দুই জনের ওপর হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
- আপলোড সময় : ২৯-১১-২০২৫ ০৩:৫২:১০ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৯-১১-২০২৫ ০৩:৫২:১০ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের পুরাতন গুদীগাঁও গ্রামে পৈতৃক স¤পত্তি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সালিশী ব্যক্তি ও এক নারীসহ দুইজনের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনায় জড়িত দোষীদের শাস্তি ও গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় গুদীগাঁও গ্রামে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
আহতরা বর্তমানে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তারা হলেন, সালিশী ব্যক্তি ও জাহাঙ্গীরনগর প্রতিবন্ধী সংগঠনের সভাপতি ফারুক মিয়া (৪২) ও তার স্ত্রী জায়েদা খাতুন (৩৫)। বুধবার রাত অনুমান ১০টার দিকে গুদীগাঁও গ্রামের ফাতেমা বেগমের বসতঘরে হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত আলী মিয়ার ছেলে মোস্তাক মিয়া ও তার আপন বোন ফাতেমা বেগমের মধ্যে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে গ্রাম্য সালিশ বসে। পরবর্তী শনিবার দিনে পুনরায় সালিশ বসার সিদ্ধান্ত হওয়ায় সবাই বাড়ি ফিরে যান। তবে প্রতিবন্ধী ফারুক মিয়া তখনও ফাতেমা বেগমের ঘরে কথা বলছিলেন। এ সময় পাশের ঘর থেকে মোস্তাক মিয়া এসে কথা কাটাকাটি শুরু করেন। এক পর্যায়ে মোস্তাকের নাতি নয়ন মিয়া এসে ফারুক মিয়ার ওপর হামলা চালান। খবর পেয়ে ফারুকের স্ত্রী জায়েদা খাতুন মোস্তাক মিয়ার বাড়িতে প্রবেশ করলে সেখানে তার ওপরও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগের বিষয়ে মোস্তাক মিয়া বলেন, সালিশ শেষে সবাই চলে গেলেও ফারুক আমার বোনের ঘরে বসে মামলার পরামর্শ দেয়। পরে আমি প্রতিবাদ করলে সেও আমাকে গালমন্দ করার এক পর্যায়ে আমার নাতি গিয়ে তাকে টানা হেঁচড়া করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই কিছুক্ষণ পর ফারুকের স্ত্রী আমার বাড়িতে এসে গালাগাল করলে আমি তাকে একটি লাঠি দিয়ে বারি দেই।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মোস্তাক মিয়ার ছেলে আবুল হোসেন (৪০), নাতি নয়ন মিয়া (১৮) ও তুহিন মিয়া (১৭) মিলে ফারুক মিয়ার স্ত্রী স্বাস্থ্যকর্মী জাহেদা বেগমের ওপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ