সুনামগঞ্জ , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬ , ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রমিক অসন্তোষে বন্ধ ৪৬৯ পোশাক কারখানা প্রতি মাসে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ ডিলারের লাইসেন্স ব্যবহার করে সরকারি কার্যালয়ে বীজের মজুত ও বিক্রির অভিযোগ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মওসুমের এক মাস আগেই শুকিয়েছে বীজতলা, বিপাকে হাওরের কৃষক সড়ক নির্মাণে দুর্নীতি আড়াল করতেই এমপি’র বিরুদ্ধে অপপ্রচার, লুটপাটকারীদের বিচারের দাবি জন্মান্ধ স্বামী, এক চোখে দেখেন স্ত্রী, মানুষের সাহায্যে চলে সংসার শঙ্কা মাথায় নিয়ে বোরো আবাদের প্রস্তুতি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতি সভা পোশাক কারখানা সচল রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাবা-মা-ভাইবোনসহ ছাত্রলীগ নেতার পুরো পরিবার গ্রেফতার, সঙ্গে ৩ বন্ধুও শীতকালীন সবজি চাষে নেই প্রণোদনা, ভালো দাম, প্রকৃতি ভরসা কৃষকের জাতীয় যুব দিবস পালিত ছাতকে আমন ধান কাটা উৎসব তাহিরপুরে নামমাত্র শিশু পার্ক, দুই বছরেও চালু হয়নি কার্যক্রম জমকালো আয়োজনে পর্দা উঠল গাগলী সুপার লীগ সিজন-৪ এর এইচএসসিতে সুনামগঞ্জের দুই কলেজে পাস করেনি কেউ শাল্লায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ তাহিরপুরে সাড়ে ৩ কোটি টাকার পানি সরবরাহ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন এইচএসসিতে ফল বিপর্যয়, অর্ধেকই ফেল, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৬ জন এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, প্রতিবাদে সোচ্চার বিএনপি নেতাকর্মীরা

সদর হাসপাতালের জনবল সংকট নিরসন করুন

  • আপলোড সময় : ৩০-১১-২০২৫ ০১:১০:১৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩০-১১-২০২৫ ০১:১০:১৬ পূর্বাহ্ন
সদর হাসপাতালের জনবল সংকট নিরসন করুন
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের ভয়াবহ জনবল সংকট যেন জেলাবাসীর কাক্সিক্ষত স্বাস্থ্যসেবাকে প্রতিদিনই উপহাস করে চলছে। সরকার নির্ধারিত ৩৯৬টি পদের মধ্যে শূন্য রয়েছে ২৫৪টি অর্থাৎ প্রায় ৬৫ শতাংশ জনবলই অনুপস্থিত। দেশের একটি জেলা সদর হাসপাতালের এ পরিস্থিতি শুধু উদ্বেগজনক নয়, এটি স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ধ্বংস করে দিচ্ছে প্রতিদিন। রোগী একটু জটিল অবস্থায় পড়লেই তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া এখন যেন রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, দুর্ঘটনায় গুরুতর আঘাত - এসব গুরুতর রোগীর প্রথম ঠিকানা হওয়া উচিত সদর হাসপাতাল। কিন্তু সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি রোগীদের পরিবারকে বহন করতে হচ্ছে অতিরিক্ত আর্থিক চাপ। হাসপাতালের জনবল সংকট এতটাই প্রকট যে সিনিয়র কনসালটেন্টের ১১টি পদের সাতটি শূন্য, জুনিয়র কনসালটেন্টের অর্ধেকের বেশি পদ শূন্য, অ্যানেস্থেটিস্ট নেই ৩ জনের জায়গায়, মেডিকেল অফিসার নেই ১৩ জনের মধ্যে, স্টাফ নার্স নেই প্রায় ১৫০ জনের মতো। ইমার্জেন্সি থেকে ইনডোর, ল্যাব থেকে অপারেশন থিয়েটার - সব বিভাগেই একই চিত্র। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে- হাওর এলাকার কঠিন ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ডাক্তাররা দীর্ঘদিন থাকতে চান না। কিন্তু প্রশ্ন হলো- কেন এমন এলাকায় কর্মরত চিকিৎসকদের জন্য বিশেষ সুবিধা, আর্থিক প্রণোদনা, বাসস্থান, নিরাপত্তা - এসব নিশ্চিত করা হচ্ছে না? এটি কি সরকারের অজানা? নাকি সমস্যা জানার পরও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই? আমরা মনে করি, সরকার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এখনই জনবল সংকট নিরসনে দৃশ্যমান উদ্যোগ নিতে হবে। সুনামগঞ্জবাসী আর অপেক্ষা করতে চায় না - তারা চায় কার্যকর পদক্ষেপ, চায় কাক্সিক্ষত সেবা, চায় নিরাপদ চিকিৎসা অধিকার।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
প্রতি মাসে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ

প্রতি মাসে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ