত্যু ৪৮১, প্রতিদিন ১৫ জনের বেশি কোটি টাকা রাজস্ব দিয়েও মাছ ধরতে পারছেন না মৎস্যজীবীরা যানজট ঠেকাতে সুনামগঞ্জে পৌরসভার বড় অভিযান জামালগঞ্জে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ হাওর সুরক্ষায় জেলা প্রশাসনের কিউআর কোডের নতুন উদ্যোগ বৃক্ষরোপণে অনিয়মের অভিযোগ, দায়সারা কর্মসূচিতে সরকারের টাকা গচ্চা বৃক্ষমেলায় সবুজের সমারোহ বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন জ্বালানি তেলের বাজারে নতুন নীতিমালা, সুযোগ পাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মায়ের স্নেহের স্মৃতি মনে করে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মুকুল ‘ডিসেম্বর’ নিয়ে অলি আহমদের বক্তব্যে রাজনীতিতে নতুন আলোচনা ‎জামালগঞ্জে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ঘর পুড়ে নিঃস্ব পরিবার ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই বাংলাদেশি, কোনো বৈষম্য থাকবে না : এমপি কামরুজ্জামান কামরুল মেয়েকে হারিয়েছেন পানিতে, এখন অন্য শিশুদের বাঁচাতে সাঁতার শেখান বাবা লোকজ পরিবেশনায় চিত্রায়িত হল সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অযত্ন-অবহেলায় অকেজো কোটি টাকার রেসকিউ বোট, সেবাবঞ্চিত হাওরবাসী সুনামগঞ্জে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে জন্মাষ্টমী উদযাপন সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু নয়, আমরা সবাই গর্বিত বাংলাদেশি: প্রধানমন্ত্রী
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা

সীমিত বরাদ্দে ১০০টি পাকা গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত

  • আপলোড সময় : ১৯-১২-২০২৫ ০৯:৩২:৪৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৯-১২-২০২৫ ০৯:৩২:৪৪ পূর্বাহ্ন
সীমিত বরাদ্দে ১০০টি পাকা গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি নয়, এটি সরাসরি মানুষের জীবনযাত্রা, অর্থনীতি ও সামাজিক গতিশীলতার সঙ্গে যুক্ত। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় সীমিত বরাদ্দের মধ্যেই ১০০টি পাকা গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি ব্যতিক্রমী ও প্রশংসনীয় দৃষ্টান্ত। যেখানে বছরের পর বছর ধরে মাটির রাস্তা নির্মাণ করে বর্ষা এলেই তা ধ্বংস হয়ে যেত, সেখানে এবার স্থায়ী সমাধানের পথে হাঁটার সাহসী সিদ্ধান্ত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নতুন আশার সঞ্চার করেছে। প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯টি ইউনিয়নে ১০০টি সিসি পাকা সড়ক ও কয়েকটি কালভার্ট নির্মাণের ফলে লাখো গ্রামীণ মানুষের যাতায়াত সহজ হয়েছে। এসব সড়ক স্থানীয় বাজার, সদর সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক পথের সঙ্গে সংযোগ সৃষ্টি করেছে, যা কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থী ও রোগীদের চলাচল এবং সামগ্রিক গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- এই সড়কগুলো অস্থায়ী নয়, বরং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি করছে। সুনামগঞ্জের মতো বৃষ্টিপ্রবণ ও হাওরাঞ্চল এলাকায় মাটির রাস্তা যে অর্থনৈতিক অপচয় ছাড়া আর কিছু নয়, তা বহু আগেই প্রমাণিত। প্রতি বছর একই রাস্তায় মাটি ফেলে আবার ভেঙে যাওয়ার চক্র থেকে বেরিয়ে আসার যে উদ্যোগ এবার নেওয়া হয়েছে, তা সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত। উপজেলা প্রশাসন, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস এবং জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত সিদ্ধান্ত ও সহযোগিতার ফলেই এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে। এই উদ্যোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। বরাদ্দের বড় অংশ সরাসরি পাকা সড়কে ব্যবহার, কাজের মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং অপ্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ এড়িয়ে চলার মনোভাব স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়িয়েছে। জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্যেও উঠে এসেছে- স্বাধীনভাবে ও চাপমুক্ত পরিবেশে কাজ করতে পারলে অল্প বরাদ্দেও দৃশ্যমান উন্নয়ন সম্ভব। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার এই অভিজ্ঞতা দেশের অন্যান্য উপজেলাগুলোর জন্য অনুসরণযোগ্য মডেল হতে পারে। টিআর ও কাবিটা প্রকল্পে যদি সারা দেশেই অস্থায়ী কাজের বদলে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, তবে গ্রামীণ উন্নয়ন হবে টেকসই, অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে এবং মানুষের ভোগান্তি কমবে। আমরা মনে করি, এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। একই সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদগুলোর বরাদ্দ বাড়ানো, জনপ্রতিনিধিদের সক্ষমতা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনিক নজরদারি জোরদার করা জরুরি। তাহলেই “গ্রাম বাংলা বদলে যাবে” - এই আশাবাদ আর স্লোগান নয়, বাস্তবতায় রূপ নেবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
১৫ সেপ্টেম্বর সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি

১৫ সেপ্টেম্বর সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি