সুনামগঞ্জ , শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬ , ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপির লড়াই স্বাধীনতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে : মির্জা ফখরুল একটি দল ‘বেহেশতের টিকিট’ বিক্রির নামে শিরক করছে : তারেক রহমান দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ : তারেক রহমান কেন সিলেট থেকেই বিএনপি শুরু করে নির্বাচনী প্রচারণা? আজ সিলেট থেকে তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু বাঁধ নির্মাণকাজে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দিলেন জেলা প্রশাসক প্রতীক পেলেন প্রার্থীরা, আজ থেকে শুরু প্রচার-প্রচারণা আনোয়ার হোসেন ও জয়নুল জাকেরীনকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার এক মঞ্চে মিলন-মিজান পথ্য সরবরাহের দরপত্রে অনিয়ম, ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতার নির্দেশ স্বাস্থ্য বিভাগের সংযোগ নিয়ে পল্লীবিদ্যুতের টালবাহানা অগভীর এক ক্লোজারেই বরাদ্দ ১৯ লাখ এবার ছাগল চরবে না, ভোটকেন্দ্র মুখরিত থাকবে : ধর্ম উপদেষ্টা ৮ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার, প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২৩ জন ‘হ্যাঁ’-তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে : প্রধান উপদেষ্টা শহর থেকে গ্রাম-গণভোটের বার্তায় মুখর সুনামগঞ্জ ভোট হবে নিরপেক্ষ : সেনাপ্রধান পবিত্র শবে বরাত ৩ ফেব্রুয়ারি চীনের সম্মতির অপেক্ষায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা : উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান আব্দুল খালিক উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ

  • আপলোড সময় : ১৪-১২-২০২৫ ১২:০৯:০১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৪-১২-২০২৫ ১২:০৯:০১ পূর্বাহ্ন
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: আজ ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ইতিহাসের এই দিনটি বাঙালি জাতির জীবনে একটি বেদনার দিন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কলঙ্কময় দিন। স্বাধীন বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও নতুন রাষ্ট্রকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও শিল্পীসহ বহু গুণীজনকে ধরে নিয়ে পৈশাচিকভাবে হত্যাযজ্ঞ চালায়। বাঙালির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের তালিকা করে এ হত্যাকান্ড চালানো হয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময়জুড়েই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়। তবে বিজয়ের প্রাক্কালে ১৪ ডিসেম্বর এ হত্যাযজ্ঞ ভয়াবহ রূপ নেয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানের এ দেশীয় দোসর আল-বদরের সাহায্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, সংস্কৃতি কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার বরেণ্য ব্যক্তিদের অপহরণ করা হয়। পরে নিদারুণ যন্ত্রণা দিয়ে রায়েরবাজার ও মিরপুরে তাদের হত্যা করা হয়। এ দু’টি স্থান এখন বধ্যভূমি হিসেবে সংরক্ষিত। মহান মুক্তিযুদ্ধের শেষ লগ্নে ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে আল-বদর বাহিনী আরও অনেক বুদ্ধিজীবীকে ধরে নিয়ে মোহাম্মদপুর ফিজিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে স্থাপিত আল-বদর ঘাঁটিতে নির্যাতনের পর রায়েরবাজার বধ্যভূমি ও মিরপুর কবরস্থানে নিয়ে হত্যা করে। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে রয়েছেন- অধ্যাপক মুনির চৌধুরী, ডা. আলিম চৌধুরী, অধ্যাপক মুনিরুজ্জামান, ড. ফজলে রাব্বী, সিরাজ উদ্দিন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, অধ্যাপক জিসি দেব, জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, অধ্যাপক সন্তোষ ভট্টাচার্য, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন, অধ্যাপক আনোয়ার পাশা, অধ্যাপক রশীদুল হাসান, ড. আবুল খায়ের, ড. মুর্তজা, সাংবাদিক খন্দকার আবু তাহের, নিজামউদ্দিন আহমেদ, এস এ মান্নান (লাডু ভাই), এ এন এম গোলাম মোস্তফা, সৈয়দ নাজমুল হক, সেলিনা পারভিনসহ আরও অনেকে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ