সুরক্ষা আদেশ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে
টাঙ্গুয়ার ও হাকালুকি হাওর সুরক্ষা আদেশ’ বাস্তবায়নে অংশীজন কর্মশালা'
- আপলোড সময় : ০৩-১২-২০২৫ ১১:২৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৩-১২-২০২৫ ১১:২৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ::
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি হিসেবে পরিচিত টাঙ্গুয়ার হাওর ঘিরে সরকারের প্রণীত ‘টাঙ্গুয়ার ও হাকালুকি হাওর সুরক্ষা আদেশ’ বাস্তবায়নে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক অংশীজন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ৩ ঘণ্টাব্যাপী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ও যুগ্মসচিব ড. মোহাম্মদ মাহে আলম। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া। কর্মশালায় পরিবেশবিদ, মৎস্যজীবী সমিতির নেতা, ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির প্রতিনিধি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সমর কুমার পাল-এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষ, সমাজকর্মী নূরুল হক আফিন্দী, সালেহিন চৌধুরী শুভ, পরিবেশ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাইমিনুল হক, সাংবাদিক শহীদনূর আহমেদ, জেলা পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সাধারণ স¤পাদক ফজলুল করিম সাঈদ, হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক ওবায়দুল হক মিলন প্রমুখ।
হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ও যুগ্মসচিব ড. মোহাম্মদ মাহে আলম বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওর কেবল একটি হাওর নয়, এটি বৈশ্বিক পরিবেশ আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আন্তর্জাতিক রামসার কনভেনশন অনুযায়ী এর পরিবেশ সুরক্ষার দায়িত্ব আমাদের সকলের। অবৈধ মৎস্য আহরণ, অতিথি পাখি শিকার এবং অপরিকল্পিত পর্যটনের কারণে এই হাওরের নাজুক বাস্তুতন্ত্র আজ হুমকির মুখে। এই সুরক্ষা আদেশ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমেই আমরা হাওরের শত শত জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবন রক্ষা করতে পারবো। এই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, এই পরিকল্পনার মাধ্যমে স্থানীয়দের বিকল্প কর্মসংস্থান ও পরিবেশবান্ধব পর্যটনকে উৎসাহিত করা হবে।
জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওরের সম্পদকে কেন্দ্র করে স্থানীয় অংশীজনদের মধ্যে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। বিশেষ করে হাওরের অভ্যন্তরে অবৈধ জাল ব্যবহারকারী এবং পাখি শিকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। এই কর্মপরিকল্পনা তৈরি হলে তা বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। হাওরের স¤পদ রক্ষণাবেক্ষণে স্থানীয় কমিটিগুলোকে আরও শক্তিশালী করা হবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ